ফরিদগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির চাল নিয়ে চালবাজি  | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

ফরিদগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির চাল নিয়ে চালবাজি 

Abdul Kadir  avatar   
Abdul Kadir
ফরিদগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির চাল নিয়ে চালবাজি 
ফরিদগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির চাল নিয়ে চালবাজি 
ছবি: সংগৃহীত
সভাপতির বিরুদ্ধে  চার আত্বসাতের অভিযোগ সহ-সভাপতির নিকট দেওয়ার কারনে জনমনে প্রশ্ন জাগছে, চাল নিয়ে কোন চালবাজি হচ্ছে কিনা।  ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কোন্দলের বলি হচ্ছে কিনা। এদিকে সেই ভুক্তভোগি নারীর নারী ও ..

 

ফরিদগঞ্জে ইউনিয়ন বিএনপির চাল নিয়ে চালবাজি 
 ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
আবারও চাল নিয়ে চালবাজিতে জড়ালেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন বিএনপির নেত্রীবৃন্ধ । ইউনিয়ন বিএনপির নেতার ঘোডাউন থেকে শত বস্তা চাল উদ্ধ্যারের পর এবার অসহায় নারীর ৯০ কেজি চাল আত্বসাতের অভিযোগ উঠেছে। চাল আত্বসাতের অভিযোগই শেষ না। অসহায় নারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সহ-সভাপতির কাছে।
সভাপতির বিরুদ্ধে  চার আত্বসাতের অভিযোগ সহ-সভাপতির নিকট দেওয়ার কারনে জনমনে প্রশ্ন জাগছে, চাল নিয়ে কোন চালবাজি হচ্ছে কিনা।  ইউনিয়ন বিএনপির দলীয় কোন্দলের বলি হচ্ছে কিনা। এদিকে সেই ভুক্তভোগি নারীর নারী ও শিশু মন্ত্রনালয়ের সহায়তায় মাসে ৩ কেজি করে চালের কার্ডের জন্য প্রথমে একই ইউনিয়ন বিএনপির নেতা সাঈদ খানের দারস্থ হলে তিনি ফারুক আহম্মদের নিকট প্রেরন করেন। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ১৯টি কার্ড ইউনিয়ন বিএনপির নেতাদের কাছে বিতরন করেন। 
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৮ নং পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমেদ মিয়াজি, অত্র ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামে আয়েশা আক্তার নামের নামে মহিলার। মা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের দু:স্থদের কার্ডের মাসে ৩০ কেজি চাল করে, মোট ৩ মাসে মাসের উত্তোলন করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।  এই নিয়ে আয়শা আক্তার ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সাঈদ খানের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ করেন। 
 এদিকে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক আহাম্মদ বলেন, আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। আমি একটি চালও আত্বসাত করিনি। চাল কে বা কারা নিয়েছে আমি জানিনা। আমি গরীবের চাল  আত্বসাত করার মত অভাবী না। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচন করব ভেবে তারা প্রতিহিংসায় মেতেছে। 
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন মোহাম্মদ রাজন বলেন ভি ডব্লিউ কার্ড পরিষদ গত মে মাসে কার্ড এসেছে ১২২ টি।সেখান থেকে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর কাছে ১৯ টি কার্ডের তাদের নাম দিতে বলি। ওনারা যে নাম দিছে তাদের নামে কার্ড হয়েছে। তারা কি করছে কার্ড সে ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।
উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাকছুদা আক্তার বলেন বিষয়টি আমি শুনছি,তদন্ত করে ব্যবস্থা  গ্রহণ করবো।

کوئی تبصرہ نہیں ملا


News Card Generator