ড. জহিরুল ইসলাম | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
Najnoviji video zapisi
পদ্মা-যমুনার চরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেদের জালে উঠছে দুষ্প্রাপ্য ও মহার্ঘ্য মাছ। দুই ঘণ্টার জালে মাত্র একটি তিন কেজির আইড় মাছ, যার দাম তিন হাজার টাকা কেজি। সকালে কেনা চিংড়ির দামও হাজার টাকা কেজি। নদীর মাছের অভাব ও অধিক চাহিদার কারণে দাম আকাশছোঁয়া, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।
📌 মূল বিষয়সমূহ:
• পদ্মা-যমুনার মাছের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
• মাছ কমে যাওয়ায় এবং চাহিদা বেশি থাকায় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
• তিন হাজার টাকা কেজি দরে আইড় মাছ বিক্রি হচ্ছে।
📹 Source / Credit: Mohsin ul Hakim
⚖️ ফেয়ার ইউজ নীতিতে প্রকাশিত।
📹 Source / Credit: Facebook
⚖️ এই কন্টেন্টটি সংবাদ পর্যালোচনা, শিক্ষামূলক উদ্দেশ্য ও ফেয়ার ইউজ নীতিমালার আওতায় প্রকাশিত। মূল কন্টেন্টের সকল স্বত্ব মূল স্রষ্টার।
বিবরণী: রাজধানীর বাংলামোটরে ন্যাশনাল ক্যাপিটাল পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গতকাল দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সাধারণ জনগণ এনসিপি-এর বিতর্কিত কিছু নীতি এবং দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এর ভূমিকা নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তোষ ঘনীভূত হয়েছে, যা গতকালের বিক্ষোভে রূপ নিয়েছে "Daily Jugantor" কর্তৃক সম্প্রচারিত লাইভ ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হাজার হাজার মানুষ স্লোগান দিতে দিতে এনসিপি কার্যালয়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডগুলোতে এনসিপি-এর নীতি পরিবর্তনের দাবি এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপের প্রতি তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে বিক্ষোভকারীদের মূল অভিযোগ, এনসিপি দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে এবং তাদের কিছু পদক্ষেপ জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী বিশেষ করে, সম্প্রতি ঘোষিত কিছু নীতি এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত জনগণের মধ্যে গভীর ক্ষোভের সঞ্চার করেছে এই বিক্ষোভে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে তাদের মতে, এনসিপি-এর কার্যকলাপ দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার খর্ব করছে লাইভ সম্প্রচারে দেখা গেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হলেও বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের দাবি আদায়ে অনড় ছিল এই বিক্ষোভ শুধু একটি রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের সামনে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার একটি প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে জনগণের এই তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে যে, তারা তাদের অধিকার নিয়ে সচেতন এবং যেকোনো অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে প্রস্তুত আগামী দিনগুলোতে এনসিপি-এর নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসে কিনা, এবং এই বিক্ষোভ দেশের রাজনৈতিক ময়দানে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, তা এখন দেখার বিষয় এই ঘটনা কেবল এনসিপি-এর জন্যই নয়, বরং দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]