close

কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!

সাতক্ষীরায় নদী খনন প্রকল্পে ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: avatar   
শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
সাতক্ষীরায় বেতনা নদী খনন প্রকল্পে ৫ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। নড়াইলের পাঁচ সাব-ঠিকাদার তাদের পাওনা আদায়ে হতাশ..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বেতনা নদী খনন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে বরিশালের মৃত আলতাফ হোসেন তালুকদারের ছেলে তামিম হোসেন তালুকদার ও তার সহযোগী চুনু। নড়াইলের পাঁচ সাব-ঠিকাদার—কবির হোসেন, রুবেল, জহিরুল, জাহিদুল ও তারা মিয়া—তাদের পাওনা ৫ কোটি ৪৬ লাখ ৮৬ হাজার ৭৬৯ টাকা না পেয়ে হতাশায় ভুগছেন।

নড়াইলের কালিয়া থানার কলাবাড়িয়া গ্রামের স.ম কবির হোসেন জানান, তারা বরিশালের মুল ঠিকাদার আলতাফ হোসেন তালুকদারের কাছ থেকে ৪২ কোটি ৪৯ লাখ ২৫ হাজার ৩৫১ টাকায় দুইটি কাজের চুক্তিবদ্ধ হন। কাজ সম্পন্ন করার পরও তাদের পাওনা টাকা পরিশোধ করা হয়নি। ঠিকাদার আলতাফ হোসেনের মৃত্যুর পর তার ছেলে তামিম ও চুনু কাজের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে সম্পূর্ণ অর্থ তুলে নিলেও সাব-ঠিকাদারদের পাওনা টাকা পরিশোধ করেননি।

কবির হোসেন আরও বলেন, 'বিগত দুই বছর ধরে তারা টাকার প্রতিশ্রুতি দিলেও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। সাতক্ষীরার সুপারিঘাটা এলাকায় গিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা করলে তামিম ও চুনু তাদের গালিগালাজ করে এবং জীবন নাশের হুমকি প্রদান করেন।'

এই পরিস্থিতিতে সাব-ঠিকাদাররা সাতক্ষীরার পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ এর নির্বাহি প্রকৌশলী, সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি এবং সেনা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দায়ের করেছেন। তামিম হোসেন তালুকদারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে এটি হবে একটি গুরুতর আর্থিক অপরাধ যা জনস্বার্থের পরিপন্থী।

সংশ্লিষ্ট এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং স্থানীয় জনগণ দ্রুত সমাধানের দাবি জানাচ্ছে।

Inga kommentarer hittades


News Card Generator