About Us
Sanjoy malakar - (Moulvibazar)
প্রকাশ ২৩/০৭/২০২১ ০১:৫৫এ এম

সন্ধ্যার মধ্যেই মৌলভীবাজার পৌর শহর বর্জ্যমুক্ত

সন্ধ্যার মধ্যেই মৌলভীবাজার পৌর শহর বর্জ্যমুক্ত Ad Banner
গতকাল (২১জুলাই,বুধবার) বাংলাদেশে যথাযত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পালিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহা।যদিও করোনা মহামারীর কারনে অন্যান্ন বছরের তুলনায় এইবার ঈদ ছিলো অনেকটা নিরস। এ দিন আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট পশু কোরবানি করা হয়।

ঈদুল আজহা পরবর্তী সময়ে পৌরশহর এলাকায় ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কোরবানির পশুর রক্ত, মজ্জা, হাড়গোড় আর বিষ্ঠায় কোনো কোনো এলাকা বিশালাকারের ভাগারে পরিণত হয়।উৎকট দুর্গন্ধে ঈদের আনন্দটাই যেন ম্লান হয়ে যায়।তবে বর্জ্য নিষ্কাশনে থেমে নেই পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।সন্ধ্যার মধ্যেই মৌলভীবাজার পৌর শহর কুরবানির পশুর বর্জ্যমুক্ত হয়।

জানাযায়,ততকাল ঈদুল আজহা’র দিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ৭০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী শহরের অলিগলি-পাড়া মহল্লার কুরবানির বর্জ্য অপসারণে নামেন। এতে ব্যবহার করা হয় ১১টি ট্রাক ও পিকআপ। ছিটানো হয় ব্লিচিং পাউডার।

মৌলভীবাজারের জনন্দিত পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমানের তত্ত্বাবধানে কুরবানির বর্জ্য অপসারণে মাঠে ছিলেন পৌর কাউন্সিলর জালাল আহমদ ও অ্যাডভোকেট পার্থ সারথি পাল এবং কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর আব্দুল মতিন। উপ সহকারী প্রকৌশলী রনধীর রায়। একটানা ৫ থেকে ৬ ঘন্টার কাজ শেষে সন্ধ্যার মধ্যেই কুরবানির বর্জ্যমুক্ত হয় মৌলভীবাজার শহর।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মৌলভীবাজার শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সচেষ্ট ছিলাম। শহরবাসী যেন কুরবানির বর্জ্য এবং দুর্গন্ধে না ভোগেন সেজন্য বিগত বছরগুলোতে চেষ্টা করেছি। কুরবানির বর্জ্যের দুর্গন্ধ কি মানুষ টের পায়নি। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। একটি পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নাগরিকদেরও সহযোগিতা চান পৌর মেয়র।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ