close

ভিডিও দেখুন, পয়েন্ট জিতুন!

মেয়াদোত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রে ঝুকিতে চট্টগ্রাম আদালত!..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
চট্টগ্রাম আদালত ভবনের দেয়ালে ঝোলানো অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রগুলো একের পর এক মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে ছোট পরিসরে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য রাখা এসব যন্ত্র এখন শুধুই লোক দেখানোর জন্য শোভা..

২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালতের ক্লার্ক অ্যাসোসিয়েশন অফিসে এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ হাজারো কাগজপত্র পুড়ে যায়। এর আগে ২০১৭ সালে আদালতের মালখানায় আগুন লেগে মোবিল ও অকটেনের কৌটা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। এসব ঘটনায় অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের কার্যকারিতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

কোন জনতা বিধে রাখা হয়েছে?

আদালতের বিভিন্ন কক্ষে প্রায় দুই শতাধিক অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র থাকলেও সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই। জেলা আইনজীবী মীর শফিকুল কবীর বিজন বলেন, ‘অগ্নিদুর্ঘটনা এড়াতে এসব যন্ত্র বসানো হলেও এগুলোর মেয়াদ নিয়মিত পরীক্ষা করা হয় না। এটি একটি বড় ধরনের অবহেলা।’

ফায়ার সার্ভিসের পদান

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র বসানো বাধ্যতামূলক হলেও সেগুলোর মেয়াদ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে না। আদালত ভবন গণপূর্ত অধিদপ্তর দেখাশোনা করে, তাই তারা চাইলে আমাদের পরামর্শ নিতে পারে।’

সর্বজনগণর আহবান

এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ভবনে মেয়াদোত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র থাকা শুধু চট্টগ্রাম আদালত নয়, দেশের অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি ভবনগুলোর জন্যও অশনিসঙ্কেত। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র বসানোই যথেষ্ট নয়, বরং তা কার্যকর অবস্থায় রাখা এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কর্তৃপক্ষকে এখনই সচেতন না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিপর্যয়ের শঙ্কা থেকেই যাবে।

কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি


News Card Generator