About Us
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
MD.SHAHID IMRAN RASEL - (Khagrachhari)
প্রকাশ ১৯/০৭/২০২১ ০১:৪১পি এম

শিলং তীর জুয়ায় আসক্ত পার্বত্য এলাকা

শিলং তীর জুয়ায় আসক্ত পার্বত্য এলাকা Ad Banner
সম্প্রতিকালে খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়, গুইমারা,জালিয়াপাড়া শীলং তীর জুয়া জোরালো পরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে। স্কুল পড়ুয়া থেকে শুরু করে প্রান্তিক কৃষকরাও এই জুয়ায় আসক্ত হয়ে লাখ লাখ টাকা হারাচ্ছে। গেল ২ বছরের ব্যাবধানে গুইমারায় ১৫ টি স্থানে ভয়ঙ্করভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

সরজমিনে ঘুরে জানা গেছে, ভারতের শীলং নামক স্থান থেকে বিশেষ পদ্ধতিতে এটি পরিচালিত হয়। ১ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যাভিত্তিক চলে এটি। আর এটি হল কৌশলভিত্তিক অনলাইন জুয়া। বিশেষ কৌশলে এ জুয়া খেলাটির ফাঁদে অনেকে পা দিয়ে অর্থ হারানোর কারণে পারিবারিক অস্বচ্ছলতা,ঝণগ্রস্থ ও সর্বশান্ত হয়েছে।

জুয়ার আকর্ষন রাখতে এবং জুয়ার আসর থেকে মানুষ যেন মুখ ফিরিয়ে না নেয় সজন্য প্রতিদিনই নামমাত্র কয়েকজনকে বিজয়ী করা হয়। হাতেগোনা কয়েকজন জুয়ার আসর থেকে হাসিমুখে ফিরলেও সিংহভাগই ফিরেন নিঃস হাতে। ৮০ গুন লাভের আশায় রিকসা চালক,দিনমজুর,নিম্নশ্রেনির মানুষেরা বেশি ঝুকেছে।

পুরো জেলায় এর অনেকগুলো স্পট রয়েছে। প্রতিটা স্পটে স্থানিয় চতুর একজন লোক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে,সে সেখানকার জুয়া পরিচারনা করে। প্রতিটা এজেন্ট হাজার। টাকা বাজির কমিশন হিসেবে মুল কোম্পানির কাছ থেকে ৬০ টাকা করে পায়। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এজেন্টের মাধ্যমে জুয়ার টাকা ও নম্বর পাঠানো হয়।

অভিযোগ উঠেছে, কিছু অসাধু প্রশাসন ও স্থানীয় প্রভাবসালীদের মদমে এটি চলে। গেল কয়েকবছরে এই জুয়া পুরো জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। দৈনিক প্রায় ৬-৭ লাখ টাকার জুয়া পরিচালিত হয়। স্থানীয়রা জানান এর মুল এজেন্টরা ২মাস খেলা চালিয়ে বিপুল টাকার মালিক বনে গেছেন।

তার স্থানীয়দের চাওয়া যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এর বিরূদ্ধে নিতে হবে। নয়তো এই এলাকার জনগণ খুব তাড়াতাড়ি হুমকির মুখে পড়বে। বিপর্যস্ত হবে পার্বত্যভূমি।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ