উল্লাপাড়ায় মধু আহরণে ব্যস্ত মৌ চাষিরা | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

উল্লাপাড়ায় মধু আহরণে ব্যস্ত মৌ চাষিরা

Md Bawezid Hossain avatar   
Md Bawezid Hossain
উল্লাপাড়ায় মধু আহরণে ব্যস্ত মৌ চাষিরা
উল্লাপাড়ায় মধু আহরণে ব্যস্ত মৌ চাষিরা
ছবি: সংগৃহীত
****

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় সরিষা ক্ষেতে বসানো হচ্ছে মৌ চাষীদের মধু সংগ্রহের বাক্স। মৌসুম শুরু হতেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌ চাষীরা এখানে এসে জড়ো হয়েছেন। উপজেলা পর্যায়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সরিষা চাষ ও উৎপাদন হওয়ায় উল্লাপাড়া মৌ চাষীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর উল্লাপাড়ায় প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ মেট্রিক টন মধু উৎপাদিত হয়। যার স্থানীয় বাজার মূল্য সাড়ে ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরিষা চাষ ভালো হওয়ায় এবার মৌচাষেও এসেছে গতি। মাঠের পাশে সারি সারি কাঠের বাক্সে রাখা হয়েছে মৌচাক। সকাল-বিকাল খামারিরা মধু সংগ্রহ করছেন। তাদের ভাষায়, সরিষা ফুলের মধু স্বাদে ও মানে ভালো হওয়ায় বাজারে চাহিদাও বেশি।

মৌচাষী শিশির শাহ বলেন, ‘এবছরে যে মধু উৎপাদন হবে তা গত বছরের চাইতে একটু কম হবে। মধুতে যে বাজার আছে চাষীরা মোটামুটি খরচ কুলায়ে উঠতে পারবে। সরকারের কাছে আমার একটাই দাবি কৃষি অধিদপ্তরের সাথে কৃষকদের সমন্বয়ে যেনো মধু নীতিমালা তৈরি হয়। দেশের পরাগায়ন সেক্টরটা ডেভেলপ হলে দেশের কৃষি ফলন বৃদ্ধি পাবে। দেশ এগিয়ে যাবে মধু উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।’

উত্তর বঙ্গ মৌচাষী সমিতির সভাপতি ও মৌচাষী আব্দুর রশিদ বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করি। প্রতি মৌচাক থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মধু পাওয়া যাচ্ছে, যা স্থানীয় বাজার ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়।’

উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুবর্না ইয়াসমিন সুমি বলেন, ‘সরিষা ফুল ও মৌচাষ একে অপরের পরিপূরক। এতে একদিকে যেমন মধু উৎপাদন বাড়ছে, অন্যদিকে পরাগায়নের মাধ্যমে সরিষার ফলনও ভালো হচ্ছে। ফলে কৃষক ও মৌচাষী উভয়ই লাভবান হচ্ছেন।’ 

তিনি আরোও বলেন, গত বছর ১ শত ৮৩ টন মধু উৎপাদন হয়েছে। আশা করছি এবছরে ২০০ টন মধু উৎপাদন করতে পারবে কৃষক। যা রেগুলার প্রাইজে বিক্রি করলে ৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মত বিক্রি করতে পারবে। যা কৃষকদের অর্থনৈতিকে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator