কটিয়াদীতে বিএনপির ৩১ দফা প্রচারে মাঠে এডভোকেট জালাল উদ্দিন !
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মঙ্গলবার কটিয়াদী উপজেলা। হাটবাজারগুলো একদম প্রাণবন্ত। মানুষজনের ভিড়, গলায় গলায় আলোচনা, আর এই ভিড়ের মাঝে খুঁজে পাওয়া যায় এক পরিচিত মুখ—কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সহসভাপতি, পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট জালাল উদ্দিন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তিনি দিনভর প্রচারণায় অংশ নেন। কটিয়াদীর প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে হাটবাজার পর্যন্ত, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি আলাপচারিতায় ব্যস্ত ছিলেন তিনি।
প্রত্যেক দরজায়, প্রতিটি মানুষের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এডভোকেট জালাল উদ্দিন বলেন,
"আমাদের দেশ আজ গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে। পতিত সৈরাচার হাসিনার শাসন আমলে জনগণ বাকস্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমাদের ৩১ দফা কর্মসূচির লক্ষ্য একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠন। আমরা শুধু কথা বলছি না, মাঠে নেমেছি, মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছাচ্ছি।"
তিনি আরও যোগ করেন, “জনগণের শক্তিই দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি। এই শক্তির জাগরণ ঘটলেই দেশের ভাগ্য বদলানো সম্ভব। আমরা জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হলে দেশ নতুন পথে এগিয়ে যাবে।”
এই প্রচারণায় কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি দিলীপ খানও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন,
"বিগত সময়ে আমরা সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে কাজ করেছি। যারা প্রার্থী আছেন, তাদের নিয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ চালিয়ে যাব।"
প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেন পাকুন্দিয়া ও কটিয়াদী উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা লিফলেট বিতরণ করেন, পথসভা ও গণসংযোগের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের কাছে দলের ৩১ দফার মূল বার্তা পৌঁছে দেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানান, তারেক রহমানের ঘোষিত রূপরেখা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি এলাকায় জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে এ কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চায় বিএনপি।
এদিনের প্রচারণা শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না; এটি ছিল মানুষের সঙ্গে সংযোগের এক আন্তরিক যাত্রা। প্রতিটি আলাপ, প্রতিটি হাসি, প্রতিটি প্রশ্ন—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে একটি নতুন আশা ও
পরিবর্তনের গল্প।