দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ থানার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ.. | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ থানার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ..

MD ABDUL MAZID KHAN avatar   
MD ABDUL MAZID KHAN
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ থানার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ..
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ থানার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ..
ছবি: সংগৃহীত
****

খান মোঃ আঃ মজিদ দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি 

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা তদন্ত ও অভিযোগ দায়েরের সময় দুই পক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি দিনাজপুর আমলি আদালতে দায়েরকৃত মামলা নং ১৪৭/২৫-এর এক ভুক্তভোগী বাদী এ অভিযোগ তুলেছেন।

 

অভিযোগে বলা হয়েছে, থানার পুলিশ সরাসরি ঘুষ গ্রহণ না করে এখন কৌশলে অর্থ আদায় করছে। অনেক সময় বিকাশ কিংবা অন্য উপায়ে টাকা উত্তোলন করা হয়। সাধারণ মানুষের অভিযোগ— একজন পুলিশের জন্য পুরো থানার নাম কলঙ্কিত হচ্ছে।

 

ভুক্তভোগীর দাবি, মামলার তদন্তে ন্যায় বিচার না দিয়ে টাকা-পয়সার বিনিময়ে রিপোর্ট পরিবর্তন করা হয়। যে কোন মামলার তদন্ত রিপোর্টে সত্য প্রকাশ না পেয়ে অনেক সময় ধামাচাপা দেওয়া হয়। ফলে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

এ প্রসঙ্গে এক ভুক্তভোগী জানান, তিনি নিজেও পুলিশের ফাঁদে পড়েছেন। পক্ষ-বিপক্ষের কাছ থেকে প্রায় ১৮ হাজার টাকা গ্রহণ করেছেন থানার সদস্যরা। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয়ভাবে বিবাদী আশা আক্তার, মিরা কাশ্মীরি, আব্দুল মালেক ওরফে চৌধুরী, আব্দুল আলিমসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি বিবাদীদের পক্ষে কাজ করেছেন এবং সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন।

এছাড়া, বিবাদী আশা আক্তারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সরকারি বাড়ি ও ঘরের মালামাল আত্মসাৎ করেছেন বলে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে।

 

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, আইনি সহযোগিতা না দিয়ে বিবাদীদের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে সকল আসামীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কেন এ অব্যাহতি দেওয়া হলো—এ প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী আব্দুল মজিদ খান এবং সচেতন মহল।

 

অভিযোগকারীরা বলেন, একসময় পুলিশের স্লোগান ছিল “পুলিশে জনতা, জনতায় পুলিশ”—কিন্তু বাস্তবে এখন তা কার্যকর নয়। জনগণের বন্ধু হওয়ার পরিবর্তে পুলিশের কিছু সদস্য অর্থনৈতিক লোভে জড়িয়ে পড়েছেন।

 

এদিকে, আদালতের মাধ্যমে পিবিআই, ডিবি পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট তদন্ত রিপোর্ট পাঠানো হলেও অনেক ক্ষেত্রে সঠিক তদন্ত না হয়ে অর্থের বিনিময়ে ভিন্ন রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

 

ভুক্তভোগীরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পুলিশের সহযোগিতা না পেলে এলাকায় প্রভাবশালী অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। তবে তাদের বিশ্বাস— ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, অন্যায়ের প্রতিশোধ একদিন না একদিন জনগণ নেবে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator