মাত্র ১জন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চলছে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

মাত্র ১জন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চলছে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।..

Munim Hossain Khandker Protik avatar   
Munim Hossain Khandker Protik
মাত্র ১জন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চলছে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।..
মাত্র ১জন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চলছে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।..
ছবি: সংগৃহীত
দেশের বহুল আলোচিত সীমান্তবর্তী এলাকা লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়ন। আর এই  দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকটের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি..

মাত্র ১জন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চলছে দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ।

লালমনিরহাট প্রতিনিধি।

দেশের বহুল আলোচিত সীমান্তবর্তী এলাকা লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়ন। আর এই  দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকটের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে। দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা এই অংশটুকু এক সময় ভারতের ভিতরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল হিসেবে পরিচিত ছিল।

এই দহগ্রামে, দহগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তিন দিন থেকে তারা ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন করছে। আর এই ক্লাস বর্জন করার মূল কারণ হচ্ছে এই বিদ্যালয়ে পাঠদান করার জন্য কোন শিক্ষক নেই । শুধু মাত্র একজন একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে ৭০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে। তবে কয়েক জন ভলেন্টিয়ার শিক্ষক রয়েছেন।

এই  সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় দেশের প্রান্তিক অঞ্চলে হওয়ার কারণে এখানে কোন শিক্ষক আসতে চান না। গত জুনে একজন শিক্ষক অবসরে গেলে  বর্তমানে একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে এই স্কুলটি চলছে ।

এই স্কুল বিজ্ঞান বিভাগ আছে কিন্তু বিজ্ঞান বিভাগের কোন শিক্ষক নেই।  স্কুলের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কি হবে তা কেউই জানেন না।

দীর্ঘদিন ধরে এই অচল অবস্থা চলছে, সংসদ সদস্য, শিক্ষা সচিব, ইউএনও সহ সংশ্লিষ্ট সকল স্তরের  ব্যাক্তি বর্গের আশ্বাসের পরেও কোন সমাধান হয় নি। শিক্ষা বিভাগের অনেক কর্মকর্তা এসেছেন প্রত্যেকেই বলেছেন খুব সংক্ষিপ্ত সময়ে এই সমস্যার সমাধান হবে কিন্তু প্রতিশ্রুতি দেবার পরেও এখনো কোন শিক্ষক নিয়োগ হয়নি, যার ফলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বর্তমানে অন্ধকারে।

স্কুলের একজন ভলেন্টিয়ার শিক্ষক জানান, এই স্কুলটি জাতীয়করণ করার পরে নতুন কোন শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। বিশ হাজার জনগোষ্ঠীর একটি মধ্যে একটি মাত্র স্কুল এবং এই স্কুলে বর্তমানে একজন শিক্ষক আছেন । দীর্ঘদিন প্রতিশ্রুতি থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কোন শিক্ষক নিয়োগ হয়নি।  তিনি আরও জানান,  শিক্ষা সচিব বলেছিলেন যে এক সপ্তার মধ্যে শিক্ষক সমস্যার সমাধান করবেন কিন্তু কোন শিক্ষক পদায়ন হয় নি। স্কুল কর্তৃপক্ষ একধিকবার চিঠি দিয়েও কোন লাভ হয় নি।

উম্মে সালিমা নিশা দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সে জানায়,  আমাদের একজন মাত্র শিক্ষক এবং আমাদের আমি দশম শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগে পড়ি, এবছর দুজন শিক্ষকছিলেন একজন অবসরে গেছেন এখন মাত্র একজন শিক্ষক। আমাদের ক্লাস হয়না আমাদের ভবিষ্যৎ কি?

প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থীর এ বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকরা। তারা দ্রুত শিক্ষক নিয়োগসহ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator