(ফলো আপ সংবাদ ২) সেতাবগঞ্জ পৌরসভা ধীন কাজলের উস্কানিমূলক কথাবার্তার কারণে নিজ স্বামীর বাড়িতে আশা আক্তার কে চুরি করতে বাধ্য করে এই নিয়ে জণমনের প্..

MD ABDUL MAZID KHAN avatar   
MD ABDUL MAZID KHAN
(ফলো আপ সংবাদ ২)     সেতাবগঞ্জ পৌরসভা ধীন কাজলের উস্কানিমূলক কথাবার্তার কারণে নিজ স্বামীর বাড়িতে আশা আক্তার কে চুরি করতে বাধ্য করে এই নিয়ে জণমনের প্..
(ফলো আপ সংবাদ ২)     সেতাবগঞ্জ পৌরসভা ধীন কাজলের উস্কানিমূলক কথাবার্তার কারণে নিজ স্বামীর বাড়িতে আশা আক্তার কে চুরি করতে বাধ্য করে এই নিয়ে জণমনের প্..
****
আঞ্চলিক ভাষায় পড়ুন:

 

মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)

সরাসরি কেনাকাটা করুন
সবগুলো দেখুন

 

খাঁন মোঃ আঃ মজিদ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

 

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ থানাধীন সেতাবগঞ্জ পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড ৬ নং ওয়ার্ডের (ঝাড়বাড়ী ধনতলা) স্থায়ী বাসিন্দা ও প্রবীণ সংবাদকর্মী আব্দুল মজিদ খান এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে গভীর ষড়যন্ত্র, ব্ল্যাক ম্যাজিক, অর্থ-স্বর্ণালংকার লুট এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন।

 

বিগত ১৯/০৭/২০১৮ সালে আশা আক্তার নামে একজন বিবাহিত নারী তখন এক কন্যা সন্তানের জননী ছিল ১. ফরহাদ হোসেন (পিতা আইয়ুব আলী বাবুর্চি) – দেড় বছর সংসার, এক কন্যাসন্তান (স্টেশনপাড়া উপজেলা রোড, বোচাগঞ্জ) ২. হাসিনুর রহমান (পিতা মো. মোস্তফা, সাইকেল মেকার) – আট মাস সংসার (বড় সুলতানপুর বাজার, নাফানগর, বোচাগঞ্জ) ৩. মোঃ রনি (পিতা মনির হোসেন, গুড় ব্যবসায়ী) - দীর্ঘদিন অবৈধ সংসার (গুচ্ছগ্রাম আবাসন, নাফানগর, বোচাগঞ্জ) ৪. মৃত আসরাফ আলী (পিতা মৃত ইউসুফ আলী) – ১৫ দিনের সংসার (রাণীশংকৈল বাজার, ঠাকুরগাঁও) এতকিছু জানার পরেও আশা আক্তারের ছোট কন্ঠ, দেখতে ছোটখাটো ,গায়ের রং শ্যামলা দেখে এই কাজল ইসলাম পাগল হয়ে যায় কেননা তার স্ত্রী শিরিনা বেগম ছিল কালো যার কারণে আপ্যায়ন চেষ্টা করেছে আশা আক্তার কে নিজের করে নিতে কিন্তু স্বামী আব্দুল মজিদ খান চোখে চোখে রাখত গৃহবন্দী অবস্থায়, তারপরও মাঝেমধ্যে যখন বের হতো বিভিন্ন ইশারায় এবং প্রকাশের কথা বলার চেষ্টা করত ও কুপ্রস্তাব দিয়েছিল যেটা আশা আক্তার স্বামী আব্দুল মজিদ খানের কাছে প্রকাশ করেছে। এরকম ভাবে প্রায় ২ বছর ধরে কাজল ইসলাম ও বড় ভাই জাহিনুর ইসলাম আশা আক্তার কে প্রতিনিয়ত বাজে ইশারা কুপ্রস্তাব সহ নানা উস্কানিমূলক কথা বলায় এসব আর সহ্য না করতে পেরে আব্দুল মজিদ খান বিগত ১৪/০৪/২০২০ ইং তারিখে বোচাগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করে যার নং ৪৯৫/২০ এটা শুধু ভবিষ্যতের জন্য করে রাখে।

 

বিগত ৩১/০৯/২০১৮ ইং তারিখে আনুমানিক রাত নয়টার দিকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ পরিমান অনুযায়ী ৪ লক্ষ ৯ হাজার ২ শত টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় আশা আক্তার।

 

প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গত ১০-০২-২৬ ইংরেজি তারিখে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে ১০,০০০ টাকা গ্রহণ করার (যার নাম্বার ১৮১৫) পর গত তিন মাসে মাত্র ৬,৪০০ টাকা পরিশোধের বিষয়টি নিয়ে বোচাগঞ্জের কাজলের আতঙ্ক ও পাওনাদারের টাকা গ্রহণ নিয়ে জনগণের মাঝে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সেতাবগঞ্জ পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বর্তমানে ডাক্তার ফরিদের বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ কাজল ইসলাম (পিতা-মৃত আহাদ আলী) এবং তার বড় ভাই মোঃ জাহিনুর ইসলাম প্রবীণ সংবাদকর্মী আব্দুল মজিদ খানের শত্রুপক্ষের সাথে হাত মিলিয়েছিলেন।

 

জানা গেছে, প্রবীণ সংবাদকর্মী ও তার পরিবারের ভালো খাওয়া-পড়া এবং সামাজিক মর্যাদা সহ্য করতে না পেরে ২০১৮ সাল থেকে এই দুই ভাই তাদের পেছনে উঠেপড়ে লাগে। সংবাদকর্মী আব্দুল মজিদ খানের দুই স্ত্রী—মরহুমা রহিমা বেগম এবং ছোট স্ত্রী আশা আক্তার। অভিযোগ রয়েছে, কাজল ও জাহিনুর এই দুই নারীর ওপর কুনজর দেয়, যা মৃত্যুর আগে‌ বড় স্ত্রী নিজ মুখে আব্দুল মজিদ খানের নিকট স্বীকার করে গেছেন।

 

অভিযোগ আরও গভীর হয় যখন জানা যায়, কাজলের স্ত্রী শিরিন বেগম, মজিদ খানের ছোট স্ত্রী আশা আক্তারের বড় বোন রাশিদা আক্তার এবং তাদের মাতা লিপি আক্তার মিলে কথিত ব্ল্যাক ও কালো জাদুর মাধ্যমে সংবাদকর্মী আব্দুল মজিদ খানের পরিবারকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। এই আতঙ্কে ও কোনো উপায় না পেয়ে প্রবীণ সংবাদকর্মী তার নিজের বাড়িটি মাত্র সাড়ে ১১ লক্ষ টাকায় ডাক্তার ফরিদের কাছে বিক্রি করে নিজের দাদা বাড়িতে চলে যেতে বাধ্য হন।

 

দাদা বাড়িতে দুই বছর বসবাসের পর, নানা বাড়ির ১৮০ শতাংশ জমি উদ্ধার করতে গিয়ে একটি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলার মুখোমুখি হতে হয় সংবাদকর্মীকে। বাদীনি আমিনা বেগম পিতা সেকেন্দার আলী মোল্লা অভিযুক্ত আসামিকে সরাসরি না চিনলেও, শুধুমাত্র জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নারী নির্যাতন মামলাটি দায়ের করেন। উল্লেখ্য, প্রবীণ সংবাদকর্মী আব্দুল মজিদ খানের আসল ঠিকানা ফরিদপুর জেলার সদরপুর থানার ৫ নং ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের চরচাঁদপুর ভাসানচর (২ নং মৌজা)। সেখানে তার গুষ্ঠি-খান্দানের কেউ না থাকলেও, ওই ফরিদপুরের শহরে চার রুম বিশিষ্ট নতুন বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস কারাকালীন একযুগ (১২ বছর) পর, গত ১১-৪-২৩ তারিখে তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হন।

 

ফরিদপুর কারাগারে ২ মাস থাকাকালীন, ৪-০৫-২৩ ইংরেজি তারিখ সকাল ১০:৩০ মিনিটে মজিদ খানের ছোট স্ত্রী আশা আক্তার নগদ ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা এবং সাড়ে ৬ ভরি স্বর্ণালংকার সহ সাড়ে ১০ ভরি রুপা অলঙ্কার জেল সুপারের নিকট জমা দিতে যান। তৎকালীন জেল সুপার এবং জেলার সাহেব জানান যে, নগদ টাকা রাখা গেলেও স্বর্ণালংকার রাখা যাবে না। এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন জামাদার গোবিন্দ, অফিস কারারক্ষী মিলন, কারারক্ষী মনিরুজ্জামান, কারারক্ষী শাহীনসহ অনেকে, যার প্রমাণ সিসিটিভি ক্যামেরায় সংরক্ষিত রয়েছে।

 

এর মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ওই নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, মূল্যবান মালামাল ও জরুরি কাগজপত্র নিয়ে আশা আক্তার ঢাকার উদ্দেশ্যে তার বড় বোন রাশিদা আক্তার ও দুলাভাই দেলোয়ার হোসেনের কাছে চলে যান। পরবর্তীতে ১৫-০৬-২৩ তারিখে ফেসবুকে লাইভে এসে একটি নাটকীয় অভিনব কায়দায় চুরির ঘটনা সাজিয়ে মজিদ খানের দুই ছেলে (রুবেল খান ও সোহেল খান) এবং তাদের দুই স্ত্রী (ইভা বেগম ও লাবনী বেগম)-কে ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়। অথচ ওই সময় বাড়িতে শুকুর আলী খান, রাসেল খান, ছোট ছেলে এলাহী খানসহ প্রতিবেশীরা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা প্রকৃত সত্য জানতেন।

 

১১-০৬-২৩ তারিখে সংবাদকর্মী জামিনে মুক্তি পেলেও, ছোট স্ত্রী আশা আক্তার তার পিতা লাইসুর রহমান ও মাতা লিপি আক্তারের কুবুদ্ধিতে পুনরায় ষড়যন্ত্র করায় মজিদ খানকে আরও এক মাস কারাভোগ করতে হয়। অবশেষে ১১-০৭-২৩ তারিখ সকাল ১১:৩০ টায় ফরিদপুর জেলখানা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর, সেই রাতেই আশা আক্তার ফোন করে মজিদ খানকে দিনাজপুর থেকে দুই কন্যা সন্তানসহ তাকে নিয়ে যেতে বলেন।

 

তাকে নিয়ে আসার পর, ১৫-০৭-২৩ তারিখ ভোরের দিকে ঘরের দরজার ছিটকানি আটকে তিনটি মোবাইল সেট এবং নগদ ৩১,৬০০ টাকা নিয়ে ফরিদপুর থেকে পালিয়ে বোচাগঞ্জ থানাধীন ১ নং ইউপি নাফানগর পুরাতন গুচ্ছগ্রামে চলে যান তার পিতামাতার কাছে আশা আক্তার উভয়ের স্থায়ী ঠিকানা জালগাও , ৩ নং মুর্শিদাহাট, সেতাবগঞ্জ পৌরসভা, বোচাগঞ্জ, দিনাজপুর । এরপর গত ১০-১২-২৩ তারিখে প্রবীণ সংবাদকর্মী আব্দুল মজিদ খানকে সেখানে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে যাওয়ার পর থেকেই তার ওপর মানসিক নির্যাতন, অপদস্ত এবং প্রাণনাশের চেষ্টা এবং রক্তাক্ত করা হয় সংবাদ কর্মী আব্দুল মজিদ খান কে।

 

ভুক্তভোগী প্রবীণ সংবাদকর্মী আব্দুল মজিদ খান জানান, তিনি জীবনে কখনো কারো বিরুদ্ধে বিনা কারণে বা বিনা দোষে মামলা-হামলা করেননি। তিনি এবং তার পরিবারসহ সেতাবগঞ্জ পৌরসভা ও বোচাগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের এলাকাবাসী প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন যেন—উক্ত বিষয়ে সরজমিনে গিয়ে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে একটি সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হয়।

 

 

খবরের সাথে চ্যাট করুন (AI Chat with the News)
Powered by AI
📋 ৩ লাইনে সারসংক্ষেপ
🔍 মূল কারণ ও প্রেক্ষাপট
👥 প্রধান ব্যক্তি/পক্ষ
⚡ প্রভাব ও পরিণতি
AI Assistant
নমস্কার/সালাম! আমি এই সংবাদের বিবরণটি পড়েছি। এই খবরের যেকোনো তথ্য জানতে আমাকে প্রশ্ন করুন।
এআই ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন (AI Satirical Cartoon)
Instant Caricature
Eye News Logo

সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।

No comments found


News Card Generator