News24Pabna | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
أحدث مقاطع الفيديو
বনমানুষের জীবন
পাবনার ফরিদপুরে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন
মো: আরিফুল ইসলাম,
পাবনা জেলা প্রতিনিধি।
পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় ২৯ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে ২৯ ধান উত্তরের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ধান আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঘরে তোলা সম্ভব হবে বলে কৃষকেরা জানিয়েছেন। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষকদের ধান কাটা কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। যথাসময়ে সেচ, বীজ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় ও সময়মত বৃষ্টি হওয়ায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান কৃষকেরা।
সরেজমিনে ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজের মধ্যে সোনালী ধান। মাঠের পর মাঠ বাতাসে দোল খাচ্ছে এ সব ধানের ক্ষেত। আর এ দোলায় লুকিয়ে আছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। ইতোমধ্যে পাবনা জেলার ফরিদপুরে অনেক এলাকায় শুরু হয়েছে ২৯ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ২৯ ধান ঘরে তোলা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা ও কৃষাণীরা। অনেকেই মাঠেই ধান শুকিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার ধান সিদ্ধ ও গরুর খড়ের জন্য কাঁচা ধানের খড় শুকাচ্ছেন। ধান চাষীদের বাড়িতে বাড়িতে চলছে উৎসবের আমেজ।
লাভ বেশি পাওয়ায় দিন দিন পাবনার কৃষকেরা ২৯ ধানের আবাদের দিকে ঝুঁকছেন। ফরিদপুর উপজেলার খলিশাদহ গ্রামের কৃষক শ্রী কালা চাঁদ সরকারসহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবাদ করতে শ্রমিক, সেচ, সার, কীটনাশক, ধান কাটা ও মাড়াই বাবদ খরচ হয় ৮/৯ হাজার টাকা। তাঁরা জানান, চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে এ বছর প্রায় ২৮ থেকে ৩০ মন ধান উৎপাদন হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। তবে এ বছর সবচেয়ে বেশি ফলন হবে ২৯ জাতের ধানে। বর্তমানে প্রতি মণ ধানের বাজার মূল্য ধানভেদে ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা। তাদের দাবি তাঁরা যেন এবার ধানের ন্যায্য মূল্য পান।
ফরিদপুর পৌরসভার ঋষিপাড়া
পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় কোরবানির পশুর চামড়ার গুণগত মান রক্ষায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা
পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় কোরবানির পশুর চামড়ার গুণগত মান রক্ষা এবং চামড়া পাচার রোধে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় প্রধান তাৎপর্যপূর্ণ কাজগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: লবণ লাগানো ও সংরক্ষণ: কোরবানির পর চামড়ার পচন রোধ করতে দ্রুত চামড়ায় লবণ ছিটানো এবং সঠিক নিয়মে সংরক্ষণের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান করা।
পাচার রোধে নজরদারি: ফরিদপুর উপজেলার আনসার সদস্যরা যাতে কোনোভাবেই কোরবানির চামড়া অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে বাইরে পাচার হতে না পারে। মূল্য ও বাজার স্থিতিশীলতা: চামড়ার বেচাকেনায় কোনো রকম সিন্ডিকেট বা অসাধু চক্র যেন কৃত্রিমভাবে দাম কমিয়ে কৃষকদের বা এতিমখানাগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে, সেদিকে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সজাগ দৃষ্টি রাখা।
জনসচেতনতা বৃদ্ধি: মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে চামড়া ছাড়ানো থেকে শুরু করে ট্যানারিতে পৌঁছানো পর্যন্ত চামড়ার মান ঠিক রাখার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি করেন। ফরিদপুর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি এই বিশাল জাতীয় সম্পদ রক্ষায় আনসার-ভিডিপি-এর সদস্যরা ফরিদপুর উপজেলায় অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করছেন।
ঈদ মোবারক
কিছু ধান কাটা হয়েছে আর কিছু হয়নি
পাবনা পলাশ ক্যাডেট স্কুল এন্ড মডেল মাদ্রাসায়, কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।
