পূর্ব থেকে পশ্চিম স্লোগানে শুধু ফিলিস্তিন
מִכְנָסַיִים קְצָרִים לִיצוֹר
পূর্ব থেকে পশ্চিম স্লোগানে শুধু ফি লি স্তি ন #ফিলিস্তিন #ইসরাইল #ইসরায়েল
মাধবপুরে বেড়া দিয়ে রাস্তা দখল, গৃহবন্দী ১০ পরিবার!
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে রাস্তা দখল করে বেড়া দেওয়ায় প্রায় ১০টি পরিবার গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, দীর্ঘ দুই যুগ ধরে গ্রামের মানুষ যে রাস্তা দিয়ে চলাচল করে আসছিলেন, আব্দুল গফুর ও সুলেমান মিয়া সেটি জবরদখল করে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই ১০ পরিবার। অভিযুক্তরা মালিকানার দোহাই দিলেও দলিলপত্রে এটি রাস্তা হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।"
ভুক্তভোগীরা জানান, হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন তারা প্রায় গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন। শুধু চলাচলই নয়, শৌচাগারের নোংরা পানি নিষ্কাশনেও বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে এলাকাজুড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রতিবাদ করলে হামলা-মামলা ও নানা হুমকি দেওয়া হচ্ছে।"
ভুক্তভোগী জানান, আমরা গৃহবন্দী হয়ে পড়েছি। কথা বললেই হামলার শিকার হতে হয়। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।"
ফরিদগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর কঠোর অবস্থান: গণধোলাই খেল দুই মাদকসেবী🚨
ফরিদগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শহীদ সৈয়দনগর গ্রামে মাদকের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে সচেতন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকায় অতিষ্ঠ হয়ে দুই মাদকসেবীকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দিয়েছে ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা।
🔥মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এখন গ্রামের সাধারণ মানুষ নিজেই সোচ্চার। এলাকাবাসীর স্পষ্ট বার্তা—গ্রামে কোনোভাবেই মাদকের অভয়ারণ্য তৈরি হতে দেওয়া হবে না।
#ফরিদগঞ্জ #চাঁদপুর #মাদকমুক্ত_সমাজ #অপরাধ_সংবাদ #খবর #journalism
মসজিদের দেয়ালে
চীনামাটি ও কাঁচের ভগ্নাংশ বসানো। এসব দিয়ে অঙ্কিত হয়েছে ফুলদানি, ফুলের ঝাড়, গোলাপ
ফুল, একটি বৃত্তে একটি ফুল, চাঁদতারাসহ নানা চিত্র। নির্মান কাজে ব্যবহার হয়েছে মার্বেল
পাথর। নানান কারুকার্যে সাজানো ওই মসজিদের রয়েছে ২৭টি মিনারসহ ৩টি বড় গম্বুজ।
নীলফামারীর সৈয়দপুর
শহরে মসজিদটি নির্মিত হয় ১৬৩ বছর আগে। অপরূপ সৌন্দর্য্যরে ওই মসজিদের নাম চিনি মসজিদ।
নির্মানকাজে চীনামাটির ব্যবহারে অনেকের কাছে চীনা মসজিদ নামে পরিচিত।
রেলের
শহর হিসেবে খ্যাত সৈয়দপুর শহরে মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল ১৮৬৩ সালে। সেই সময়ে মসজিদের
নির্মাণকাজ শুরু করেন হাজি বাকের এবং হাজি মুকু নামের দুই ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি। জনশ্রুতি
আছে এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মুষ্ঠির চাল সংগ্রহের মাধ্যমে মসজিদটির নির্মান
কাজ শুরু হয়। নির্মানকাজে অর্থের প্রয়োজন হলে এলাকাবাসী স্বেচ্ছায় অর্থের যোগান দিতে
শুরু করেন।




