close

ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!

সাতক্ষীরায় অপহৃত কলেজ ছাত্রীর মামলায় দুইজনকে জামিন

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: avatar   
শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের এক কলেজ ছাত্রীর অপহৃতি মামলায় তার বাবা ও আসামীকে দুইজনকে আদালতে হাজির করার জামিন দেওয়া হয়েছে..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা :

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের একাদশ শ্রেণীর এক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অপহৃত কলেজ ছাত্রী দেড় মাসেও উদ্ধার হয়নি। এমনকি গ্রেপ্তার করা হয়নি অপহরণের সঙ্গে জড়িতদের। ফলে ভিকটিমের বাবা মঙ্গলবার (২০ মে '২৫) দুপুরে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের দ্বারস্ত হলে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা আশাশুনি থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুর রশিদকে তিন দিনের মধ্যে ভিকটিম উদ্ধার ও আসামী গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। 

জামিনপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদ এর ছেলে এশরাফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারভিন খাতুন।

মামলা ও ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের কৃষকের  মেয়ে দরগাহপুর কলেজিয়েট স্কুলে মানবিক বিভাগে একাদশ শ্রেণীর ছাত্রীকে কাদাকাটি গ্রামের এশরাফুল ইসলামের ছেলে ফরিদুল ইসলাম উত্যক্ত করতো। বিষয়টি ফরিদুলের বাবা ও মাসহ স্বজনদের জানালে তারা আরো ক্ষুব্ধ হয়। এর জের ধরে গত ৮ মার্চ '২৫ সকাল ১০টার দিকে মাইক্রোবাসে করে কাদাকাটি গ্রামের  তার বাড়ির পাশ থেকে একই এলাকার এশরাফুল ইসলামের ছেলে ফরিদুল ইসলাম তাকে অপহরণ করে। একপর্যায়ে ভিকটিমের বাবার দায়েরকৃত এজাহারটি গত ২৭ মার্চ '২৫ থানায় অপহরণ মামলা হিসেবে রেকর্ড করে পুলিশ। ভিকটিম উদ্ধারে মামলার বাদি থানা, সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার, র‍্যাব ও খুলনা রেঞ্জের উপমহা পুলিশ পরিদর্শকসহ আইনপ্রয়োগকারি সংস্থার কর্মকর্তাদের কাছে দৌড় ঝাঁপ করেন। একপর্যায়ে গত ২৭ এপ্রিল '২৫ এশরাফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী পারভিন খাতুন হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের অন্তবর্তীকালিন জামিন লাভ করেন। 

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ি তারা দুইজন বৃহস্পতিবার (২২ মে '২৫) সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যনালে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন। 

ভারপ্রাপ্ত বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোঃ নজরুল ইসলাম মামলার বাদির উপস্থিতিতে জামিন আবেদন শুনানী শেষে ভিকটিমকে ২৯ মে '২৫  এর মধ্যে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তার কাছে ও আসামী ফরিদুল ইসলামকে আদালতে হাজির করোনার শর্তে তাদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা বণ্ডে জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

আসামীপক্ষে জামিন শুনানীতে অংশ নেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাড. এম শাহ আলম, অ্যাড, আশরাফুল আলম, অ্যাড. আসাদুজ্জামান দিলু, অ্যাড. জিয়াউর রহমান প্রমুখ।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. শিহাব মাসুদ সাচ্চু।

পিপি অ্যাড. শিহাব মাসুদ সাচ্চু ভিকটিমকে থানায় ও আসামী ফরিদুলকে আদালতে হাজির করানোর শর্তে আগামি ২৯ মে '২৫ পর্যন্ত আদালত জামিন দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator