জনসংখ্যা বিবেচনায় নাজুক হাসপাতালটির সেবাদান কার্যক্রম। ২০২২ সালে প্রকাশিত জন শুমারি ও গৃহ গণনা তথ্যমতে, রায়পুরে ৩ লাখ ১৩ হাজার ৬৫৯ জন মানুষের বসবাস। বিশাল এ জনসংখ্যার চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটিকে। স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ।
জনবল সংকট চরমে। প্রায় দীর্ঘ ১০ বছর অনুপস্থিত রয়েছেন দুই চিকিৎসক। নথিপত্র দেখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেটিক) ডা. আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন ২০১৫ সালের মে মাসের ৫ তারিখে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদান করেন। তিনি যোগদানের প্রায় ৬৯ দিন পর একই বছরের ১৩ জুলাই অনুমতি না নিয়ে বাড়িতে গিয়ে আর ফিরে আসেননি।
প্রয়োজনীয় ওষুধ বরাদ্দেও পড়েছে যেন ভাটা- বিগত অর্থ বছরে তিন লাখেরও বেশি জনসংখ্যার সেবা নিশ্চিতে কাজ করা এ হাসপাতাল সর্বমোট ১ কোটি ৩১ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। গড় হিসেব করলে জনপ্রতি ওষুধের বরাদ্দ বছরে মাত্র ৪২ টাকা পড়েছে। আবার এই ৪২ টাকার ঘরেও প্রায় ২৪ পয়সা রয়েছে কম। গাণিতিক হিসেবে জনপ্রতি ওষুধের বার্ষিক বরাদ্দ হয়েছে ৪১ টাকা ৭৬ পয়সা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই বরাদ্দ ছিলো জনপ্রতি প্রায় ৩৪ টাকা। সে হারে গত প্রায় দুই অর্থ বছরে জনপ্রতি ওষুধের বরাদ্দ বেড়েছে মাত্র ৭ টাকা ৭৬ পয়সা বা প্রায় ৮ টাকা।
এক্সরে মেশিন থেকে শুরু করে সব সেবা কার্যক্রম চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। ২০০৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর হাসপাতালটির ৩১ শয্যা বিশিষ্ট ভবন উদ্বোধন করেন গণতন্ত্রের আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি উদ্বোধনের পর ফ্যাসিবাদের কাঁঠাল রানী খু*নি শেখ হাসিনার আমলে দৃশ্যমান কোনও উন্নয়ন হয়নি। এমতাবস্থায়- আমি রায়পুরের সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, বিএনপির নেতৃত্ব স্থানীয় মানুষজনসহ আপামর সাধারণ জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটির উন্নয়নে সবাইকে এক যোগে নজরপাত ও এগিয়ে আশার আহবান জানাই।
close
লাইক দিন পয়েন্ট জিতুন!
আমি জিহাদ রহমান। অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিক..
Walang nakitang komento



















