About Us
Md. Ahesanul Haque Khan Anto - (Kishoreganj)
প্রকাশ ১৯/০৭/২০২১ ০২:৫৯এ এম

উচ্চরক্তচাপ কেন হয় ও করনীয় কী?

উচ্চরক্তচাপ কেন হয় ও করনীয় কী? Ad Banner
Topic: Hypertension/ উচ্চরক্তচাপ

এই Hypertension টার্মটার সাথে সবাই পরিচিত। "পরীক্ষার আগে টেনশনে টেনশনে পালপিটিশন" অবস্থা অনেকেরই হয়ে থাকে। তাই বলে কি তার hypertension হয়ে যাবে নাকি?

🖍️আচ্ছা, Hypertension কি?
👍- যখন Systolic pressure বেড়ে 140 mm of Hg কিংবা এর থেকেও বেশি হয়ে যাবে, একইসাথে diastolic pressure 90 mm Hg বা আরেকটু বেশি হবে this condition is called Hypertension.

🖍️এটি একটা common non- communicable disease.

🖍️🖍️ HTN কন্ডিশনে সব patient এর pressure সবসময় কি একই হবে?

-👍না, এই HTN এর আবার ৩ টা grade আছে। একেক patient এর ক্ষেত্রে একেকরকম হতে পারে। যেমন----

📝1. Grade 1/Mild; [এক্ষেত্রে Sys- (140-159) mm Hg, এবং dia-(90-99) mm Hg হয় ]
📝2. Grade 2 /moderate; [এক্ষেত্রে sys (160-179)mm Hg , এবং dia (100-109) mm Hg হয়]
📝3 .Grade 3/severe [ এক্ষেত্রে sys >180 mm Hg এবং dia >110 mm Hg হয়]

তাই, প্রেশার দেখে বুঝতে হবে রোগীর কন্ডিশন কেমন।

🖍️🖍️এবার জানি, কোন‌ কোন কারনে HTN হয়ে থাকে?
📝 unknown cause( অজানা কারন) (in 90% cases)
📝- Alcohol আসক্ত হলে
📝- pregnancy condition( গর্ভাবস্থায়) এ
📝-renal disease( কিডনী সমস্যা) এর জন্য...

👍.renal vascular disease
👍. polycystic kidney disease
👍.parencymal renal disease

📝-Endocrine disease(হরমোন সমস্যা) এর জন্য...
👍.cushing syndrome
👍. primary hyperaldosteronism
👍.primary hypothyroidism
👍. thyrotoxicosis
👍. congenital adrenal hyperplasia
👍.hyperparathyroidism
👍.acromegaly

📝 coarctation of Aorta/aortic narrowing
📝 drug, medicine এর জন্য হতে পারে
📝

🖍️🖍️আচ্ছা উচ্চরক্তচাপ এর patient এর Clinical Features/লক্ষন কেমন হয়?

📝- Severe headache( প্রচন্ড মাথা ব্যাথা) ্
📝-Chest pain( বুকে ব্যাথা)
📝- Vision defect( দৃষ্টি জনিত সমস্যা)
📝-Irregular heart beat( অনিয়মিত হৃদস্পন্দন)
📝-Difficulty breathing( শ্বাস প্রশ্বাস জনিত সমস্যা)
📝-Fatigue ( অবসাদ) etc.

🖍️🖍️তাহলে এই উচ্চ রক্তচাপ (HTN) কন্ট্রোল করতে হলে আমাদের কি করতে হবে?

👍 শুরুতেই দৈনন্দিন অভ্যাস পরিবর্তন ( Lifestyle modification) যেমন-

📝১. সঠিক ডায়েট ফলো করা
📝২. পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম করা
📝৩. যথাসম্ভব নিজেকে দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখা
📝৪. সকল নেশা থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
📝5. নিজের স্বাস্হ্য সম্পর্কে সচেতন হতে হবে
📝6. খাবার লবন ও তৈলাক্ত খাবার, ফাস্ট ফুড
সীমিত খাওয়া
📝7. কিছু মেডিসিন রেগুলার নিতে হবে

**এরপরও যদি কন্ট্রোল না হয় তাহলে অবশ্যই আমরা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মেডিসিন শুরু করে দিব।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ