ড. আদনান সামি | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
ড. আদনান সামি
|সাবস্ক্রাইবার
সর্বশেষ ভিডিও
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুর ঐতিহাসিক ফ্রিডম পার্কে সম্প্রতি এসআইআর বা এসআইআর ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত আটই অক্টোবর আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন, যা রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এই বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধানত উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ও কন্টেন্ট স্রষ্টা ধ্রুব রাঠী, প্রথিতযশা দক্ষিণী অভিনেতা প্রকাশ রাজ এবং নাগরিক অধিকার সংগঠন সিজিপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ ডিপকে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে তারা সরকারের নির্দিষ্ট নীতির বিরুদ্ধে নিজেদের কঠোর অবস্থানের কথা জানান এবং সাধারণ মানুষকে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। বিক্ষোভের মূল আকর্ষণ ছিল অভিজিৎ ডিপকের একটি প্ররোচনামূলক বক্তব্য, যা উপস্থিত জনতাকে বিশেষভাবে নাড়া দেয়। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতেই উপস্থিত বিক্ষুব্ধ জনতাকে একটি নির্দিষ্ট স্লোগান তোলার নির্দেশ দেন, যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আয়োজকরা মূলত বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে এসআইআর ব্যবস্থা প্রত্যাহারের দাবি তোলেন। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষ এই প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নিয়ে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে স্লোগান দিচ্ছেন। এই ঘটনাটি দেশের মূলধারার গণমাধ্যমের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এক বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যেখানে নাগরিক সমাজ ও সরকারের মধ্যকার চলমান দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
📌 মূল বিষয়সমূহ:
• বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে এসআইআর বিরোধী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
• বিক্ষোভে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী ও অভিনেতা প্রকাশ রাজ অংশ নেন।
• অভিজিৎ ডিপকে বিক্ষোভে বিতর্কিত স্লোগান তোলার আহ্বান জানান।
⏱️ মূল মুহূর্ত:
০০:০০ - বিক্ষোভের সূচনা ও অবস্থান
০০:৩০ - বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি
০০:৫০ - নেতার বিতর্কিত বক্তব্য
📹 Source / Credit: দ্য হিন্দু ও এনআরসি টুইটস
⚖️ এই কন্টেন্ট সংবাদ পর্যালোচনা ও ফেয়ার ইউজ নীতির আওতায় প্রকাশিত।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মধ্যে যৌথ মহড়া 'টাইগার লাইটনিং-২০২৬' অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মহড়া দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এতে বিভিন্ন ধরনের সামরিক কৌশল ও অপারেশনের অনুশীলন করা হয়, যা উভয় দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।