কুড়ারবাজারের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শতবর্ষী বটগাছকে ঘিরে সাজানো হয়েছে এই ব্যতিক্রমী প্রচারণা। বিশাল এই বটবৃক্ষের চারপাশে সৃজনশীলভাবে ঝুলানো হয়েছে ব্যানার, ফেস্টুন ও খেজুরগাছ প্রতীকের নানা রকম আলোকচিত্র ও বাণী। গাছটির ডালপালাও যেন প্রচারণার অংশ হয়ে উঠেছে।
প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা জানাচ্ছেন, তারা চেয়েছেন এমন কিছু করতে যা ভোটারদের চোখে পড়বে, মনে দাগ কাটবে এবং একটা স্থায়ী বার্তা দেবে—আর বটগাছের প্রতীকী শক্তি, স্থায়িত্ব ও ছায়াদান ক্ষমতা সেই বার্তাকে শক্তি জুগিয়েছে।
প্রতিদিন ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, কেউবা দাঁড়িয়ে পড়ছেন কিছু সময়ের জন্য। জায়গাটি যেন এক নির্বাচনী মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রচারণা কেবল দৃষ্টিনন্দন নয়, বরং মানুষের মনে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শতবর্ষী বটগাছের ছায়াতলে যখন প্রতীকী খেজুরগাছের বার্তা পৌঁছে যাচ্ছে, তখন মানুষ সেটাকে শুধু প্রচারণা হিসেবে নয়, বরং একটি সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা হিসেবেও দেখছেন।
স্থানীয় তরুণ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “সাধারণত আমরা প্রচারণা মানেই মাইক আর পোস্টার ভাবি। কিন্তু এখানে এসে দেখলাম একেবারে ভিন্ন কিছু। খেজুরগাছ প্রতীকটা এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যে ছোটরাও আগ্রহ নিয়ে দেখছে। এটা শুধু প্রচারণা না, শিক্ষারও একটা দিক আছে।”
কুড়ারবাজার এলাকার একজন শিক্ষক বলেন, “রাজনীতিতে এখনো এমন শৈল্পিক ও মানবিক চিন্তা দেখতে পারা সত্যিই আশাজনক। এই প্রচারণা মনকে ভালো লাগায় ভরে দেয়। রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত এটা।