Feedback

আরও...

পস্নাজমা থেরাপিতে ঝোঁক বাড়ছে, সতর্কতা জরুরি বিশেষজ্ঞদের অভিমত

পস্নাজমা থেরাপিতে ঝোঁক বাড়ছে, সতর্কতা জরুরি বিশেষজ্ঞদের অভিমত
June 20
06:39am
2020
Shahadat
Tejgoan, Dhaka, প্রতিনিধি:
Eye News BD App PlayStore

আই নিউজ বিডি ডেস্ককোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় এই ভাইরাস সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তিদের রক্তরস নিয়ে প্রয়োগে 'ভালো' ফল আসায় দিন দিন পস্নাজমা থেরাপির প্রতি ঝোঁক বাড়ছে; তবে কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো নীতিমালা তৈরি করতে পারেনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি 'ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল' ছাড়া পস্নাজমা থেরাপি দিতে বারণ করলেও হরদম তা প্রয়োগ করা হচ্ছে। কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসায় ডেডিকেটেড হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত এই চিকিৎসা পদ্ধতির শরণ নেওয়া হচ্ছে। এদিকে দাতাদের কাছে পস্নাজমা চেয়ে রোগীর স্বজনদের আবেদন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই দেখা যাচ্ছে। নানা নামে গড়ে তোলা হয়েছে পস্নাজমা ব্যাংক।

বিভিন্ন হাসপাতালও পস্নাজমা সংগ্রহ ও রোগীদের উপর তা ব্যবহার করছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য মতে, অনেক ক্ষেত্রেই পস্নাজমায় অ্যান্টিবডির পরিমাণ মাপা হচ্ছে না। পস্নাজমায় অ্যান্টিবডির পরিমাণ না জেনে এটি প্রয়োগ করলে ভালো ফল নাও আসতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই পরিস্থিতিতে পস্নাজমা ঘিরে নতুন অসাধু চক্রের উত্থান নিয়ে শঙ্কিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এম এ খান যত দ্রম্নত সম্ভব একে একটি নিয়ম-নীতির আওতায় আনা জরুরি বলে মনে করছেন। কোভিড-১৯ চিকিৎসায় পস্নাজমা থেরাপি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে প্রয়োগ হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পাশাপাশি সংকটাপন্ন রোগীদের উপর প্রয়োগের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

তবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফলের উপর ভিত্তি করেই পস্নাজমা থেরাপির ব্যবহার হবে কিনা, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় গঠিত জাতীয় কারিগরি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শহীদ উলস্নাহ। তিনি বলেন, এর আগে এটা ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন না তারা। তাদের বক্তব্য পরিষ্কার, পস্নাজমা থেরাপি এবং আরও কয়েকটা ওষুধের ব্যাপারে যারা দাবি করছে যতক্ষণ পর্যন্ত এটা গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণিত না হবে, ততক্ষণ এগুলো প্রয়োগের বিষয়ে তাদের কোনো সুপারিশ নেই। তবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে সীমিত আকারে এর প্রয়োগে কোনো সমস্যা দেখছেন না তিনি। অধ্যাপক শহীদ উলস্নাহ বলেন, 'যেহেতু একটা মহামারির সময়, এ কারণে অনেকে দিয়ে দেখতে চায়। আমেরিকার মতো দেশেও এটি ব্যবহার করে দেখছে হাইপোথেটিক্যালি।' তবে এখনও পস্নাজমা থেরাপি নিয়ে গাইডলাইন না থাকায় বিষয়টি নিয়ে অনেকে অনৈতিক সুযোগ নিতে পারেন বলে মনে করছেন ঢাকা মেডিকেলের অধ্যাপক ডা. এম এ খান। তিনি বুধবার বলেন, 'চাহিদা বেশি থাকবে, ডোনার কম থাকবে তখন তো সমস্যা হবেই। মানুষ টাকা দিয়ে কিনবে। এই সুযোগ নিতে চাইবে একটা পক্ষ।' ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের যে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে পস্নাজমা থেরাপির ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে, তার নেতৃত্বে আছেন ডা. এম এ খান। তিনি বলেন, পরীক্ষামূলক প্রয়োগের বাইরে সীমিত আকারে পস্নাজমা থেরাপি প্রয়োগের জন্য গত ২০ মে 'এক্সপ্যান্ডেড অ্যাকসেস প্রোগ্রাম' শুরু করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করেছিলেন তারা। তিনি আরও বলেন, 'ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বাইরে এই প্রোগ্রামের আওতায় কিছু রোগীকে পস্নাজমা দেওয়া যায়। যেটা আমেরিকায় শুরু করেছে। এটা রোগীদের মধ্যে ব্যাপক আকারে দেওয়া হবে, কিন্তু নিয়ম-কানুন থাকবে, যারা দেবে তাদের একটা ডকুমেন্ট রাখতে হবে। কাকে দেওয়া যাবে সেটা ঠিক করে দেবেন চিকিৎসকরা।

' অধ্যাপক ডা. এম এ খান বলেন, পস্নাজমা প্রয়োগের আগে তাতে অ্যান্টিবডি কী পরিমাণ আছে তা জানা জরুরি। কিন্তু পরীক্ষাটি না করেই পস্নাজমা প্রয়োগ করছেন অনেকে। তিনি আরও বলেন, 'পস্নাজমায় অ্যান্টিবডির নূ্যনতম অনুপাত ১:১৬০। পস্নাজমায় এর বেশি অ্যান্টিবডি থাকলে সেটা দেওয়া যায়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি পরীক্ষাই করা হচ্ছে না। ব্যাপারটা ফার্মেসি থেকে ওষুধ দেওয়ার মতো হয়ে গেছে।' যেভাবে চলছে পস্নাজমা থেরাপি অনেক ক্ষেত্রেই বিনামূল্যে পস্নাজমা দান করছেন কোভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তি। আবার কেউ কেউ টাকার বিনিময়ে পস্নাজমা দিচ্ছেন। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজন রোগীর জন্য ৪০০ মিলিলিটার পস্নাজমা সংগ্রহ করেছেন তার স্বজনরা। তাদের একজন বলেন, একজন দাতা পস্নাজমা দিতে রাজি হওয়ার পর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে পস্নাজমা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরে কুর্মিটোলা হাসপাতালে এনে রোগীকে পস্নাজমা দেওয়া হয়েছে। আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরেক রোগীর স্বজন জানান, তারা একজন দাতার কাছ থেকে এক ব্যাগ নেগেটিভ গ্রম্নপের রক্তের পস্নাজমা সংগ্রহ করেছেন। এজন্য দাতাকে 'কিছু টাকা' দিতে হয়েছে। তবে কত টাকা দিতে হয়েছে, তা বলতে রাজি হননি তিনি। বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক ব্যাগ পস্নাজমা সংগ্রহ করে দিতে ওই হাসপাতালে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ছাড়াও বাইরের রোগীদের জন্যও পস্নাজমা সংগ্রহ করে দেন তারা।

আল আমিন নামে সেখানকার একজন কর্মী বলেন, 'আপনি যদি বাইরে থেকে ডোনার আনেন সে ক্ষেত্রে আমরা পস্নাজমাটা করে দেব। বিল আসবে ৩৩ হাজার টাকার মতো।' পস্নাজমা সংগ্রহ করে দিলেও সেখানে পস্নাজমার অ্যান্টিবডি পরীক্ষার কোনো সুযোগ নেই বলে জানান তিনি। ইউনাইটেড হাসপাতালে শুধু ভর্তি রোগীদের পস্নাজমা থেরাপি দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। হাসপাতালের হটলাইনে যোগাযোগ করলে বলা হয়, এক্ষেত্রে পস্নাজমা দাতাকে নিয়ে আসতে হবে।

৪০০ এমএল পস্নাজমা সংগ্রহ করে দিতে খরচ হবে ২৫ হাজার টাকা। পস্নাজমা দেওয়ার আগে অ্যান্টিবডি টেস্ট করা হয় না। এখন পর্যন্ত ২০টার মতো পস্নাজমা দেওয়া হয়েছে। রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কোভিড-১৯ রোগীদেরও পস্নাজমা দেওয়া হচ্ছে। ওই হাসপাতালের পরিচালক ড. হাসান উল হায়দার বলেন, তারা সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই পস্নাজমা সংগ্রহ ও প্রয়োগ করছেন। পুলিশ সদস্যদের বাইরেও অনেকের অনুরোধে পস্নাজমা সরবরাহ করা হচ্ছে। গাইডলাইন না থাকার পরও পস্নাজমা কেন দিচ্ছেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পস্নাজমা থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, 'বিভিন্ন স্টাডিতে আমরা দেখেছি যে, যদি ক্ষতি না হয় রোগীর কিছুটা উপকার হয় তাহলে এটি দিতে সমস্যা নেই। গাইডলাইনে এখন অনেক চিকিৎসার কথাই বলা নেই। কিন্তু রোগীকে তো ফেলে রাখা যাবে না।

বাংলাদেশে যেহেতু এর প্রয়োগ হচ্ছে এ কারণে অবশ্যই একটা নীতিমালা করা উচিত।' গাইডলাইন হচ্ছে কিনা- জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বদলির আগে) হাবিবুর রহমান খান বুধবার জানান, এ ধরনের একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে এসেছিল। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তারা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বলেছেন। এটা একটা কারিগরি ব্যাপার। এখানে মন্ত্রণালয়ের কিছু করার নেই। এটা অনুমোদন বা যা-ই হোক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরই করতে পারে। এজন্য তারা প্রপোজালটা সেখানে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) আমিনুল হাসানের মোবাইলে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ধরেননি। বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের মোবাইলে ফোন করেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

All News Report

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

কুড়িগ্রামে দুই বছর পর উন্মোচিত হলো আসামী

কুড়িগ্রামে দুই বছর পর উন্মোচিত হলো আসামী

ওসি প্রদীপ কুমার দাশের গোড়া কোথায় ?

ওসি প্রদীপ কুমার দাশের গোড়া কোথায় ?

আমতলীতে ৬’শ টাকার গ্যাস ৮’শ ৫০ টাকা।  লাইব্রেরী, চায়ের দোকান ও কাপরের দোকানসহ যত্রতত্র স্থানে অবৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস   সিলিন্ডার

আমতলীতে ৬’শ টাকার গ্যাস ৮’শ ৫০ টাকা। লাইব্রেরী, চায়ের দোকান ও কাপরের দোকানসহ যত্রতত্র স্থানে অবৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার

ধর্মপ্রাণ ধর্মপ্রতিমন্ত্রী প্রয়োজন

ধর্মপ্রাণ ধর্মপ্রতিমন্ত্রী প্রয়োজন

১২ অগস্ট আসছে বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন

১২ অগস্ট আসছে বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন

ধুনটে ইউনিয়ন ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে বিজয়ী অলোয়া রাইর্ডাস

ধুনটে ইউনিয়ন ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে বিজয়ী অলোয়া রাইর্ডাস

আজ থেকে ১২ কেজি গ্যাসের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ৬০০ টাকা।দাম বেশি দেখলে ৯৯৯এ কল করুন

আজ থেকে ১২ কেজি গ্যাসের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ৬০০ টাকা।দাম বেশি দেখলে ৯৯৯এ কল করুন

বরগুনায় সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিপেটা; আহত ৩ জন!

বরগুনায় সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিপেটা; আহত ৩ জন!

মৌলভীবাজারে মানুষের মুখমন্ডলের আকৃতিতে অদ্ভুত এক বাছুরের জন্ম

মৌলভীবাজারে মানুষের মুখমন্ডলের আকৃতিতে অদ্ভুত এক বাছুরের জন্ম

প্রতি ৯ জন মহিলার মধ্যে ১ জন স্তন ক্যান্সারের শিকার, লক্ষণ এবং প্রতিকারগুলি

প্রতি ৯ জন মহিলার মধ্যে ১ জন স্তন ক্যান্সারের শিকার, লক্ষণ এবং প্রতিকারগুলি

বিশ্বের প্রথম ভ্যাকসিন আসতে আর ৪ দিন

বিশ্বের প্রথম ভ্যাকসিন আসতে আর ৪ দিন

যশোরে রাস্তা থেকে তুলে ঘাস ক্ষেতে নিয়ে গৃহবধুকে গণধর্ষণ ধর্ষক; আটক ৪!

যশোরে রাস্তা থেকে তুলে ঘাস ক্ষেতে নিয়ে গৃহবধুকে গণধর্ষণ ধর্ষক; আটক ৪!

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ডাক্তার, ব্যাংকারসহ আরো ৭ ব্যক্তির করোনা পজিটিভ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ডাক্তার, ব্যাংকারসহ আরো ৭ ব্যক্তির করোনা পজিটিভ

কারাগার থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সাতক্ষীরার আবু বকরের পলায়ন, বরখাস্ত ৬

কারাগার থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত সাতক্ষীরার আবু বকরের পলায়ন, বরখাস্ত ৬

স্কুল-কলেজ খোলা ও পরিক্ষার ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়

স্কুল-কলেজ খোলা ও পরিক্ষার ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়

সর্বশেষ

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আবু বকর সিদ্দিককে পাওয়া যায়নি

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি আবু বকর সিদ্দিককে পাওয়া যায়নি

পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

যতো দুর্নীতির   অভিযোগ এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে

যতো দুর্নীতির অভিযোগ এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে

টাকা আত্মসাৎ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান রুমি

টাকা আত্মসাৎ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান রুমি

শিবচরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার জন্মবার্ষিকী উদযাপন ও দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

শিবচরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছার জন্মবার্ষিকী উদযাপন ও দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ

কণ্ঠশিল্পী  “নোবেল ম্যান” নামের ইউটিউব চ্যানেলটি ব্যান

কণ্ঠশিল্পী “নোবেল ম্যান” নামের ইউটিউব চ্যানেলটি ব্যান

শহীদের মর্যাদা

শহীদের মর্যাদা

করোনায় ৩০ বছরের নিচে মৃত্যুর হার কম

করোনায় ৩০ বছরের নিচে মৃত্যুর হার কম

গল্পঃ ইদের আনন্দ ভাগাভাগি

গল্পঃ ইদের আনন্দ ভাগাভাগি

কারাগার থেকে কয়েদি ‘উধাও

কারাগার থেকে কয়েদি ‘উধাও

বঙ্গবন্ধুসহ শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে দোয়া মাহফিল

বঙ্গবন্ধুসহ শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে দোয়া মাহফিল

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এই বাড়িতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এই বাড়িতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়

ওষুধেও পাওয়া যাচ্ছে মাদকঃ নিরাপত্তা কোথায়?

ওষুধেও পাওয়া যাচ্ছে মাদকঃ নিরাপত্তা কোথায়?

স্কুল-কলেজ খোলা ও পরিক্ষার ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়

স্কুল-কলেজ খোলা ও পরিক্ষার ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়

তালাকের পর কিভাবে তালাক প্রত্যাহার করবেন

তালাকের পর কিভাবে তালাক প্রত্যাহার করবেন