এপেক সম্মেলনের আগে স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষে পণা স্ত্র ছু ড় ল উত্তর কোরিয়া..

আই নিউজ বিডি ডেস্ক  avatar   
আই নিউজ বিডি ডেস্ক
এপেক সম্মেলনের আগে স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষে পণা স্ত্র ছু ড় ল উত্তর কোরিয়া..
এপেক সম্মেলনের আগে স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষে পণা স্ত্র ছু ড় ল উত্তর কোরিয়া..
North Korea launched multiple short-range ballistic missiles into its eastern waters after a long hiatus. The provocation comes a week before the APEC summit scheduled to take place in South Korea.

দীর্ঘ বিরতির পর উত্তর কোরিয়া তাদের পূর্ব উপকূলে একাধিক স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এক সপ্তাহ পরই দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এপেক সম্মেলনকে ঘিরে এই উসকানি।

দীর্ঘ বিরতির পর উত্তর কোরিয়া তাদের পূর্ব উপকূলের জলসীমায় একাধিক স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী। বিগত কয়েক মাসের মধ্যে এটাই উত্তর কোরিয়ার প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ। আজ বুধবার সকালে ছোড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এমন এক সময়ে উৎক্ষেপণ করা হলো, যার ঠিক এক সপ্তাহ পরই দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়োংজু শহরে শুরু হতে যাচ্ছে এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন (এপেক) সম্মেলন। এই সম্মেলনে যোগ দেবেন চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বিশ্বের শীর্ষ নেতারা।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর বরাতে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইয়ুনহাপ জানিয়েছে, তারা কয়েকটি বস্তু শনাক্ত করেছে, যা স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বলে ধারণা করা হচ্ছে। এগুলো পূর্ব সাগর (জাপান সাগর নামেও পরিচিত) অভিমুখে নিক্ষেপ করা হয়। সিউলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার (২১৭ মাইল) পথ অতিক্রম করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ বাহিনী কমান্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা অতিরিক্ত নিক্ষেপের সম্ভাবনা মাথায় রেখে নজরদারি বাড়িয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে তথ্য আদানপ্রদান করছে। সেনাবাহিনী প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে। ইয়ুনহাপের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে উত্তর কোরিয়া ৮ ও ২২ মে স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। অর্থাৎ, এই পরীক্ষা দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। তিনি গত জুনে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বিশেষজ্ঞরা আগেই সতর্ক করেছিলেন, এপেক সম্মেলনের আগে বা চলাকালীন সময় উত্তর কোরিয়া উসকানিমূলক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাতে পারে, যাতে নিজেদের পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের প্রচেষ্টা জোরদার করা যায়। এর আগে, চলতি মাসের শুরুতে পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশটির নতুন দীর্ঘ-পাল্লার ‘হোয়াসং-২০’ আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করেন। একে উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র বলা হচ্ছে। ওই কুচকাওয়াজে চীন, রাশিয়া ও অন্যান্য দেশের উচ্চপর্যায়ের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এই ধারাবাহিক অস্ত্র উন্নয়ন তাদের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক কূটনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির একটি কৌশল। পিয়ংইয়ং বহুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে অস্ত্র উন্নয়ন চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে এসব অস্ত্র তৈরি জরুরি।

উত্তর কোরিয়ার এই সামরিক উসকানি এমন এক সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছর কিম জং উনের সঙ্গে দেখা করার আশা করছেন। অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়া জানিয়েছে—কিম জং উন ভবিষ্যতে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে আগ্রহী, তবে শর্ত হলো—পিয়ংইয়ং কখনোই তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করবে না।

Ingen kommentarer fundet


News Card Generator