এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের সাতক্ষীরার তেলের পাম্প পরিদর্শন..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: avatar   
এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের সাতক্ষীরার তেলের পাম্প পরিদর্শন..
এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের সাতক্ষীরার তেলের পাম্প পরিদর্শন..
জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে সাতক্ষীরা-সদর ২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেছেন..

শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা: 

জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে সাতক্ষীরা-সদর ২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেছেন।

জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে সাতক্ষীরা-সদর ২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেছেন। সোমবার (২৩ মার্চ '২৬) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি সাতক্ষীরা সদরের কপোতাক্ষ ফিলিং স্টেশন ও লস্কার ফিলিং স্টেশন পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেন।


অভিযোগ রয়েছে, এলাকা পেট্রোল পাম্পে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেল বিক্রি বন্ধ বা সীমিত করে রাখা হয়েছিল। জনদুর্ভোগের এই খবর পেয়ে এমপি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক প্রথমে সাতক্ষীরা সদরের বেতনা বাশঘাটা মের্সাস লস্কার ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি পাম্পটির তেলে ট্রাংকি ও দৈনিক তৈলের ক্রয় বিক্রয় খাতার হিসাব দেখেন। তিনি তেল নিতে আসা জনসাধারণণের অভিযোগ গুলো শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নেয়ার আশ্বাস দেন। এরপর তিনি কপোতাক্ষ ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন।পরিদর্শনকালে আগরদাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: কবির হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী শহীদ হাসান প্রমুখ তাঁর সাথে ছিলেন।


কপোতাক্ষ ফিলিং স্টেশনের প্রো: মো: শুকুর আলী সরদার জানান তার পাম্পে আগের মতই তেল সরবরাহ আছে। কিন্তু কিছু ব্যক্তি কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। তিনি একেকজন দৈনিক একাধিকবার তেল নিতে আসছেন বলে সদর এমপির কাছে অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে তেল বিক্রি করছে পাম্পগুলো। কিন্তু অনেক মোটরসাইকেল চালক দিনে ৫-৭ বারের মতো তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। আবার অনেকেই আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েই বারবার তেল নিতে আসছেন। এতে প্রকৃত প্রয়োজনীয় গ্রাহকরা বঞ্চিত হচ্ছেন এবং পাম্পে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে।


তিনি আরো দাবি করেন, বর্তমানে জ্বালানি তেলের ঘাটতির সঙ্গে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পেট্রোল পাম্পের নিরাপত্তাবিষয়ক ইস্যুগুলো আরও বেশি সংকটাপন্ন হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময়ও নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে; ট্যাংকারগুলো পথে লুট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত না করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেয়া ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।


সূত্র বলছে, জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে যেকোনো জেলার সব পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ কোম্পানি থেকে পাওয়া দৈনিক তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে তেল নিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীরা।

একইসঙ্গে দীর্ঘসময় বিরামহীন দায়িত্ব পালনের অভ্যাস না থাকায় শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন পাম্পে কর্মরতরা। সবমিলিয়ে পর্যাপ্ত তেল সরবরাহ না পাওয়ার কারণে যেকোনো সময় সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

No comments found


News Card Generator