About Us
শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
Md Mamunur Rashid - (Bogura)
প্রকাশ ১৯/০৭/২০২১ ০৩:৪১এ এম

রাষ্ট্রচিন্তার সেই দিদারুল নারী নির্যাতন মামলায় কারাগারে

রাষ্ট্রচিন্তার সেই দিদারুল নারী নির্যাতন মামলায় কারাগারে Ad Banner
বগুড়ায় করা এক নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় রাষ্ট্রচিন্তার দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়াকে (৩৯) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রোববার বিকেলে সদরের আমলী আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার এসআই মীর রায়হান সিদ্দিকী মোবাইলে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে শনিবার রাতে তাকে ঢাকা জেলার উত্তর বাড্ডা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। আটক দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া ঢাকা জেলার উত্তর বাড্ডা এলাকার শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার ছেলে। দিদারুলের বিরুদ্ধে ওই নারী গত ২৫ মে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেন। দিদারুল ঢাকা বাড্ডা উপজেলার উত্তর বাড্ডা এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। দিদারুল রাষ্ট্রচিন্তা নামের একটি সংগঠনের অন্যতম সদস্য।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, চাকরি সুবাদে বগুড়ায় থানা ভুক্তভোগী ওই নারীর সঙ্গে ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বরে দিদারুল ইসলামের বিয়ে হয়। দিদারুল ১৫ লাখ টাকা দেনমোহরানায় তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই দিদারুল তার (স্ত্রী) ভাড়া বাসায় (বগুড়ায়) থাকতেন। ঢাকাতে চাকরি করার কারণে প্রতি সপ্তাহে একবার করে বগুড়ায় এসে তাকে সময় দিতেন দিদারুল। তাদের দাম্পত্য জীবন ভালোই কাটছিল।

মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, দিদারুল সংসার জীবনে বিভিন্ন অজুহাতে তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা নিয়েছেন। দিনদিন দিদারুলের টাকার চাহিদা বাড়তেই থাকে। আর এ নিয়েই শুরু হয় তাদের দাম্পত্য কলহ। টাকার জন্য প্রায়ই ওই নারীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন দিদারুল। মামলায় বলা হয়েছে, সবশেষ চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি সকালে দিদারুল তার কাছে যৌতুক হিসেবে কয়েক লাখ টাকা দাবি করেন। এ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। আর এতেই তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দিদারুল তাকে মারধর করা শুরু করেন।

তাকে নির্যাতনের পর ওই দিনই বগুড়া থেকে চলে যান দিদারুল। এরপর থেকে বগুড়াতে আর ফিরে আসেননি দিদারুল। পরবর্তীতে দিদারুলের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কেউ তার সঙ্গে কথা বলেননি।

নির্যাতিতা ওই নারী বলেন, তার স্বামী দিদারুল রাস্ট্রচিন্তা নামে এক সংগঠনের সদস্য। ওই সংগঠনের ক্ষমতা বলেই তাকে নির্যাতন করেছেন দিদারুল। তিনি বলেন, ‘দিদারুলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তোমাকে ডিভোর্স দিয়েছি। আমি তার কাছে ডির্ভোসের কাগজ চাইলে তিনি বলেন, কাগজ দেয়ার এখন ইচ্ছে নেই, ইচ্ছে হলে দেয়া হবে। আমাকে আর বিরক্ত করোনা।’

প্রসঙ্গত এর আগে গত বছরের মে মাসে রাষ্ট্রচিন্তার দিদারুল ভূঁইয়াকে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশে হস্তান্তর করে র্যা ব। পরে অবশ্য তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ