Shorts skab
নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুরে হতদরিদ্রদের সঞ্চিত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংক এশিয়া, বিরিশিরি শাখার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বুধবার দুপুরে দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় দুই শতাধিক নারী -পুরুষ এ মানববন্ধনে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, বিজিডি কার্ডধারী, ডিপিএস গ্রাহক, মাতৃত্বভাতা ও এলাকার সাধারণ সঞ্চয়কারীদের ৩ শতাধিক মানুষের প্রায় ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।পরে হঠাৎ করেই ব্যাংক অফিস তালাবদ্ধ করে গা-ঢাকা দেন শাখার কর্মকর্তাসহ মাঠকর্মীরা।
এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী তাসলিমা আক্তার, কামরুন নাহার, মাসুদা খাতুন, হেলেনা আক্তার, আসমা খাতুন, রোকসানা, রুজিনা, সাহারা বেগম, শামছুর নাহার প্রমুখ।
ভুক্তভোগীদের দাবি, অধিকাংশ মানুষ দরিদ্র ও অসহায়। তাদের টাকা ফেরত দিতে হবে। এই ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও টাকা উদ্ধারে সরকারের হস্তক্ষেপ চান তারা”
টাকা ফেরত পাওয়ার দাবীতেশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা ক্লাবে ৩মে'২৫ শনিবার উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের মৃত নওশের আলী গাজীর পুত্র রেজাউল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন তার বাড়ীর পার্শ্বে মোঃ কামাল হোসেন তাকে চার লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা চুক্তিতে কুয়েতে নিয়ে যায় ৩১ মার্চ। কুয়েতে যাওয়ার পর তাকে আর এক দালালের কাছে হস্তান্তর করেন। উক্ত দালাল বাড়ী থেকে তাকে ৫০ হাজার টাকা আনতে বলেন। তাকে দাবীকৃত টাকা না দিতে পারায় প্রায়ই অত্যাচার করত। ১ মাস থাকার পরও কোন প্রকার কাজ বা কাগজপত্রাদি দেয় নাই। পরবর্তীতে ২৮ এপ্রিল তাকে দেশে পাঠায়। রেজাউল করিম বলেন তার ভাড়ায় চালিত মাইক্রো বিক্রী করে টাকা দেয় বিদেশ যাওয়ার জন্য। বর্তমানে কোন কাজ নাহওয়ায় সমগ্র টাকা ফেরত পাওয়ার দাবীতে কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
আজকের সারাদিনের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ
#reels #news #breakingnews #breakingnewstoday
মাধবপুরে বেড়া দিয়ে রাস্তা দখল, গৃহবন্দী ১০ পরিবার!
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে রাস্তা দখল করে বেড়া দেওয়ায় প্রায় ১০টি পরিবার গৃহবন্দী হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, দীর্ঘ দুই যুগ ধরে গ্রামের মানুষ যে রাস্তা দিয়ে চলাচল করে আসছিলেন, আব্দুল গফুর ও সুলেমান মিয়া সেটি জবরদখল করে বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই ১০ পরিবার। অভিযুক্তরা মালিকানার দোহাই দিলেও দলিলপত্রে এটি রাস্তা হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।"
ভুক্তভোগীরা জানান, হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন তারা প্রায় গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন। শুধু চলাচলই নয়, শৌচাগারের নোংরা পানি নিষ্কাশনেও বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে এলাকাজুড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রতিবাদ করলে হামলা-মামলা ও নানা হুমকি দেওয়া হচ্ছে।"
ভুক্তভোগী জানান, আমরা গৃহবন্দী হয়ে পড়েছি। কথা বললেই হামলার শিকার হতে হয়। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।"




