About Us
Md Mehedi Sheikh - (Chattogram)
প্রকাশ ১৯/০৭/২০২১ ০৩:২৬এ এম

বাগেরহাটে এক মাসেই ব্যবহারের অনুপযোগী আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর

বাগেরহাটে এক মাসেই ব্যবহারের অনুপযোগী আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর Ad Banner
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পের আওতায় ভুমিহীন ও গৃহহীনদের গৃহ নির্মান কাজে নিন্মমানের মালামাল ব্যবহার করে গৃহ নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হস্তান্তরের এক মাসের মধ্যে বাথরুমের রিং ভেঙ্গে ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

জানাগেছে,বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের আবেতা গ্রামের বিষখালী নদী(খাল) ও রাস্তার পাশে নির্মিত আশ্রয়ন প্রকল্পে ভুমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহপ্রতি ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তত্বাবধানে নির্মিত ১৮টি গৃহ রং ছাড়াই গত ২০ জুন হস্তান্তর করা হয়।


গৃহ প্রাপ্তদের মধ্যে বলভদ্রপুর গ্রামের ইমাম উদ্দিন এর পুত্র সাহাজান সরদার,বলভদ্রপুর গ্রামের মনিন্দ্র নাথ সাহার পুত্র কার্ত্তিক সাহা, বিষখালী গ্রামের স্বামী পরিত্যাক্তা রেখা রানী মল্লিক,কাঠীপাড়া গ্রামের গোপাল শীলের স্ত্রী লক্ষ্মী শীল,বলভদ্রপুর গ্রামের হরিপদ দাসের পুত্র শিব দাস,আবেতা গ্রামের আবুল হোসেনের স্ত্রী রেখা বেগম, আবেতা গ্রামের রতন দাইয়ের পুত্র বাচ্চু দাই,বনগ্রাম শ্রীপুরের নুর আহম্মদ লাল মল্লিকের পুত্র নুর আহম্মদ, আবেতা গ্রামের ফজলু মোল্লার পুত্র মহিদুল মোল্লা সহ অনেকে বাগেরহাট টুয়েন্টিফোরকে জানিয়েছেন, গৃহ নির্মান কাজে নি¤œ মানের ইট, বালু, সিমেন্ট কমদিয়ে ও খারাপ কাঠ ব্যবহার করে জমি উচু না করে মাঠের ভিতরে ইট মাটির নিচে না দিয়ে এসব গৃহ নির্মান করে পাশের খাল থেকে বালু উত্তোলন করে ভরাট করা হয়েছে। একটু বৃষ্টি হলে ময়লা পানিতে তলিয়ে যায়। এছাড়ার রাস্তার কাঁদাপানি বৃষ্টিতে ধুয়ে ঘরের ভিতরে যায়।


অনেকে ঘরের মেঝে নিজ খরচে সংস্কার করে নিয়েছে। কয়েকটি ঘরের বাথরুম এর রিং (চাড়ি) ভাঙ্গা এসব দিয়ে ময়লা ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। যার ফলে অর্ধেকটি গৃহ বসবাসের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া প্রতিটি ঘরের চাল ছোট করে দেওয়ার ফলে একটু বৃষ্টি হলে ঘরের ভিতরে পানি ঢুকে যায়। ৮নং গৃহের বাথরুম এর ট্যাংকির রিং ভাঙ্গা দেখে গৃহ মালিক ঘরে আসেনি।

এব্যাপরে বনগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান রিপন চন্দ্র দাস বাগেরহাট টুয়েন্টিফোরকে বলেন,ইউএনও স্যার তার নিজ দায়িত্বে গৃহগুলি নির্মান করেছেন। রং করা হয়েছে কিনা জানি না একটু সমস্যা আছে তা খরা শুকনো মৌসুমে সমাধান করা হবে।

মোড়েলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সাথে তার সেলফোনে বার বার চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ