মো. আজিজার রহমান, খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: সাবেক ছাত্রশিবির নেতা ও বর্তমান জামায়াত কর্মী ফারুক ইসলাম খানসামা থানায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করেছেন, ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তাঁর বাড়িতে হামলা চালান। মারধর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিতে বাধ্য করা হয় এবং প্রায় সাত লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় থানার তৎকালীন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ।
ফারুক ইসলামের দাবি, সেই রাতে অন্তত ছয়জন জামায়াত কর্মীর বাড়িতে একইভাবে হামলা-লুটপাট হয়, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
এজাহারে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিউল আযম চৌধুরী লায়নসহ আরও ২০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ৪০–৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদী ফারুক ইসলাম বলেন, “স্বৈরাচার সরকারের সময়ে ন্যায়বিচার চাওয়া সম্ভব ছিল না। এখন পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই সাহস করে অভিযোগ করেছি।”
খানসামা থানার ওসি নজমূল হক বলেন, “লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”
সাবেক ছাত্রশিবির নেতা ও বর্তমান জামায়াত কর্মী ফারুক ইসলাম খানসামা থানায় দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করেছেন, ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তাঁর বাড়িতে হামলা চালান। মারধর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিতে বাধ্য করা হয় এবং প্রায় সাত লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় থানার তৎকালীন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ।
ফারুক ইসলামের দাবি, সেই রাতে অন্তত ছয়জন জামায়াত কর্মীর বাড়িতে একইভাবে হামলা-লুটপাট হয়, ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা।
এজাহারে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিউল আযম চৌধুরী লায়নসহ আরও ২০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ৪০–৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বাদী ফারুক ইসলাম বলেন, “স্বৈরাচার সরকারের সময়ে ন্যায়বিচার চাওয়া সম্ভব ছিল না। এখন পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই সাহস করে অভিযোগ করেছি।”
খানসামা থানার ওসি নজমূল হক বলেন, “লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। তদন্ত শুরু হয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।”