১৯ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুল ছাত্রী ॥ দ্বারে দ্বারে ঘুরছে পিতা-মাতা.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

১৯ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুল ছাত্রী ॥ দ্বারে দ্বারে ঘুরছে পিতা-মাতা..

Ratan Entiser avatar   
Ratan Entiser
১৯ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুল ছাত্রী ॥ দ্বারে দ্বারে ঘুরছে পিতা-মাতা..
১৯ দিনেও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুল ছাত্রী ॥ দ্বারে দ্বারে ঘুরছে পিতা-মাতা..
ছবি: সংগৃহীত
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার জানকিপুর মাঞ্জালিয়া গ্রাম থেকে অপহৃত এক স্কুল ছাত্রী ১৯ দিন পরেও উদ্ধার হয়নি। ভ্যান চালক পিতা-মাতা প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কন্যাকে উদ্ধার করতে পারেনি। আইনের উপযুক্ত স..

 

 

জানা যায়, বকশীগঞ্জ উপজেলার নীলাক্ষিয়া ইউনিয়নের জানকিপুর মাঞ্জালিয়া গ্রামের ভিক্ষু মিয়ার কন্যা স্কুল ছাত্রী (১৪)অপহরণ হয়। ২৪ মার্চ সকালে অপহরণের ঘটনা ঘটে। 

২৬ মার্চ অপহরণকারীরা অপহৃত স্কুল ছাত্রীর বড় বোনের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে তার মুক্তিপণ বাবদ ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে স্কুল ছাত্রীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। 

এ বিষয়ে প্রথমে স্কুল ছাত্রীর বাবা বকশীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু আশানুরুপ প্রতিকার পাননি। এ কারণে স্কুল ছাত্রীর বাবা ও মা জামালপুর জেলা পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাত করে কন্যাকে উদ্ধারের বিষয়ে সহযোগিতা চান।

জামালপুর জেলা পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য বকশীগঞ্জ থানা পুলিশকে নির্দেশনা দেন। পুলিশ সুপারের নির্দেশনা পেয়ে বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ লিখিত অভিযোগের পরিবর্তে অনলাইনে একটি জিডি করার পরামর্শ দেন। জিডিও করেন স্কুল ছাত্রীর পিতা ভিক্ষু মিয়া। জিডি নং ২৬৪। তারিখ ০৭.০৪.২০২৬। 

জিডির পর অপহৃত স্কুল ছাত্রীর পরিবার অপহরকারীদের নাম ঠিকানা দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করেন ভিক্ষু মিয়া। কিন্তু ঘটনার ১৯ দিন পরেও পুলিশ তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। অপহরনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করারও সুযোগ পাননি তার পিতা ভিক্ষু মিয়া। 

কোন উপায় না পেয়ে নাবালিকা কন্যাকে উদ্ধারের জন্য প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, সুশীল সমাজ ও সাংবদিকসহ বিভিন্ন জনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। কন্যাকে উদ্ধারের আকুতি জানানিয়ে আসছেন। কিন্তু কারও সাড়া পাচ্ছেনা ভ্যান চালক দরিদ্র ভিক্ষু মিয়া। 

ভিক্ষু মিয়ার দেয় তথ্যানুযায়ি তার কন্যা বর্তমানে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার খরিচা শিকারপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে আলিফ মিয়ার জিম্মায় রয়েছে। ভিক্ষু মিয়া ও তার স্ত্রী আলিফ মিয়ার বাড়ীতে তার কন্যার সাথে সাক্ষাত করলেও উদ্ধার করতে পারেনি। তারা ৫ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। 

এব্যপারে স্কুল ছাত্রীর বাবা ভিক্ষু মিয়া জানান, আমি বার বার প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। কিন্তু পায়নি। ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জনের বিরুদ্ধে ১০ এপ্রিল বকশীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়ে ছিলাম। কিন্তু আমার অভিযোগ গ্রহন করা হয়নি। 

বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মকবুল হোসেন জানান, এ বিষয়ে থানায় জিডি হয়েছে। উদ্ধার প্রক্রিয়া চলমান আছে। 

জামালপুর জেলা পুলিশ সুপার সিটিজেন জার্নালকে জানান, অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য বকশীগঞ্জ থানা পুলিশকে নির্দেমনা দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার না হওয়ার কারণ এখনও জানানো হয়নি। তবে ছাত্রীটি যাতে দ্রুত উদ্ধার হয় সে ব্যবস্থা নিবে পুলিশ। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে উদ্ধারও হবে।   

 

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator