সিরাজগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আইন ও মানবাধিকারের সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আমাসুফ)-এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা এবং শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মার্কেটপ্লেস পণ্যসমূহ (Marketplace)
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা মোস্তফা জামান। তার বক্তব্যে বলেন,"মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। সমাজের অবহেলিত, নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আইন ও মানবাধিকারের সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আমাসুফ) যে ভূমিকা পালন করে আসছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। মানবাধিকার রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকেও আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "ন্যায়বিচার, মানবিক মূল্যবোধ এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মানবাধিকার বিষয়ে সচেতন করে গড়ে তোলার মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব। আসুফ ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে আমি আশা করি।"
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. মাসুদুর রহমান। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি, মানবাধিকার কর্মী এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, আইনি সহায়তা প্রদান এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার রক্ষায় আইন ও মানবাধিকারের সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আমাসুফ) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তারা বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
বক্তারা আরও বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আসুফ-এর বিগত সাত বছরের বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও জনকল্যাণমুখী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনা সভা শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা সংগঠনটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
সংবাদটির ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিক একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক কার্টুন তৈরি করুন।