স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তার বাড়িতে সরকারি চাল মজুদ করে রাখা হচ্ছিল। পরে এসব চাল বেশি দামে বিক্রি করা হতো। শনিবার সকালে এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে পেরে সামাদের বাড়িতে যান। সেখানে একটি কক্ষে বিপুল পরিমাণ সরকারি চালের বস্তা দেখতে পান তারা। পরে বিষয়টি প্রশাসন ও পুলিশকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে ৯৯ বস্তা চাল উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে রাখেন।
এ বিষয়ে আবদুস সামাদ বলেন, ‘আমার ছোট ভাই ডাক্তার আজগর একজন ডিলার। নূরানী মাদরাসায় সরকারি বরাদ্দের চাল তিনি কিনে এনেছেন। পরে সেগুলো বাড়িতে রাখা হয়েছিল।’
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে চালগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। চাল কেনার বিষয়ে বৈধ কাগজপত্র আছে কি না তা যাচাই করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরগুনা এইচডি নিউজ