স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নীলগঞ্জ মৌজার সেকান্দারখালী গ্রামের কলাগাছিয়া সরকারি খালে সম্প্রতি এক্সকেভেটর (মাটি কাটার যন্ত্র) ব্যবহার করে ১০ থেকে ১৫ ফুট গভীর করে একাধিক স্থানে মাটি কাটা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এভাবে উত্তোলিত প্রায় ৪০ হাজার ঘনফুট মাটি ট্রাকে করে বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, খালের অন্তত তিনটি স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। খালের দুই পাশে উত্তোলিত মাটির কোনো চিহ্ন নেই, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে সব মাটিই বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্তরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না। এতে করে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক খান বলেন, “আমার দাগের মধ্যে খাল পড়েছে, তাই মাটি কেটে বিক্রি করেছি।”
এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাফর আরিফ চৌধুরী জানান, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, “সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।