About Us
NAZMUL - (Joypurhat)
প্রকাশ ২১/০৭/২০২১ ১০:১০পি এম

ঈদের দিন নিম্ন আয়ের মানুষকে খাবার দিল ‘হোপ বরগুনা’

ঈদের দিন নিম্ন আয়ের মানুষকে খাবার দিল ‘হোপ বরগুনা’ Ad Banner
করোনাকালে মানুষের আয় অনেক কমে গেছে। নিম্ন আয়ের মানুষের সংসারে চলছে টানাপোড়েন। তাই ঈদুল আজহায় পরিবারের সদস্যদের মুখে উন্নত মানের খাবার তুলে দেওয়ার সামর্থ্য নেই অনেকেরই। এ রকম এক পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের মানুষের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বরগুনায় তরুণদের গড়া স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘হোপ বরগুনা’।

‘হোপ বরগুনা’র সহায়তায় ঈদের এই খুশির দিনে ভালো খাবার খাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার নিম্ন আয়ের মানুষ।
বুধবার ঈদের দিন বরগুনা শহরের নিম্ন আয়ের ৫৫০ জনের হাতে রান্না খাবার তুলে দিয়েছেন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা। তাঁদের মধ্যে ৩০০ জনকে কাচ্চি বিরিয়ানি এবং ২৫০ জনকে রান্না করা গরুর মাংস বিতরণ করা হয়। ঈদের খুশিকে ধর্ম–বর্ণনির্বিশেষে সবার মাঝে বিলিয়ে দিতে সংগঠনটি এবার দুস্থ হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য কাচ্চি বিরিয়ানিরও আয়োজন করে।

হোপ বরগুনার স্বেচ্চাসেবীরা বুধবার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বরগুনা শহরের উপকণ্ঠে মনসাতলী এলাকায় ৫০টি বেদে পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধ, লাকুরতলা এলাকায় ৫ জন হিজড়া সম্প্রদায়ের সদস্য, শহরের হাসপাতাল সড়কের পেছনের বস্তি, গগন স্কুল এলাকা, কালীবাড়ি রোড, ডিকেপি সড়ক, ব্যাংক কলোনি, পিটিআই এলাকা, আমতলাপাড়, ক্রোক স্লুইস, হাজারবিঘা এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিরিয়ানির ও রান্না করা মাংস তুলে দেন।

হোপ বরগুনা গত বছর করোনাকালে লকডাউন শুরু হলে এ কার্যক্রম শুরু করে। কার্যক্রমের আওতায় খাদ্যপণ্য সহায়তা, বৃদ্ধদের চিকিৎসা সহায়তায় অর্থ, শিশুদের জন্য দুধ, ডিম ও পুষ্টিকর রান্না করা খাবার, কিশোরীদের স্যানিটারি ন্যাপকিন, অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য পুষ্টিকর খাবার, খাদ্যপণ্য, বিধবা নারীদের এক মাসের খাদ্যপণ্য, ঘর তোলার সহায়তা, রমজানে ইফতারি বিতরণসহ নানা কার্যক্রম চালাচ্ছে।

সংগঠনটির সহপ্রতিষ্ঠাতা তরুণ উদ্যোক্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার সময় মানুষের আয়–রোজগার কমে গেছে। এতে গত বছরের ২৫ মার্চ থেকে আমরা কয়েকজন তরুণ মিলে হোপ বরগুনার কার্যক্রম শুরু করি। মাঠে কাজ করতে গিয়ে আমরা লক্ষ করেছি যে মানুষের শুধু খাদ্যপণ্য নয়, করোনাকালে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের আলাদা চাহিদা রয়েছে। এরপর আমরা সে অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া শুরু করি। এবার আমরা নতুনভাবে মুসলমান সম্প্রদায়ের বাইরেও অন্য ধর্মের অনুসারীদের জন্য দুটি খাসি দিয়ে কাচ্চি বিরিয়ানির ব্যবস্থা করেছি। করোনায় ধর্ম–বর্ণনির্বিশেষে সবাই আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এই চিন্তা করেই এবার এই উদ্যোগ নিয়েছি।’

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ