Feedback

কিশোরগঞ্জ, সাহিত্য

বীর ঈশা খাঁর জঙ্গলবাড়ি দুর্গ

বীর ঈশা খাঁর জঙ্গলবাড়ি দুর্গ
August 01
02:09pm
2020
Md.Abdul Latif
kishoreganj, kishoreganj, প্রতিনিধি:
Eye News BD App PlayStore
বার ভূঁইয়া খ্যাত বীর ঈসা খাঁ সম্পর্কে দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচুর কৌতুহল রয়েছে। তাঁর স্যের্য্য-বীর্য, রণকৌশল ও মহানুভবতার বহু গল্প দেশের গ্রাম-গঞ্জে এখনো দারুণভাবে উপভোগ্য। আজ এই কিংবদন্তী বীরের দ্বিতীয় রাজধানি  জঙ্গলবাড়ি নিয়ে এ নিবন্ধে আলোকপাত করবো।

 এ প্রসঙ্গে কেদারনাথ মজুমদার লিখেছেন,‘লক্ষণ হাজো নামক এক কোচ রাজা বর্তমান জঙ্গলবাড়ি নামক স্থানে দুর্গ নির্মাণ করে হাজরাদী শাসন করছিলেন। ষোড়শ শতকের চতুর্থপাদে মোগলদের নিকট ঈশা খাঁ পরাজিত হয়ে জঙ্গলবাড়ি এলাকায় আগমন করেন এবং ঈসা খাঁ লক্ষণ হাজোর রাজধানী জঙ্গলবাড়ি আক্রমণ করে দখল করেন। দুর্গটি দখলের পর তিনি এর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সদৃঢ়করণ, দুর্গের সংস্কার সাধন, তিন দিকে পরিখা খনন এবং নরসুন্দার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে দুর্গটিকে একটি গোলাকার দ্বীপের আকার দেন।’ এরপর থেকেই জঙ্গলবাড়ি হয়ে ওঠে জাঁকজমকপূর্ণ ও জমজমাট নগর। পরে এই জঙ্গলবাড়ি দুর্গ হতেই ঈসা খাঁ সোনারগাঁও দখল করে সেখানে তার রাজধানী স্থানান্তর করেন।

 

দুর্গের ইতিহাস
প্রাচীনকাল থেকে জঙ্গলবাড়ি ছিল মসলিন বস্ত্রের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। জঙ্গলবাড়িতে উৎপাদিত জঙ্গল খাস, মলমলে খাস নামক মসলিন বস্ত্র মধ্যযুগের শেষ ক্রান্তিকাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে প্রসিদ্ধ ছিল। একাদশ শতাব্দীতে প্রতাবগড়ের রাজা জোঙ্গাল বলাহুর রাজধানি হিসেবে জঙ্গলবাড়িকে সুরক্ষিত করার জন্য দুর্গটি নির্মাণ করেন। জোঙ্গাল বলাহুরের রাজত্বকাল কতদিনের ছিল তা জানা যায়নি। তবে দ্বাদশ শতাব্দীতে ভাটিরাজ্যের রাজা ছিলেন জিতারী নামে একজন ক্ষত্রিয় ব্রাহ্মণ। তিনি খুবই পরাক্রমশালী রাজা ছিলেন। তিনি কামরূপের রাজধানী গৌহাটি আক্রমণ করে অধিকার করেছিলেন এবং কামরূপের রাজধানী গৌহাটি থেকে ভাটিরাজ্যের রাজধানী জঙ্গলবাড়িতে স্থানান্তর করেছিলেন। চতুর্দশ শতাব্দীতে ভাটি রাজ্যের রাজা হিসেবে লম্বোদরের নাম পাওয়া যায়। রাজা লম্বোদর ভাটিরাজ্যের রাজধানি জঙ্গলবাড়ি থেকে খালিয়াজুরীতে স্থানান্তরিত করেছিলেন।

১৫১৬ সালে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র যুবরাজ নাসিরউদ্দিন কামরূপের প্রশাসক নিযুক্ত হন। সুসংয়ের তৎকালীন রাজা কামাইনাথ যুবরাজ নাসিরউদ্দিনকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। ফলে যুবরাজ নাসিরউদ্দিন কামাইনাথকে মল্লিক ও হাজরা উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৫১৯ সালে বাংলা শাসনের স্বার্থে জঙ্গলবাড়ির দুর্গটিও রাজা কামাইনাথের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।

১৫৫২ সালে সুসং রাজ্যের সিংহাসনে বসেন জানকীনাথ মল্লিক। জানকীনাথ মল্লিকের ছিল দুই পুত্র রঘু সিংহ এবং লক্ষণ সিংহ। জানকীনাথ মল্লিক ক্ষমতা গ্রহণের পর লক্ষণ নাথকে জঙ্গলবাড়ি দুর্গের দুর্গ রক্ষকের দায়িত্ব দেন। বৃদ্ধ বয়সে জানকীনাথ মল্লিক রাজসিংহাসনে বসেছিলেন। ফলে শাসনক্ষমতা মূলত তার জ্যৈষ্ঠ পুত্র রঘু সিংহ পরিচালনা করতেন। ১৫৮১ সালের পর থেকে ভাটিরাজ্যের অধিপতি ঈসা খানের সাথে সুসং রাজার বিরোধ সৃষ্টি হয়। যেহেতু প্রাচীন ভাটি রাজ্যের রাজধানী ছিল জঙ্গলবাড়ি সেহেতু জঙ্গলবাড়ি অধিকার করার প্রয়োজনীয়তা ঈসা খাঁ অনুভব করেছিলেন। কথিত আছে, ঈসা খাঁ প্রথমে রাজা জানকীনাথ মল্লিককে জঙ্গলবাড়ির কর্তৃত্ব ভাটিরাজ্যের অধীনে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু রঘু সিংহের প্ররোচনায় জানকীনাথ মল্লি­ক ঈসা খাঁর অনুরোধ উপেক্ষা করেন। এদিকে ঈসা খাঁ সোনারগাঁওয়ের সিংহাসনে আরোহণের পর বঙ্গের সকল স্বাধীন ভ‚স্বামীদের নিয়ে মৈত্রী জোট গঠন করেন এবং এ মৈত্রী জোটে সুসংরাজ জানকীনাথ মল্লি­ককেও অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

কিন্তু যুবরাজ রঘু সিংহের প্ররোচনায় জানকীনাথ ঈসা খাঁর আহ্বানে সাড়া না দিয়ে সুসং রাজ্যের সীমা বৃদ্ধির কাজে আত্মনিয়োগ করেন। অন্যদিকে ঈসা খাঁ জঙ্গলবাড়ি অধিকার করার জন্য ঈসা খাঁর মিত্র যশোদলের সামন্ত রাজা শ্রীমন্ত রায়ের নেতৃত্বে সামরিক অভিযান প্রেরণ করেন। এমতাবস্থায় ঈসা খাঁকে প্রতিহত করার জন্য সুসংরাজ জানকিনাথ মল্লিক, পুত্র রঘু সিংহ এবং জানকীনাথ মল্লিকের ভাই যদুনাথ সিংহের নেতৃত্বে এক বিরাট সৈন্যবাহিনী জঙ্গলবাড়ির দুর্গ রক্ষার জন্য জঙ্গলবাড়িতে উপস্থিত হয়। রাজা শ্রীমন্ত রায় বিপুল বিক্রমে জঙ্গলবাড়ি আক্রমণ করলে জানকীনাথ প্রাথমিকভাবে আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও শেষে ব্যর্থ হন এবং এক পর্যায়ে জানকীনাথ গুপ্ত আততায়ীর হাতে নিহত হন। এতে রঘু সিংহ প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে উঠেন। তিনি পূর্ণ উদ্যমে ঈসা খাঁর  বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেও সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে তিনি ঈসা খাঁর বাহিনীর হাতে বন্দি হন। তাকে জঙ্গলবাড়ি দুর্গে কারারুদ্ধ করা হলেও একপর্যায়ে গারো সৈন্যদের সহায়তায় দুর্গের সুরঙ্গপথ দিয়ে পালিয়ে প্রাণ বাঁচান।

১৫৮২ সালের মাঝামাঝি সময় ঈশা খাঁ জঙ্গলবাড়ি দুর্গ অধিকার করেন এবং ১৫৮৬ সালে জঙ্গলবাড়িতে ভাটি রাজ্যের দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেন। ঈসা খাঁ জঙ্গলবাড়ি দুর্গের ব্যাপক সংস্কার সাধন ও দুর্গের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করেন। তিনি দুর্গের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ দিকের পরিখা আরও প্রশস্ত করেন এবং নরসুন্দা নদীর সাথে সংযোগ স্থাপন করে মূল দুর্গটিকে গোলাকার দ্বীপের আকার দেন।

কিশোরগঞ্জের গর্ব এবং ঐতিহাসিক নিদর্শন জঙ্গলবাড়ি বর্তমানে অযতœ ও অবহেলায় বিলুপ্তির সম্মুখীন। বীর ঈসা খাঁর দুর্গ, দরবার হল এবং পরিখার অস্তিত্ব আজ বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে। জেলার করিমগঞ্জ উপজেলাধীন কাদিরজঙ্গলে জঙ্গলবাড়ি দুর্গটি অবস্থিত। জঙ্গলবাড়িতে বর্তমানে প্রাচীন দুর্গের কেবল ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেলেও এখনও ভাঙা দুর্গপ্রাচীর, পুকুর, প্রাচীন মসজিদ, পুরনো ইটের টুকরো কৌত‚হলীদের অতীতের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। কিশোরগঞ্জ জেলা শহর থেকে ৪-৫ কিলোমিটার পূর্বে শহর থেকে ফিডার রোড দিয়ে এগিয়ে জাফরাবাদে নরসুন্দা নদী পার হয়ে অথবা কিশোরগঞ্জ শহর থেকে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া মাঠের সম্মুখ দিয়ে গাঙ্গাইল হয়ে জঙ্গলবাড়ি যাওয়ার দুটি পথ রয়েছে।

দুর্গের পাশে একটি মসজিদ এখনও অস্তিত্ব রক্ষা করে চলেছে যা সম্ভবত ঈশা খাঁর উত্তরসূরিদের দ্বারা নির্মিত। মোহাম্মদ সাইদুর ও মোহাম্মদ আলী খান সম্পাদিত কিশোরগঞ্জের ইতিহাস গ্রন্থে মসজিদটি সম্পর্কে এভাবে বর্ণনা দেয়া হয়েছে, ‘মসজিদটি তিনটি বড়-বড় গম্বুজবিশিষ্ট। দেখতে অপূর্ব। দেয়াল অত্যন্ত প্রশস্ত,প্রায় ৪ ফুট। আয়তকার এই মসজিদের ৪ কোণে ৪টি সুদৃশ্য মিনার বা ট্যারেট আছে। ট্যারেটগুলো দুই ধাপে নির্মিত এবং শীর্ষদেশ ছোট গম্বুজে শেষ হয়েছে। এগুলোর উচ্চতা গম্বুজ তিনটির প্রায় সমান সমান। এছাড়া আরও ৪টি ছোট মিনার আছে। পশ্চিম দেয়ালে একটি মেহরাব আছে। উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে ১টি করে দরজা, পশ্চিম দেয়ালে ২টি জানালা এবং পূর্বের দেয়ালে ৩টি দরজা আছে। মূল প্রবেশদ্বার কিছুটা বড় র্৭-র্৫ উচ্চতা ও র্৪ ফুট চওড়া। ভিতরে দুটি বৃহৎ খিলান আছে যা পূর্ব ও পশ্চিম দেয়ালকে সংযুক্ত করেছে। বাইরের দিক থেকে মসজিদটি ১র্৮ ফুট প্রশস্ত ও ৪র্৪ ফুট দৈর্ঘ্য, মূল দেয়ালের উচ্চতা ১র্৫ ফুট। পূর্ব পাশে ১র্১-র্র্র্৩র্ প্রশ্বস্ত খোলা বারান্দা রয়েছে।’

জানা যায়, ঐতিহাসিক এ নিদর্শনটির উন্নয়নে স্থানীয় প্রশাসন বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করলেও তা বেশি দূর অগ্রসর হয়নি। ইতোমধ্যে একটি পাঠাগার ও মিউজিয়াম স্থাপন করা হলেও তা একেবারেই অনুল্লেখযোগ্য। এখানকার সচেতন ও সুশীল নাগরিকবৃন্দ বীর ঈশা খাঁর দুর্গকে ঘিরে বিভিন্ন সময় নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। এর চত্বরে আয়োজন করা হয়েছে সাহিত্যানুষ্ঠান ও লোকজ মেলার। ঈশা খাঁর ১৪তম বংশধর দেওয়ান আমিন দাদ খানের পরিবার ধ্বংসপ্রাপ্ত অন্দরমহলের কিয়দংশ সংস্কার করে এখনও বসবাস করছেন। তিনি তাঁর পূর্বপুরুষের শাণিত শৌর্য-বীর্য বুকে ধারণ করে গৌরব বোধ করেন। তাঁর দাবি, বাঙালির ঐশ্বর্যের জঙ্গলবাড়িকে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত করা ঐতিহাসিক কারণেই জরুরি। তিনি এর সংস্কার দাবি করেন।

জঙ্গলবাড়ির ঐতিহাসিক নিদর্শন পরিদর্শনের সুবিধার্থে যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নে এক সময় পদক্ষেপ নেয়া হয়। কয়েক কিলোমিটার রাস্তাও মেরামত করা হয়। তারপর আর কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। ফলে সকলেই আশাহত হয়েছেন। এ গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক নিদর্শনটি রক্ষার জন্য সরকারের এখনই কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার।

 

সূত্র ;
ক. কেদারনাথ মজুমদার রচিত ময়মনসিংহের ইতিহাস ও ময়মনসিংহের বিবরণ
 খ.মোহাম্মদ সাইদুর ও মোহাম্মদ আলী খান সম্পাদিত ‘কিশোরগঞ্জের ইতিহাস

All News Report

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

কুড়িগ্রামে দুই বছর পর উন্মোচিত হলো আসামী

কুড়িগ্রামে দুই বছর পর উন্মোচিত হলো আসামী

টাকা আত্মসাৎ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান রুমি

টাকা আত্মসাৎ করলেন ইউপি চেয়ারম্যান রুমি

ওসি প্রদীপ কুমার দাশের গোড়া কোথায় ?

ওসি প্রদীপ কুমার দাশের গোড়া কোথায় ?

আমতলীতে ৬’শ টাকার গ্যাস ৮’শ ৫০ টাকা।  লাইব্রেরী, চায়ের দোকান ও কাপরের দোকানসহ যত্রতত্র স্থানে অবৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস   সিলিন্ডার

আমতলীতে ৬’শ টাকার গ্যাস ৮’শ ৫০ টাকা। লাইব্রেরী, চায়ের দোকান ও কাপরের দোকানসহ যত্রতত্র স্থানে অবৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার

স্কুল-কলেজ খোলা ও পরিক্ষার ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়

স্কুল-কলেজ খোলা ও পরিক্ষার ব্যাপারে বিবৃতি দিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এই বাড়িতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে এই বাড়িতে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়

যতো দুর্নীতির   অভিযোগ এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে

যতো দুর্নীতির অভিযোগ এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে

আজ থেকে ১২ কেজি গ্যাসের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ৬০০ টাকা।দাম বেশি দেখলে ৯৯৯এ কল করুন

আজ থেকে ১২ কেজি গ্যাসের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ৬০০ টাকা।দাম বেশি দেখলে ৯৯৯এ কল করুন

ধর্মপ্রাণ ধর্মপ্রতিমন্ত্রী প্রয়োজন

ধর্মপ্রাণ ধর্মপ্রতিমন্ত্রী প্রয়োজন

১২ অগস্ট আসছে বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন

১২ অগস্ট আসছে বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন

ধুনটে ইউনিয়ন ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে বিজয়ী অলোয়া রাইর্ডাস

ধুনটে ইউনিয়ন ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে বিজয়ী অলোয়া রাইর্ডাস

মৌলভীবাজারে মানুষের মুখমন্ডলের আকৃতিতে অদ্ভুত এক বাছুরের জন্ম

মৌলভীবাজারে মানুষের মুখমন্ডলের আকৃতিতে অদ্ভুত এক বাছুরের জন্ম

বরগুনায় সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিপেটা; আহত ৩ জন!

বরগুনায় সিফাতের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিপেটা; আহত ৩ জন!

যশোরে রাস্তা থেকে তুলে ঘাস ক্ষেতে নিয়ে গৃহবধুকে গণধর্ষণ ধর্ষক; আটক ৪!

যশোরে রাস্তা থেকে তুলে ঘাস ক্ষেতে নিয়ে গৃহবধুকে গণধর্ষণ ধর্ষক; আটক ৪!

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ডাক্তার, ব্যাংকারসহ আরো ৭ ব্যক্তির করোনা পজিটিভ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ডাক্তার, ব্যাংকারসহ আরো ৭ ব্যক্তির করোনা পজিটিভ

সর্বশেষ

তালতলীতে সড়ক পাকাকরণের দাবিতে কাঁচা সড়কে মানববন্ধন

তালতলীতে সড়ক পাকাকরণের দাবিতে কাঁচা সড়কে মানববন্ধন

হ্যলো...স্যার,!! আমি ওসি টেকনাফ...একটা মহাবিপদে পড়েছি

হ্যলো...স্যার,!! আমি ওসি টেকনাফ...একটা মহাবিপদে পড়েছি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ৩৭৫ বোতল ফেনসিরিল সহ গ্রেপ্তার-২

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় ৩৭৫ বোতল ফেনসিরিল সহ গ্রেপ্তার-২

আসছে ব্যাচেলর পয়েন্ট-সিজন ৩

আসছে ব্যাচেলর পয়েন্ট-সিজন ৩

খুলনায় জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

খুলনায় জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

মাহাবুব কবির মিলনকে ওএসডি করা আর সৎ কর্মকর্তাদের ''অশনি সংকেত" দেওয়া এককথা- আশীষ মল্লিক

মাহাবুব কবির মিলনকে ওএসডি করা আর সৎ কর্মকর্তাদের ''অশনি সংকেত" দেওয়া এককথা- আশীষ মল্লিক

মেজর সিনহার সহযোগী শিপ্রার জামিন

মেজর সিনহার সহযোগী শিপ্রার জামিন

"সিনহা হত্যায় জড়িত সবার কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে"

"সিনহা হত্যায় জড়িত সবার কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে"

দেশের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে

দেশের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে

গোপালগঞ্জে ১ হাজার পরিবার উঁচু সড়কে আশ্রয়

গোপালগঞ্জে ১ হাজার পরিবার উঁচু সড়কে আশ্রয়

বাড়িতেই রান্না করুন নার্গিসি মাটন পোলাও

বাড়িতেই রান্না করুন নার্গিসি মাটন পোলাও

গবেষণা:  মস্তিষ্কের বিশেষ অঞ্চলে উদ্বেগ ও হতাশার গভীর প্রভাব পড়ে

গবেষণা: মস্তিষ্কের বিশেষ অঞ্চলে উদ্বেগ ও হতাশার গভীর প্রভাব পড়ে

রূপসায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব'র জন্ম বার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ

রূপসায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব'র জন্ম বার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও সেলাই মেশিন বিতরণ

মার্কিন নির্বাচনে তিন দেশ হস্তক্ষেপ করতে চাইছেঃ এনসিএসসি পরিচালকের হুঁশিয়ারি

মার্কিন নির্বাচনে তিন দেশ হস্তক্ষেপ করতে চাইছেঃ এনসিএসসি পরিচালকের হুঁশিয়ারি

আরও ‘শক্তিশালী’ ও ‘দৃঢ়’ হয়ে ফেরার আশা রোনালদোর !

আরও ‘শক্তিশালী’ ও ‘দৃঢ়’ হয়ে ফেরার আশা রোনালদোর !