ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ আমতলী সদর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ আরিফ বিল্লাহর নেতৃত্বে সংগঠনটির দাওয়াতি কার্যক্রম স্থানীয় পর্যায়ে জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমতলী উপজেলার খলিয়ান বাজারস্থ আলোর দিশারী কোচিং সেন্টারে একটি বিশেষ দাওয়াতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মূলত তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় সচেতন মহলের কাছে সংগঠনের আদর্শ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ স্পষ্টভাবে তুলে ধরাই ছিল এই কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য। মোঃ আরিফ বিল্লাহর উপস্থিতিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মাঝে সাংগঠনিক পরিচিতি এবং ইসলামের সুমহান আদর্শের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়, যা স্থানীয় সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
কোচিং সেন্টারে উপস্থিত শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন মহলের পক্ষ থেকে এই ধরনের গঠনমূলক আলোচনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের একাংশ এবং স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, বর্তমান সময়ে নৈতিক অবক্ষয়ের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে ধর্মীয় ও আদর্শিক মূল্যবোধ জাগ্রত রাখা অপরিহার্য। আরিফ বিল্লাহ তার বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নৈতিক জীবন গঠনের পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, দাওয়াতি কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করা এবং তাদের মাঝে দেশপ্রেম ও ইসলামের সঠিক শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়াই তাদের বর্তমান কর্মপরিকল্পনার প্রধান অংশ। খলিয়ান বাজারের এই কর্মসূচিটি মূলত সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।
এই ধরণের দাওয়াতি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অংশগ্রহণ এবং মাঠ পর্যায়ের প্রচারণাকে সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি নির্দেশক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সংগঠনের বার্তা পৌঁছানোর লক্ষ্যে আরিফ বিল্লাহ ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মীরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা ছাড়াই অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এই দাওয়াতি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আমতলীর প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যায়ে এই ধরণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় কোনো বাধার সম্মুখীন না হওয়ায় সংগঠনটি তাদের লক্ষ্য অর্জনে বর্তমানে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলেও স্থানীয় সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
পরিশেষে, আমতলী সদর ইউনিয়ন শাখার এই কার্যক্রমটি সংগঠনটির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আদর্শিক প্রভাব বিস্তার এবং সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে স্থানীয় রাজনীতি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তরুণ প্রজন্মের মাঝে ধর্মীয় ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াটি সফল হলে তা সংশ্লিষ্ট এলাকায় সংগঠনের জনভিত্তি আরও সুসংহত করবে। তবে এই ধরণের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থানীয় সামাজিক ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সকল পক্ষের সাথে সমন্বয় বজায় রাখাই এখন সংগঠনের মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।