বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে সংগঠনের সব ধরনের সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহিদুল আলম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছিরের অনুমোদনক্রমে বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়।
এ বিষয়ে বহিষ্কৃত নেতা কাজী তানজির আহমেদ রিডেনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে, একই আসনে গত ১৭ জানুয়ারি নুরুল হক নুরের পক্ষে কাজ না করার অভিযোগে পটুয়াখালী-৩ আসনের দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। এতে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বিধা ও বিভক্তি আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। নির্বাচনী মাঠে এর প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
দলীয় সূত্র জানায়, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক নুরকে সমর্থন দেওয়া হলেও স্থানীয় পর্যায়ে কেউ কেউ সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গড়িমসি করছিলেন। বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে আসার পর ধারাবাহিকভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। অন্যদিকে দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন সদ্য বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন। অভিযোগ রয়েছে, জোটের প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মী বহিষ্কৃত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।