জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-২০২৪ এর প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একটি বিশেষ আলোচনা সভা ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবন চত্বরে আগামী মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, সকাল ১০:৩০ টায় অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানটির উদ্বোধনী বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ইকরামুল হক সাজিদের মা, মোছাঃ নাজমা খাতুন লিপি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে আরও জানানো হয়, কেন্দ্রীয় জুলাই বিপ্লবের প্রথম বর্ষ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন। তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মোশাররাফ হোসেন উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ শেখ গিয়াস উদ্দিন।
অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে। সকাল ১০ টায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-২০২৪ উপলক্ষে স্থির চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-২০২৪ ছিল একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা, যা দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একটি নতুন দিক উন্মোচন করেছিল। শহীদ ইকরামুল হক সাজিদ সেই আন্দোলনের অন্যতম প্রতীক, যিনি তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশের জন্য। তার মায়ের উপস্থিতি এই স্মরণানুষ্ঠানে একটি বিশেষ আবেগের যোগান দেবে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম এবং স্বদেশপ্রেমের অনুভূতি জাগ্রত করবে।
এই ধরনের অনুষ্ঠানগুলো নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন করতে এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেমের অনুপ্রেরণা জাগাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এমন আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মঞ্চ হিসেবে কাজ করে, যেখানে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা এবং মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে পারে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এই উদ্যোগটি শুধুমাত্র একটি স্মরণানুষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম যেখানে শিক্ষার্থীরা অতীতের ঘটনাগুলোর প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে বর্তমানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারে।