খুলনার ডুমুরিয়ায় ৩০ রকম জর্দার পানে আলোচিত উদ্যোক্তা মেহেদী..

LATIF MORAL avatar   
LATIF MORAL
খুলনার ডুমুরিয়ায় ৩০ রকম জর্দার পানে আলোচিত উদ্যোক্তা মেহেদী..
খুলনার ডুমুরিয়ায় ৩০ রকম জর্দার পানে আলোচিত উদ্যোক্তা মেহেদী..
ছবি: সংগৃহীত
****

 

খুলনার ডুমুরিয়ায় তরুণ উদ্যোক্তা মেহেদী হাসানের বিশেষ পান বিক্রির উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কাঠালতলা বাজারে তরুণ উদ্যোক্তা মেহেদী হাসান তাঁর ভিন্নধর্মী পানের উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। তাঁর দোকানে পাওয়া যায় ৩০ ধরনের জর্দা দিয়ে তৈরি বিশেষ পান। এই উদ্যোগটি ইতোমধ্যে এলাকার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।মেহেদী হাসান কুলবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি রুহুল হাসান সরদারের ছেলে। বর্তমানে খুলনা সরকারি এম. এম. সিটি কলেজে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি কাঠালতলা বাজারের দক্ষিণ পাশে নিজের ব্যবসা পরিচালনা করেন, যেখানে পান, চা এবং ইমাদ পরিবহনের কাউন্টার রয়েছে।মেহেদী জানান, তাঁর দোকানে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ পিস পান বিক্রি হয়, যার প্রতিটি পিসের দাম ১০ টাকা। এর ফলে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার বিক্রি হয়। শুধু ডুমুরিয়া নয়, খুলনা শহর, সাতক্ষীরা ও যশোরের কেশবপুর থেকেও ক্রেতারা আসেন, এবং অনেকেই সিরিয়াল দিয়ে পান কিনে নিয়ে যান।মেহেদী তাঁর যৌথ পরিবারে বসবাস করেন। তাঁর বাবা রুহুল হাসান সরদার কৃষিকাজে নিযুক্ত, এবং ছোট ভাই মো. জাহিদুল ইসলাম দশম শ্রেণিতে পড়াশোনার পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক কাজ করেন। পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় মেহেদী তাঁর ব্যবসা পরিচালনা করছেন।মেহেদী হাসান বলেন, 'পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসা করছি। পরিবারের সবাই মিলে সুখে-শান্তিতে আছি। ক্রেতাদের ভালো মানের পান পরিবেশন করাই আমার লক্ষ্য। ভবিষ্যতে ব্যবসার পরিধি আরও বাড়াতে চাই এবং নিজস্ব স্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।'স্থানীয়দের মতে, মেহেদীর আন্তরিক ব্যবহার এবং মান বজায় রাখার জন্য তাঁর দোকানটি অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য পানপ্রেমী তাঁর দোকানে ভিড় করেন।মেহেদীর এই উদ্যোগ খুলনার স্থানীয় খাদ্যসংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। স্থানীয় অর্থনীতির জন্যও এটি একটি ইতিবাচক উদাহরণ হয়ে উঠেছে। মেহেদীর ব্যবসায়িক সাফল্য অন্যান্য তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতে পারে। ভবিষ্যতে তাঁর উদ্যোগের আরো বিস্তৃতি ঘটবে বলে আশা করা যায়।ট্যাগস: উদ্যোক্তা, ব্যবসা, ডুমুরিয়া, খাদ্যসংস্কৃতি, খুলনা

Tidak ada komentar yang ditemukan


News Card Generator