বাউফলে ফেসবুক লাইভে অভিযান, আগেই সরে গেলেন জেলেরা

Hujaifa Islam avatar   
Hujaifa Islam
বাউফলে ফেসবুক লাইভে অভিযান, আগেই সরে গেলেন জেলেরা
বাউফলে ফেসবুক লাইভে অভিযান, আগেই সরে গেলেন জেলেরা
****

পটুয়াখালীর বাউফলে ফেসবুক লাইভে অভিযান, আগেই সরে গেলেন জেলেরা।

 

হুজাইফা ইসলাম ( বাউফল প্রতিনিধি) পটুয়াখালি ।

 

 

পটুয়াখালীর বাউফলে মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ফেসবুক লাইভে এসে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীতে এ অভিযান চলে। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম। তার সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা অংশ নেন।

 

তবে অভিযানের সময় ফেসবুক লাইভে আসায় খবরটি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আগেভাগেই সতর্ক হয়ে কয়েকজন জেলে নদী ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিকেলে উপজেলা মৎস্য অফিসের সামনে থেকে ট্রলারযোগে তেঁতুলিয়া নদীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি দল। ট্রলারে ওঠার পরই দলের কয়েকজন সদস্য ফেসবুকে লাইভ শুরু করেন। এতে অসাধু জেলেরা আগেই সতর্ক হয়ে জাল গুটিয়ে সরে যান।

 

চন্দ্রদ্বীপ এলাকার এক জেলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “নদীতে অনেকেই ইলিশ ধরছিলেন। ফেসবুক লাইভে খবর ছড়িয়ে পড়তেই সবাই জাল তুলে চলে যান।”

 

এদিকে অভিযান চলাকালে ফেসবুক লাইভে আসা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, গোপনে অভিযান না চালিয়ে লাইভে এসে প্রশাসন নিজেই জেলেদের সতর্ক করে দিয়েছে।

 

মাহবুব রহমান নামে একজন মন্তব্য করেন, “অভিযান মানে চুপিচুপি যাওয়া, ঢাকঢোল পিটিয়ে নয়।”

স্থানীয় সাংবাদিক জসীম উদ্দিন লিখেছেন, “লাইভে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করলে সফলতার সম্ভাবনা কমে যায়।”

 

বিষয়টি জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

পটুয়াখালীর বাউফলে মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ফেসবুক লাইভে এসে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীতে এ অভিযান চলে। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম। তার সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা অংশ নেন।

 

তবে অভিযানের সময় ফেসবুক লাইভে আসায় খবরটি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আগেভাগেই সতর্ক হয়ে কয়েকজন জেলে নদী ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিকেলে উপজেলা মৎস্য অফিসের সামনে থেকে ট্রলারযোগে তেঁতুলিয়া নদীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি দল। ট্রলারে ওঠার পরই দলের কয়েকজন সদস্য ফেসবুকে লাইভ শুরু করেন। এতে অসাধু জেলেরা আগেই সতর্ক হয়ে জাল গুটিয়ে সরে যান।

 

চন্দ্রদ্বীপ এলাকার এক জেলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “নদীতে অনেকেই ইলিশ ধরছিলেন। ফেসবুক লাইভে খবর ছড়িয়ে পড়তেই সবাই জাল তুলে চলে যান।”

 

এদিকে অভিযান চলাকালে ফেসবুক লাইভে আসা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, গোপনে অভিযান না চালিয়ে লাইভে এসে প্রশাসন নিজেই জেলেদের সতর্ক করে দিয়েছে।

 

মাহবুব রহমান নামে একজন মন্তব্য করেন, “অভিযান মানে চুপিচুপি যাওয়া, ঢাকঢোল পিটিয়ে নয়।”

স্থানীয় সাংবাদিক জসীম উদ্দিন লিখেছেন, “লাইভে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করলে সফলতার সম্ভাবনা কমে যায়।”

 

বিষয়টি জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

Geen reacties gevonden


News Card Generator