ভারতকে অবশ্যই সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও পুশব্যাক বন্ধ করতে হবে, বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ভারতকে অবশ্যই সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও পুশব্যাক বন্ধ করতে হবে, বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।..

Mahamud Mithu avatar   
Mahamud Mithu
ভারতকে অবশ্যই সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও পুশব্যাক বন্ধ করতে হবে, বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।..
ভারতকে অবশ্যই সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও পুশব্যাক বন্ধ করতে হবে, বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।..
ছবি: সংগৃহীত
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাইলে ভারতকে এই পদক্ষেপ নিতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক হবে ন্যায্যতা, সমতা ও পারস্পরিক মূল্যায়নের ভিত্তি..

দুই দেশের কূটনৈতিক ও সার্বিক সম্পর্ক মর্যাদা এবং পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষার নীতিতে নির্ভর করবে। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল স্বামী-স্ত্রীর মতো বা রাঁখি বাঁধার মতো। ভারতকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে আওয়ামী লীগ আর ক্ষমতায় নেই। বর্তমানে বাংলাদেশের নেতৃত্বে রয়েছে বিএনপি। তাই ভারতকে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়তে হবে। শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। রাশেদ খাঁন বলেন, ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রদূত একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, ভারত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে আগ্রহী, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ভারত ইতোমধ্যে বিএনপির 'সবার আগে বাংলাদেশ' স্লোগান গ্রহণ করেছে। ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবে না। কারণ সে জানে, দেশে ফিরলে তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হবে। আর কোনো ডিসেম্বরেই সে ফিরে আসবে না। এসময় জামায়াত ও এনসিপির সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, জামায়াত ও এনসিপির এমপিরা আজ বিএনপির এমপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা দাবি করছে। তারা বারবার বলছে যে সরকার নাকি ৬ মাস রাষ্ট্র পরিচালনা করে ব্যর্থ হয়েছে। আমি মনে করি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকার দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যখাতসহ সব সেক্টর ধ্বংস করে দিয়েছে। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি বলতে চাই, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সহযোগী হিসেবে জামায়াত ও এনসিপির উচিত এই সরকারকে সহযোগিতা করা। তারা যদি বিরোধিতা করতেই থাকে, তাহলে তারাও এই দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়বে। এর আগে মতবিনিময় সভায় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে হাসপাতালের নানা সংকট, সীমাবদ্ধতা ও তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ, শৈলকুপা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ, ড্যাবের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. হাসানুজ্জামান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমরান হোসেনসহ চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator