রাজনীতি, সাক্ষাৎকার

প্যারোলের রাজনীতি ও আইনের প্রশ্ন

প্যারোলের রাজনীতি ও আইনের প্রশ্ন
February 19
04:58pm 2020

কান্ডারিহীন বিএনপি এবার প্যারোল রাজনীতির ফাঁদে পা দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। কেননা, প্যারোল অনুমোদন ও ব্যবস্থাপনার জন্য দেশে কোনো আইন নেই এবং তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইচ্ছাধীন ও পরিবর্তনশীল নীতিমালায় অনুশীলন করা হয়। অতএব, একজন সত্তরোর্ধ্ব ও অসুস্থ রাজনীতিকের প্যারোল নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতা ও মন্ত্রীরাও মনের মাধুরী মিশিয়ে নানা ধরনের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। এমনকি, ১২ বছর একটানা ক্ষমতা ধরে রাখার সুবাদে অভ্যাসসূচক ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে চলেছেন। অবস্থাদৃষ্টে তাই প্রশ্ন উঠছে, আন্দোলন ও নির্বাচনের মতোই প্যারোলের রাজনীতিতেও কি বিএনপি বিভ্রান্তির কবলে পড়তে চলেছে?
প্যারোল কথাটা রাজনীতিতে নতুন কিছু নয়। বাংলাদেশে অতীতে দুটো কারণে প্যারোলের কথা শোনা গেছে। একটি হচ্ছে মানবিক এবং অপরটি রাজনৈতিক। মানবিক কারণে প্যারোল বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়া এর আগেও পেয়েছেন। ফখরুদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যে বছরখানেক সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি একই ভবনে একই ধরনের কারাজীবন পার করছিলেন, সে সময়ে তাঁর মায়ের মৃত্যুতে তিনি প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন। আর, রাজনৈতিক কারণে যাঁরা প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে আছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অংশগ্রহণের অনুকূল পরিবেশ তৈরির শর্ত পূরণে তখনকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার এঁদের প্যারোলের ব্যবস্থা করে। রাজনীতির অন্দরমহলের খবর যাঁরা রাখেন, তাঁরা জানেন যে এসব প্যারোলের জন্য কাউকে মাঠে বক্তৃতা দিতে হয়নি এবং রাজনৈতিক চাপ অনুভব করার কারণেই তখন সরকার এগিয়ে এসে তার ব্যবস্থা করেছিল। স্বাধীনতার আগের ইতিহাসে না গেলেও পরের ইতিহাসে সুপরিচিত রাজনীতিকদের চিকিৎসার প্রয়োজনে প্যারোলের দৃষ্টান্ত আছে। যেমন, জাসদ নেতা আ স ম আবদুর রবের জার্মানিতে চিকিৎসার কথা এখানে স্মরণ করা যায়।
পরিহাসের বিষয় হচ্ছে, পুত্র চিকিৎসাজনিত প্যারোল পেয়েছিলেন যত সহজে, মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় প্যারোল ততটাই কঠিন হয়ে দেখা দিয়েছে। পুত্রের প্যারোলের বিষয়ে তখন সরকার চাপ অনুভব করেছিল, আর এখন সরকার একেবারেই চাপমুক্ত। তখন প্যারোলের ফয়সালা হয়েছিল নেপথ্যে, আর এখন প্রকাশ্য দেন-দরবারেও সাড়া মেলার কোনো লক্ষণ নেই। তবে, যতটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে তাতে রাজনীতিক হিসেবে খালেদা জিয়া কারাজীবনে মৃত্যুর আশঙ্কা নিয়ে ততটা চিন্তিত নন। তবে, তাঁর দলের অন্যদের মধ্যে অস্থিরতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তাঁরা রাজনীতিতে ক্রমেই তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন।
ক্ষমতাসীন দলের নেতারা যখন বলেন অপরাধ স্বীকার করেই প্যারোলের আবেদন করতে হবে, তখন বোঝা যায় বিষয়টি মানবিক নাকি রাজনৈতিক। প্রশ্ন হচ্ছে, প্যারোল সম্পর্কে আইনের বিধান কী? প্যারোলের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কার? সরকারের না আদালতের? বিস্ময়কর হলেও সত্য, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই, যার আলোকে প্যারোল সম্পর্কে সরকার বা বিরোধী দল বিএনপির পরস্পরবিরোধী দাবির নিষ্পত্তি হতে পারে। অবশ্য প্যারোলের সুনির্দিষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায় ২০১০ সালে তৈরি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন এবং ২০১৬-এর কোস্টগার্ড আইনে, যা শুধু ওই দুই বাহিনীর সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। প্যারোলের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইন না থাকায় বিষয়টির প্রয়োগের সম্ভাব্য ব্যাখ্যা মেলে অন্য দুটো আইনে—যার একটি হচ্ছে, দ্য প্রবেশন অব অফেন্ডারস অর্ডিন্যান্স, ১৯৬০ এবং অন্যটি হচ্ছে দ্য প্রিজন্স অ্যাক্ট, ১৮৯৪। তবে, সরকারের যে হালনাগাদ করা প্যারোল নীতিমালার সন্ধান মেলে, সেটি জারি হয়েছিল ২০১৬ সালের ১ জুন। হালনাগাদ নীতিমালায় অতীতের যেগুলোর উল্লেখ (রেফারেন্স) পাওয়া যায় তার একটি হচ্ছে ২০১০ সালের ৩ মার্চের এবং অন্য আরেকটি ২০০৭ সালের ২২ সেপ্টেম্বরের। তবে, নীতিমালা কোন আইনের অধীনে তৈরি হয়েছে, তার কোনো উল্লেখ এতে নেই।
সরকারের সর্বসাম্প্রতিক প্যারোল নীতিতে বলা হয়েছে বন্দীদের নিকটাত্মীয়দের কেউ মারা গেলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্যারোল মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে বিবেচিত হবেন। তবে, এই নির্দেশনায় আরও বলা আছে ‘নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর কারণ ছাড়াও কোনো আদালতের আদেশ বা সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্যারোলে মুক্তির প্রয়োজন দেখা দিলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্দীকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া যাবে।’ এতে নিরাপত্তা ও দূরত্ব বিবেচনায় এই সময় বেঁধে দেওয়ার এবং বন্দীকে সার্বক্ষণিকভাবে পুলিশ প্রহরাধীন থাকতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নীতিমালার আরেকটি লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, এই সময়সীমা কোনো অবস্থাতেই ১২ ঘণ্টার বেশি হবে না বলার পরই তাতে লেখা হয়েছে, তবে ‘বিশেষ ক্ষেত্রে সরকার মুক্তির সময়সীমা হ্রাস/বৃদ্ধি করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করবে।’ এই নীতিমালায় প্যারোলের মেয়াদ নির্ধারণের এখতিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হলেও বন্দীর দোষ স্বীকারের কোনো শর্ত নেই। সুতরাং মন্ত্রীদের মধ্যে যাঁরা অপরাধ স্বীকার করে প্যারোলের আবেদন করতে হবে বলে দাবি করছেন, তাঁদের বক্তব্যে যদি কেউ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হেয় করার উদ্দেশ্য খুঁজে পান, তা নাকচ করা সহজ নয়।
প্রবেশন অর্ডিন্যান্স অনুসরণ করা হলে দণ্ডিত ব্যক্তির শর্তাধীন মুক্তির আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র আদালতের, সরকারের নয়। এই আইনে মামলার রায় ঘোষণার সময়ে বিচারিক আদালত অথবা আপিল দায়েরের সময়ে উচ্চ আদালত দণ্ডিত ব্যক্তিকে শর্তাধীন মুক্তি দিতে পারেন। মুক্ত থাকার সময়ে তাঁকে ওই সব শর্ত পালন করতে হয় এবং সেগুলো দেখার জন্য প্রবেশন কর্মকর্তা থাকেন। একমাত্র মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত না হলে যেকোনো নারী এই আইনে শর্তাধীন মুক্তিলাভের অধিকার রাখেন। মামলার রাজনৈতিক চরিত্রের কারণে বিচারিক আদালতে তেমনটি যে সম্ভব ছিল না, তা মোটামুটি সবারই জানা। তবে, উচ্চ আদালতে আপিলের পর্যায়ে খালেদা জিয়ার সেই আবেদনের সুযোগ এখনো থাকার কথা। প্রবেশনের সিদ্ধান্তটি একান্তই বিচারকদের, সরকারের নয়। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিএনপি বিভিন্ন সময়ে যেসব অভিযোগ করে এসেছে, বিশেষ করে খালেদার জামিনের আবেদন নাকচ হওয়ার পটভূমিতে, তাতে অবশ্য আদালতের প্রতি আস্থার প্রশ্নে তাঁদের মধ্যে সংশয় থাকা অস্বাভাবিক নয়।
তা ছাড়া, এ কথাও সত্য যে বাংলাদেশে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালতে প্রবেশন আইন প্রয়োগের প্রবণতা নেই বললেই চলে। বিষয়টিতে সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি ইমান আলীর একটি ব্যাখ্যা পাওয়া যায় বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ও পেনাল রিফর্ম ইন্টারন্যাশনাল (পিআরআই) প্রকাশনা ‘ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইউজ অব দ্য প্রবেশন সিস্টেম ইন বাংলাদেশ’-এ। বিচারপতি ইমান আলীর কথায় ‘সম্ভবত বিজ্ঞ বিচারকদের শাস্তি প্রদানমূলক মনোভাবের কারণে আমাদের বিচারিক আদালতে প্রবেশনের ব্যবহার অত্যন্ত বিরল এবং এই অবস্থা দেশের সর্বত্র বিরাজ করছে।’
অন্য আইন, যেটি সোয়া শ বছরের পুরোনো দ্য প্রিজন্স অ্যাক্ট, তাতে অন্তত তিনটি ধারায় সরকারকে বন্দীদের সাজা কমানো ও আগাম মুক্তির বিষয়ে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। ধারণা করা অযৌক্তিক হবে না যে মন্ত্রীদের কেউ কেউ হয়তো এই আইনের আলোকে বিভিন্ন ধরনের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। ক্ষমতাটি সরকারের হাতে থাকলে এ রকম হওয়া মোটেও অস্বাভাবিক নয়। এবং তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনে ব্যবহার করাটাও অপ্রত্যাশিত নয়। প্রিজন্স অ্যাক্টের ৫৯ ধারার ৫,৭ এবং ৯ উপধারায় বন্দীদের আচরণের ভিত্তিতে মূল্যায়ন এবং সাজা কমানো, বন্দীর মৃত্যুঝুঁকি বিবেচনায় মুক্তিদান এবং দণ্ডের সময় এবং শ্রেণি নির্ধারণের উদ্দেশ্যে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা পুরোপুরি সরকারের। এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেই যে বিকাশের মতো দুর্ধর্ষ অপরাধীরা সাজার মেয়াদ শেষ করার আগেই সরকারের কৃপায় মুক্তি পেয়েছেন, সন্দেহ নেই।
সরকারের এখতিয়ার এবং কর্তৃত্ব বিবেচনায় প্যারোল প্রশ্নে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি ক্ষমতাসীন দল সহানুভূতিশীল হবে বিএনপির মধ্যে যাঁরা এমনটি ভাবছেন, তাঁদের ভাবনার ভিত্তি কী, তা-ও স্পষ্ট নয়। সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে হঠকারিতার ফাঁদে পা দিয়ে দলটির যে দুর্গতির শুরু, তা আরও প্রকট হয়েছে নির্বাচন প্রশ্নে অসংলগ্ন অস্থিরতায়। যে কারণে নির্বাচনে অংশগ্রহণ কখন অর্থপূর্ণ আর কখন নয়, সেই ভেদবোধও তাদের লোপ পাওয়ার আলামত দৃশ্যমান। নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক করা যখন ক্ষমতাসীনদের জন্য জরুরি ছিল, তখন কোনো ধরনের ছাড় আদায় করতে না পারলেও উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকারগুলোর নির্বাচনকে বৈধতা দিতে দলটির উৎসাহে কোনো ঘাটতি নেই। এখন প্যারোলের রাজনীতিতেও দলটির ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা ক্রমেই প্রকট হয়ে উঠছে।
  • কামাল আহমেদ: সাংবাদিক
  • কার্টসি - প্রথম আলো/ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০

সম্পর্কিত সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের নতুন বিশ্বরেকর্ড

যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের নতুন বিশ্বরেকর্ড

বেনাপোল সীমান্তে বাংলাদেশিকে গুলি করে মারল বিএসএফ

বেনাপোল সীমান্তে বাংলাদেশিকে গুলি করে মারল বিএসএফ

মোদির হঠাৎ লাদাখ সফর কীসের বার্তা?

মোদির হঠাৎ লাদাখ সফর কীসের বার্তা?

করোনার প্রভাবে পেশা পরিবর্তনের হিড়িক

করোনার প্রভাবে পেশা পরিবর্তনের হিড়িক

আমি নিষ্পাপ: এমপি পাপুল

আমি নিষ্পাপ: এমপি পাপুল

পাট শ্রমিকদের পাওনার হিসাব ৩ দিনের মধ্যে জানা যাবে

পাট শ্রমিকদের পাওনার হিসাব ৩ দিনের মধ্যে জানা যাবে

প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারপারসন করে ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন

প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারপারসন করে ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন

রাত পোহালেই ওয়ারী ‘লকডাউন’

রাত পোহালেই ওয়ারী ‘লকডাউন’

গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে সেনাবাহিনী

গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে সেনাবাহিনী

একদিনে আরও ৪২ মৃত্যু, শনাক্ত ৩১১৪

একদিনে আরও ৪২ মৃত্যু, শনাক্ত ৩১১৪

ত্রিপুরায় বিনামূল্যে আনারস লেবুর জুস খাওয়াবেন মুখ্যমন্ত্রী

ত্রিপুরায় বিনামূল্যে আনারস লেবুর জুস খাওয়াবেন মুখ্যমন্ত্রী

গাছ লাগানোয় যুবকের হাত-পা কাটল প্রতিপক্ষ

গাছ লাগানোয় যুবকের হাত-পা কাটল প্রতিপক্ষ

গুনে গুনে লিভারপুলকে ‘এক হালি’ দিল ম্যানসিটি

গুনে গুনে লিভারপুলকে ‘এক হালি’ দিল ম্যানসিটি

সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো দুই স্বাস্থ্য কর্মীসহ ১৪ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৯১

সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো দুই স্বাস্থ্য কর্মীসহ ১৪ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৯১

বিহারে বজ্রপাতে ২৬ জনের মৃত্যু

বিহারে বজ্রপাতে ২৬ জনের মৃত্যু

সর্বশেষ

স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, ২ সন্তান নিয়ে স্বামী পলাতক

স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, ২ সন্তান নিয়ে স্বামী পলাতক

গাছ লাগানোয় যুবকের হাত-পা কাটল প্রতিপক্ষ

গাছ লাগানোয় যুবকের হাত-পা কাটল প্রতিপক্ষ

পুরো রাজশাহী জেলাই রেড জোনে

পুরো রাজশাহী জেলাই রেড জোনে

রাত পোহালেই ওয়ারী ‘লকডাউন’

রাত পোহালেই ওয়ারী ‘লকডাউন’

প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারপারসন করে ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন

প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারপারসন করে ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন

পাট শ্রমিকদের পাওনার হিসাব ৩ দিনের মধ্যে জানা যাবে

পাট শ্রমিকদের পাওনার হিসাব ৩ দিনের মধ্যে জানা যাবে

বিদ্যুৎ অফিসের কার ভুলে মৃত্যু হলো বিদ্যুৎ শ্রমিক হায়দারের

বিদ্যুৎ অফিসের কার ভুলে মৃত্যু হলো বিদ্যুৎ শ্রমিক হায়দারের

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়ন ও জনবান্ধব সরকার: এমপি রবি

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়ন ও জনবান্ধব সরকার: এমপি রবি

গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে সেনাবাহিনী

গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে সেনাবাহিনী

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খান ৬ খাবার

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খান ৬ খাবার

সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো দুই স্বাস্থ্য কর্মীসহ ১৪ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৯১

সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো দুই স্বাস্থ্য কর্মীসহ ১৪ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৯১

একদিনে আরও ৪২ মৃত্যু, শনাক্ত ৩১১৪

একদিনে আরও ৪২ মৃত্যু, শনাক্ত ৩১১৪

আমি নিষ্পাপ: এমপি পাপুল

আমি নিষ্পাপ: এমপি পাপুল

মোদির হঠাৎ লাদাখ সফর কীসের বার্তা?

মোদির হঠাৎ লাদাখ সফর কীসের বার্তা?

ওয়ানডেতে শতাব্দীর দ্বিতীয় সেরা ক্রিকেটার সাকিব

ওয়ানডেতে শতাব্দীর দ্বিতীয় সেরা ক্রিকেটার সাকিব