About Us
রাব্বি ইসলাম - (Tangail)
প্রকাশ ১৯/০৭/২০২১ ০৪:১৫পি এম

মির্জাপুরে প্রশাসনের চোখ ফাঁঁকি দিয়ে চলছে অবৈধ হাট

মির্জাপুরে প্রশাসনের চোখ ফাঁঁকি দিয়ে চলছে অবৈধ হাট Ad Banner
ঈদের বাকি আরমাত্র ১ দিন। আজ সোমবার (১৯জুলাই) থেকেই মূলত টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জমে উঠতে শুরু করেছে পশুর হাট। জানা গেছে, এ উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলে ১০টি স্থানে পশু কেনা-বেচার কথা রয়েছে। এছাড়া জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনলাইনেও পশু কেনা-বেচাও চলমান। কিন্তু সরেজমিন ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অনুমোদনপ্রাপ্ত পশুর হাট ছাড়াও উপজেলার তরফপুর ইউনিয়নের চকবাজার, কদমা বাজারসহ বেশ কয়েকস্থানে অবৈধভাবে পশুর হাট বসিয়েছে একটি মহল।

এতে একদিকে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে অপরদিকে অবৈধহাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে অতিমাত্রায়। যার ফলে করোনার ঝুকিও রয়েছে ব্যাপকহারে।

সোববার (১৮ই জুলাই) সকালে তরফপুর ইউনিয়নের চকবাজার এলাকায় গিয়ে রাস্তা দখল করে একটি পশুর হাট গড়ে উঠতে দেখা গেছে। এছাড়া একই ইউনিয়নের কদমা বাজার এলাকায়ও গড়ে উঠেছে আরেকটি পশুর হাট। তবে ওই হাট দুটি হাটের কোনো অনুমোদন নেই বলে উপজেলা প্রশাসন সুত্র নিশ্চিত করেছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা নিজস্ব উদ্যোগে হাটগুলো পরিচালনা করছেন বলে খোজ নিয়ে জানা গেছে।

জানা যায়, এ বছর উপজেলার হাটুভাঙ্গা, পাকুল্যা, ফতেপুর, ভাতকুড়া, চুকুরিয়া, গল্লী, ভাবখন্ড ও বান্ধাচালা এলাকায় অস্থায়ীভাবে হাট বসার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। অনুমোদনপ্রাপ্ত পশুর হাটগুলোতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা ও হাট কমিটির চেষ্টায় জনসাধারণের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের চাপ থাকলেও অবৈধ হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই। হাটে আসা অধিকাংশ জনগণকেই নূন্যতম মাস্কও পড়তে দেখা যায়নি।

অপরদিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হাট ফতেপুর স্কুল মাঠে আয়োজিত পশুর হাটে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রউফকে হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে মাস্ক বিতরণ ও হ্যান্ডস্যানিটাইজার বিতরণ করতে দেখা গেছে।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো.সাইফুজ্জামান বলেন, উপজেলায় ১৫২৯ জন খামারি রয়েছেন। ঈদকে কেন্দ্র করে খামারগুলোতে ২,৩৯৩টি ষাঁড়, ২৬০টি বলদ, ২৮টি মহিষ, ৬৮২টি খাসি ও ১৫৬টি ভেড়া লালন-পালন করা হয়েছে।

মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন (পিপিএম) বলেন, উপজেলায় প্রত্যেকটি অনুমোদনপ্রাপ্ত পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণসহ সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা আছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, উপজেলায় স্থায়ী হাটের পাশাপাশি ৮-৯ টি স্থানে অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর বাইরে যদি কেউ হাট বসায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রত্যেকটি হাটে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার জন্য হাট কর্তৃপক্ষকে সজাগ থাকারও আহ্বান জানান তিনি।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ