Md sohel Rana | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

   সর্বশেষ ভিডিও

Md sohel Rana
12 ভিউ · 3 মাস আগে

⁣পুশইন ও চোরাচালানে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে বিজিবি

Md sohel Rana
1 ভিউ · 3 মাস আগে

মো. সোহেল রানা দীঘিনালা (খাগড়াছড়ি)
পাহাড়ে উৎপাদিত টক-মিষ্টি লটকন পাহাড়ে ও সমতলে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে সমতলে। এবছর খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় প্রচুর পরিমানে লটকন ফলন হয়েছে। কৃষি অফিস দেয়া তথ্যমতে দীঘিনালা উপজেলা প্রায় ৮২হেক্টর জমিতে লটকন বাগান করেছে স্থানীয় চাষীরা। দীঘিনালা উপজেলা সবচেয়ে বড় লটকন বাগান করেছেন দীপংকর প্রশাদ চাকমা, তার বাগানে প্রায় আড়াই শত লটকন গাছ রয়েছে। সবগুলো গাছে প্রচুর পরিমানে লটকন ধরেছে। পাহাড়ের ঢালুতে স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় লটকন চাষের জন্য উপযোগী, লটকন চাষে খরচ একেবারেই কম, চারা লাগানোর ছয় পর বছর থেকে ফলন আসাতে শুরু করে। গাছ যত বড় হয় ফলন তত বাড়তে থাকে। পাহাড়ে অন্যান্য ফল চাষের পাশাপাশি লটকন চাষ একটি সম্ভবনায় ফসলে পরিনত হয়েছে। তাই লটকন চাষে ঝুকছে অনেকে তরুণ উদ্যোক্তরা। তবে এবছর লটকনের ফলন ভালো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে লটকনের তুলনামূলক গত দাম অনেক কম। প্রতি কেজি লটকন স্থানীয় বাজারে ৩০-৪০টাকা ধরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে।
দীঘিনালা উপজেলায় সবচেয়ে বড় লটকন চাষি দীপংকর প্রশাদ চাকমা বলেন, আমার বাগানে ২০১২সালে সাড়ে তিনশত লটকনের চারা লাগিয়ে ছিলাম ৬বছর পর থেকে ফলন আসতে শুরু করে এবছর আড়াইশত গাছে প্রচুর পরিমানে ফলন আসছে কিন্তু বাজারে দাম কম থাকায় আড়াইশত গাছের লটকন ব্যবসায়ীর কাছে ২লক্ষ ১০হাজার টাকা বিক্রি করছি। তবে লটকন চাষে খরচ তুলনামূল কম গাছ যতবড় হয় ফলন তত বাড়ে।
দীঘিনালা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, দীঘিনালা উপজেলায় এবছর প্রচুর মিষ্টি লটকন উৎপাদন হয়েছে। লটকন গাছের বেশি পরিচর্চা করতে হয় না, বছরের একবার গাছের গোড়ায় সামান্য পরিমানে সার দিতে হয়। লটকন চাষ করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।

Md sohel Rana
35 ভিউ · 1 বছর আগে

⁣খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় হাজার হাজার পাম ফল গাছেই নষ্ট হচ্ছে। পাম ফল থেকে তেল তৈরির সনাতন কিংবা কৃতিম পদ্ধতি কোনটাই জানেনা পাম চাষীরা। এখন শুধু পশু পাখির খাবারে পরিনত হয়েছে পাম ফলগুলো। কথিত আছে একটা ফ্যামিলিতে তিনটি পাম গাছ থাকলে সেই ফ্যামিলির সয়াবিন তেল কিনে খেতে হবে না। অনেক সুফলের আাশা নিয়ে আজ থেকে ১০/১২ বছর আাগে রোপন করেছিলেন পাম গাছে চারা। কেউ ১০০শটি কেউ ২০০টি আবার কেউ ৩০০শটি। এখন অনেক কৃষক পাম গাছ কেটে ফেলে দিচ্ছে।
কবাখালী ইউনিয়নের আলী নগর গ্রামের পাম চাষী মো: ইউসুফ মোল্লা বাংলাদেশ বেতারকে বলেন (এড ভিডিও বক্তব্য) স্থানীয় অনান্য ফসলে মত পাম ফল বাজারে বিক্রি করা যায় না। এখনো পর্যন্ত কোম্পানিও এগিয়ে আসে নাই পাম ফল ক্রয় করতে এমন অভিযোগ করে মেরুং ইউনিয়নের নয়মাইল এলাকার পাম চাষী ভুবনেশ্বর ত্রিপুরা বলেন (ভিডিও বক্তব্য এড)
দীঘিনালা কৃষি সম্প্রসারন দপ্তরের পাম চাষে কোন তথ্য রেকর্ড নেই। এব্যাপারে দীঘিনালা কৃষি অফিসের উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার পরেশ চাকমা বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম কে বলেন ভিডিও বক্তব্য এড।
সরকারি পৃষ্ঠ পোষকতা ও চাষীদেরকে পাম ফল থেকে তেল তৈরি প্রশিক্ষন প্রদান করেলে তেল উৎপাদন করে ফ্যমিলিতে তেলে চাহিদা মিটিয়ে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা সম্ভব। এতে করে ব্যপক সয়াবিন তেল চাহিদা পূরন হবে নলে মনে করছেন অনকে।
মো: সোহেল রানা
01860100001

আরো দেখুন