চাদাঁ না দেওয়ায় ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোহাম্মদ পলাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেসার্স পিএম ট্রেডার্সে ভাংচুর করে নগদ ১৫ লাখ টাকা লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ করা হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবদল নেতা মোশারফ হোসেন।
অভিযোগে জানা গেছে,উপজেলার ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন ও ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি আল আমীন বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ পলাশের কাছে চাদাঁ দাবি করে আসছিলো। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বৃহস্পতিবার দুপুরে যুবদল সভাপতি মোশারফ হোসেন ও কৃষকদল নেতা আল আমীনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্থলবন্দরে পলাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায় ও ভাংচুর করে। পরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে থাকা ১৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় রাতেই ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোশারফ হোসেন ও কৃষক দলের সভাপতি আল আমীনকে নামীয় আসামী দিয়ে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন গোলাম মোহাম্মদ পলাশ।
বিএনপি নেতা গোলাম মোহাম্মদ পলাশ বলেন,যুবদল নেতা মোশারফ ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। তার কারনেই দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। তার আচরনে দলের প্রতিটি নেতাকর্মীই ক্ষুব্ধ। দীর্ঘদিন ধরেই তারা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলো। চাদাঁ না দেওয়ায় ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। ইউনিয়ন ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের জানিয়েছি। এছাড়াও থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
অভিযুক্ত ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, চাদাঁবাজি বন্ধ করতে গিয়েই তাদের শত্রু হয়েছি। উল্টো এখন তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্র করছে। কোনও ঘটনাই ঘটেনি,আমার সুনাম ক্ষুন্ন করতেই মিথ্যা প্রভাগন্ডা ছড়াচ্ছে।
ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি আল আমীন বলেন,তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না। আপনারা ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেন তাহলেই সত্যিটা জানতে পারবেন বলে লাইন কেটে দেন।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন,এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে,তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বকশীগঞ্জে বিএনপি নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট, যুবদল-কৃষকদল নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ..
No comments found



















