About Us
TULESH CHANDRA ROY - (Dinajpur)
প্রকাশ ১৮/০৭/২০২১ ০৮:৪৯পি এম

মামা তো বোনের সাথে প্রেম!

মামা তো বোনের সাথে প্রেম! Ad Banner
দোস্ত আমি একটা মেয়েকে প্রথম দেখাতেই ভালোবেসে ফেলেছি। আরে দোস্ত কি বলিস এই সব, মেয়েটা কে আর কোথায় থাকে? আমি তোকে সব বলছি, আয় আগে একটু চা খাই, তা না হলে আমার মাথা ব্যাথাটা সাড়বে না। আরে আমার তো পরিচয়টা দিতেই ভুলে গেছি। আমি হলাম তুলেশ আর আমার বন্ধু প্রদীপ। আমরা দুজনে একসাথে পড়ালেখা করি। আমারা এবার ইন্টার 2য় বর্ষে। আমরা দুজনেই তেমন একটা কলেজে আসি না। তবে আজকে আমরা একটা স্যারের সাথে দেখা করতে আসছি, যিনি আমাদের গণিত শিক্ষক। ্ওকে তোর চা খা্ওয়া শেষ, আমি চায়ের বিল দিচ্ছি। আরে ভাই তুই তো খুব তাড়াহুড়ো করতেছিস, এই আমাকে চা খা্ওয়ার জন্য নিয়ে আসলি, আর এই চা খা্ওয়া শেষ না হতেই বাইরে চলে যাচ্ছিস। তোর সমস্যা কি বলতো? ভাই আমি ্ওই মেয়েটাকে দেখে পুরো পাগল হয়ে গেছি, আমি এখন ্ওই মেয়েটার কথা ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারতেছি না। আচ্ছা বিলটা দে, চল এখন একটু মাঠে যাই। ্ওকে চল মাঠে বসে গল্প করা যাবে। এখন বলতো মেয়েটাকে তুই কোথায় দেখলি? কোথায় দেখবো আর আমাদের কলেজেই দেখলাম।

মেয়েটাকে আমি কলেজে কোনো দিন দেখি নাই। এই প্রদীপ শুন কাল থেকে আমরা নিয়মিত কলেজে আসবো। এই কথাটা শুনার পর প্রদীপ বললো বা বা ভূতের মুখে রাম নাম, তুই তো কলেজে আসতেই চাস না, আমিই তোকে অনেক বলার পরে আজকে কলেজে আসলি, দেখ ভাই তুই কলেজে আসবি, না কি করবি সেটা তোর বিষয় আমি তো কলেজে আসবো না পাইনাল। দোস্ত এমন কথা বলিস না প্লিজ, আমি তোর কাছে হাত জোর করতেছি, তোকে আমার সাথে কলেজে আসতে হবে। আচ্ছা ঠিক আছে, কিন্তু এর জন্য তোকে একটা ট্রিট দিতে হবে। দোস্ত চিন্তা করিস না, সব কিছুই করবো তোর জন্য, তুই শুধু আমার সাথে একটু কলেজে আয়। আমি তোর কাছে আর কিছু চাই না। ্ওকে এখন বাসায় যা তা না হলে আন্টি আবার তোকে বকা দিবে। কালকে বাসা থেকে বের হ্ওয়ারপরে আমাকে একটা মিস কল দিস এই বলে প্রদীপ আমার কাছ থেকে বিদায় নিলো। আমি ্ও বাসায় আসলাম, তারপর ফ্রেশ হয়ে শুয়ে আছি বিছানায়, চোখ বন্ধ করে সেই মেয়েটার কথা ভাবতেছি, এমন সময় মা আমাকে ডাক দিলো, রাজ এই রাজ কোথায় তুই? আমি তাড়াতাড়ি করে মায়ের কাছে গেলাম, মা আমাকে বললো তুই এখন মায়াকে আনতে যাবি, তোর মামি এখনি ফোন করে বললো যে মায়া নাকি আমাদের বাসায় আসার জন্য বায়না করতেছে। তখন আমি মাকে বললাম আমার ভালো লাগতেছে না, আমি যেতে পারবো না।

তুমি অন্য কাউকে পাঠা্ও। মা আমার উপরে রেগে গিয়ে বললো কি ভালো লাগে না শুনি? এই তো কলেজ থেকে ভালো ভাবেই বাসায় আসলি। তুই দেখতে পাইস না, তোর বাবা বাজার করতে গেলো আর তোর কাকু তার শশুর বাড়িতে গেছে। আমি মনে মনে বলতেছি এই আমার একটা কাকু একদিন বাসায় থাকে তো, পুরো মাসটাই শশুর বাড়িতে থাকবে। আমি বুঝি না কাকু কেনো এতো শশুর বাড়িতে যায়। কি আর করার বাধ্য হয়ে আমাকেই যেতেই হবে। মাকে বললাম কি ভাবে যাবো? মা বললো তুই দেখতে পাইস না তোর বাবা মটরসাইকেলটা নিয়ে যায়নি, তুই সেটা নিয়ে যাবি। আমি বললাম ্ওকে যাচ্ছি। তোমরা এতক্ষণ ভাবতেছো এই রাজটা আবার কে? আসলে রাজ আমার ডাক নাম, বাসায় সবাই আমাকে ভালোবেসে রাজ বলে ডাকে, আর মা যে মেয়েটাকে আনতে বললো সে মেয়েটা হলো আমার মামা তো বোন। আমার থেকে এক বছরের ছোট কিন্তু আমার সাথে খুব পাখনামি করে। আমার মামার বাড়ি হলো কাহারোলে। আমি বাসা থেকে বের হলাম, মা বললো সাবধানে যাবি। আমি মাকে বললাম আমি মামিদের বাসায় যাবো না তুমি মায়াকে রাস্তায় আসতে বলো।এই কথা শুনে মা ধমক দিয়ে বলে তুই মায়াদের বাসায় যাবি আর ্ওকে সাথে নিয়ে আসবি।আমি আর কিছু না বলে মটরসাইকেল নিয়ে চলে গেলাম, তারপর মামাদের বাসায় এসে পেীছালাম। মামি আমার জন্য আগেই সব কিছু রান্না করে রেখেছিলো। আমাকে বলো তুমি ফ্রেশ হয়ে খাবার টেবিলে আসো।

আমি ফ্রেশ হয়ে খাবার টেবিলে আসলাম, দেখলাম মায়া খাবার টেবিলে আমার জন্য অপেক্ষা করতেছে। মায়া আমাকে বললো তোর ফ্রেশ হতে এতো সময় লাগে, আমি কতক্ষণ ধরে খাবার টেবিলে করতেছি অপেক্ষা করতেছি তোর জন্য। আমি মনে মনে ভাবতেছি আমাকে ঝারি মারা আগে আমাদের বাসায় চল তারপর তোকে মজা দেখাবো। মামি খাবার টেবিলে আসলো আর বললো তুমি দাঁড়িয়ে আছো কেনো বাবা?খেতে বসো। আমি খেতে বসলাম। মামি ভাত,ডাল শাক ভাজি, ছাগলের মাংস, মাছ আরো অনেক কিছু রান্না করেছে। আমাকে সব গুলো খেতে দিচ্ছে, আর আমি মামিকে বলেই চলেছি, এতগুলো খাবার আমি খেতে পারবো না। এদিকে মায়া আমাকে বলতেছে কেনো খাইতে পারবে না শুনি? তোকে সব কিছু খাইতে হবে। আমি মায়ার কথার কোনো উত্তর না দিয়ে মনে মনে বলতেছি তুই আগে আমাদের বাসায় যা তারপর তোকে আমি কাঁদিয়ে ছাড়বো। আমার খা্ওয়া শেষ করে মায়াকে বললাম কি রে আর কত খাবার খাবি, তাড়াতাড়ি কর তা না হলে আমি চলে যাবো।

মায়া আমার কথা শুনে খাবারে পানি ঢেলে দিয়ে উঠলো। এদিকে মামি মায়াকে বললো খাবারে পানি ঢেলে দিলি কেনো? আমার আর খা্ওয়ার ইচ্ছা করতেছে না। আমি রেডি হতে গেলাম।মামি মায়াকে বললো রেডি হবি মানে, আর একটু পরে সন্ধ্যা নেমে আসবে। তোরা কাল সকালে যাবি। মায়া ছিল খুব জেদি, সে যখন বলেছে যাবে তো যাবেই। তাই মামি আর তাকে থামাতে পারলো না। মায়া রেডি হয়ে আমার কাছে আসলো,আমি তো মায়াকে দেখে অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছি।কি সুন্দর করে সেজেছে মেয়েটা। একটা মিষ্টি কালারর শাড়ি পড়েছে,কপালে একটা ছোট টিপ দিয়েছে,হাতে হালকা চুড়ি, ঠোটে হালকা লিবিস্টিক আর চুলটা খোলা রেখেছে।

দেখতে একিবারে পরির মতো লাগতেছে। যে কেউ দেখলে তার প্রেমে পড়ে যাবে। আমার তো মনে হচ্ছিল তার ঠোটে একটা হালকা কিস করি। পরক্ষণে দেখি মায়া আমার হাতে একটা বারি দিয়ে বলে, কি রে কি দেখতেছিস এমন করে, বাসায় যাবি না? আমি বললাম ইয়ে মানে, সে আমাকে বললো আর ইয়ে মানে করতে হবে না, চল তাড়াতাড়ি সন্ধ্যা হয়ে আসতেছে।আমি বললাম ্ওকে চল। মামির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মটরসাইকেলে করে আমরা দুজনে বের হলাম। আমাদের বাসায় যেতে আর মাত্র 5 মিনিট বাকি আছে, ঠিক তখনি আকাশ থেকে ঝম ঝম করে বৃষ্টি পড়া শুরু করলো। এক মিনিটের মধ্যে ্ও আর আমি পুরো ভিজে গেলাম। তখন মায়া আমাকে বলতেছে গাড়িটা থামা। আমি বললাম কেনো? বাসায় যেতে তো আর মাত্র 2 মিনিট লাগবে। মায়া রাগ করে বলে তুই গাড়িটা থামাবি কি না? তখন আমি একটা বাড়ির সামনে গাড়িটা থামালাম, দেখি বাড়ির সামনে একটা টিনের দুচালা ঘর আছে আমরা তাড়াতাড়ি করে ্ওই ঘরে লুকিয়ে পড়ি। তখন আমি দেখলাম ভেজা অবস্থায় মায়াকে আরো সুন্দর লাগতেছে। এদিকে দেখি আকাশে অনেক বাজ পড়তেছে।

আর মায়া কিন্তু বাজ খুব ভয় পায়। একবার আকাশে খুব জোরে বাজ পড়ল তখন মায়া ভয় পেয়ে আমাকে জরিয়ে ধরলো,মায়া আমাকে জরিয়ে ধরাতে আমার নিজের মধ্যে একটা অজানা অনুভুতি কাছ করতেছে। তবে আমার খুব ভালো লাগতেছে। এদিকে বৃষ্টি কিছুটা থামছে তারপর মায়াকে বললাম আর কতো আমাকে জরিয়ে ধরে থাকবি এবার তো আমাকে ছাড়। মায়া লজ্জা পেয়ে মাথাটা নিচু করলো। আমি গাড়িতে বসে মোবাইলটা বের করলাম তখন দেখলাম মা আর মামি আমাকে হাজার বার কল দিয়েছে। আমি মায়াকে বললাম তাড়াতাড়ি গাড়িতে বস, এই বলে তাড়াতাড়ি করে বাসায় আসলাম। বাসায় এসে মাকে ডাক দিলাম তখন রাত 9 টা বাজে। মা আমার কথা শুনে বাইরে বের হলো আর আমাকে বকা দিতে শুরু করলো, তুই কি কোনোদিন মানুষ হবি না, বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে মেয়েটাকে আনতে হবে? আজকে রাতটা মামার বাসায় থাকলে তোর কি এমন ক্ষতি হতো শুনি? আমি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছি, এদিকে মায়া আমার দিকে দেখে মনে মনে হাসতেছে। তারপর মা মায়াকে নিয়ে বাসার ভিতরে চলে গেলো। আমি গাড়িটা ভালো করে রেখে দিয়ে ভিতরে চলে গেলাম। তারপর আমি আমার ্ওয়াশ রুমে চলে গেলাম, ফ্রেশ হয়ে কাপড় পরিবর্তন করে আমি ড্রয়িং রুমে আসলাম, দেখলাম মা হাতে একটা গরম দুধের গ্লাস নিয়ে মায়াকে খা্ওয়ায় দিচ্ছে, তখন আমি বললাম মা আমাকে এক গ্লাস গরম দুধ দা্ও। মা বললো তুই তো দুধ খাস না তাই তোর জন্য দুধ গরম করি নাই, এখন তুই যদি দুধ খাস তাহলে রান্না ঘরের ফ্রিজটাতে দুধ রাখা আছে যা গরম করে নিয়ে আয়।

আমি পারবো না তুমি আনে দা্ও। মা আমার উপরে রেগে গিয়ে বলছে তুই দেখতে পাসনা আমি মায়াকে দুধটা খা্ওয়াচ্ছি। মায়ের এই কথা শুনে আমি রাগ করে আমার রুমে চলে গেলাম। আসলে মা মায়াকে খুব আদর করে আর মায়া্ও মাকে খুব ভালোবাসে। তখন মায়া মাকে বললো আন্টি আমি আর খাবো না, আমার খুব ঘুম পাচ্ছে। তখন মা বললো ভাত গুলো ঠান্ডা হয়ে গেছে আমি গরম করে নিয়ে আসি তুমি খাবে কেমন। মায়া বললো আন্টি এখন আর কিছু খাবো না একেবারে কাল সকালে খাবো।তখন মা মায়া কে একটা রুম দিখিয়ে দিলো, যে রুমটা মা নিজে সাজিয়েছে। আসলে এই রুমটা অনক দিন ধরে পড়েছিল। আজকে মা এই রুমটা পরিস্কার করেছে কারণ বাড়িতে তার আদর মেয়ে আসতেছে তাই! আমি বিছানায় চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছি, এমন সময় মায়া আমার রুমে ঢুকে আমাকে ডাকতেছে, এই কি রে তুই দুধ খাবি না? আমি চোখ খুলে দেখি সে আমার পাশে বসে আছে হাতে একটা গরম দুধের গ্লাস নিয়ে। তখন আমি রাগ করে বললাম আমি দুধ খাবো না। তোমরা তো জানোই মায়া খুব জেদি একটা মেয়ে যেটা বলে সেটাই করে। তাই সে বললো লুকিয়ে লুকিয়ে তোর জন্য আমি দুধটা গরম করে নিয়ে আসলাম আর এখন তুই বলতেছিস খাবি না! আসলে মা যদি দেখতো যে মায়া না ঘুমিয়ে আমার জন্য দুধ গরম করতেছে,তাহলে একটা বড় সড়ো ঝামেলা হয়ে যেতো। তাই সে লুকিয়ে আমার জন্য দুধটা গরম করে এনেছে।

তারপর মায়া দুধের গ্লাসটা আমার মুখের সামনে এনে আমাকে জোর করে খা্ওয়ায় দিলো। তারপর বললো ্ওকে এখন ঘুমা্ও কালকে কথা হবে। আমি ্ও লাইট অফ করে ঘুমিয়ে পড়লাম। খুব সকালে আমার ঘুম ভাঙ্গল, তারপর কলেজের এই মেয়েটার কথা মনে পড়লো,ভাবছি আর ঘুমাবো না আজকে ্ওই মেয়েটাকে দেখতে যাবো। তারপর বিছানা থেকে উঠে ্ওয়াশ রুমে ফ্রেশ হতে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে সব থেকে আমার প্রিয় প্যান্ট ্ও শাট টা পড়লাম এবং গায়ে একটু পারফিউম মারলাম। তখন দেখি মা ডাকতেছে,বলতেছে কি রে তোর এখনো ঘুম ভাঙ্গতেছে না। আসলে আমি সকালে ঘুম থেকে উঠি না। আমার ঘুম থেকে উঠতে সাড়ে দশটা বাজে যায়। তাই মা আমাকে ডাকতেছে। আর আমি তো এই দিকে আজকে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে কলেজে যা্ওয়ার জন্য রেডি হয়ে আছি। আমি মায়ের কথার কোনো উত্তর না দিয়ে খাবার টেবিলে যাই। তারপর মা আমাকে দেখে বলে কিরে আজকে এতো তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠছিস? আর নতুন কাপড় পড়ছিস কেনো? আমি মাকে বললাম প্রশ্ন করা বাদ দা্ও তো আমাকে তাড়াতাড়ি খেতে দা্ও। মা তখন মায়াকে খাবার টেবিলে ডাকলো,আমি বললাম ্ও পরে খাবে তুমি আমাকে খাবার দা্ও তো। মা আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। আমি ভয় পেয়ে আর কিছু বললাম না। তারপর মায়া খাবার টেবিলে আসলো।

আমি তাকে দেখে অবাক হলাম! কারণ সে আজকে্ও শাড়ি পড়েছে, মনে মনে ভাবলাম কিছু একটা গোলমাল আছে তা না হলে সে কেনো আজকে্ও শাড়ি পড়বে? তারপর মা বললো আয় খেতে বস,খেতে খেতে মা আমাকে বললো রাজ তুই আজকে মায়াকে নিয়ে শপিং করতে যাবি। মায়াকে অনেক দিন ধরে কিছুই কিনে দি নাই। আমি বললাম আচ্ছা মা আমি বিকাল দিকে ্ওকে নিয়ে যাবো। মা বললো এখন তুই কি করবি শুনি? মা আমি আজকে কলেজে যাবো। কলেজে যাবি মানে তুই তো কালকেই কলেজে গেলি! আর তুই তো সপ্তাহে এক দিনের বেশি কলেজে যাস না, তাহলে আজ কেনো যাবি? আমি মনে মনে বলতেছি কি করে তোমাকে বুঝাবো? আমার যে আজকে কলেজে যেতেই হবে, তা হলে মেয়েটাকে দেখতে পাবো না। আমি শেষ বারের মতো মায়ের কাছে অনুরোধ করলাম, মা তুমি মায়াকে নিয়ে যা্ও কারণ আমি তো মেয়েদের কাপড়ের দাম সম্পর্কে জানি না, আর তুমি গেলে ভালো করে দাম করতে পারবে। মা আমার দিকে এমন করে তাকিয়ে আছে যেনো মনে হচ্ছে এখনি আমাকে মেরে ফেলবে।আমি আর কিছু না বলে, মাকে বললাম কিসে করে যাবো। মা এবার শান্ত হয়ে বললো আজকে তোরা রিকসায় যাবি কারণ কালকে তুই গাড়িটায় এমন কাদা লাগাইছিস তোর বাবা গাড়িটা দেখে বকতে বকতে রিকসা করে অফিসে গেলো। অফিস থেকে ফিরে তোর বাবা গাড়িটা পরিস্কার করবে। তারপর খা্ওয়া শেষ করে আমি আর মায়া রিকসার জন্য অপেক্ষা করতেছি,তারপর অবশেষে একটা রিকসা পেলাম,দুজনে পাশা পাশি ভাবে রিকসায় উঠলাম। তারপর এই মামা চলেন।

এইদিকে প্রদীপ আমাকে কল দিচ্ছে কলেজে যা্ওয়ার জন্য আমি কলটা রিসিভ না করে কেটে দিলাম, ভাবতেছি কি বলবো? মনে মনে বলতেছি আমার কপালটাই এমন!কোথায় ভাবলাম একটু কলেজে গিয়ে আজকে মেয়েটার সাথে কথা বলবো সেটা আর হলো না। তারপর মায়া আমাকে বললো তুই কি কিছু ভাবতেছিস? আমি বললাম না। আমি মায়ার দিকে তাকালাম দেখলাম তার শাড়িটা তার পেট থেকে সরে গেছে, কিছুক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে আছি,কেমন জানি একটা নেশা ধরে গেলো মনে হচ্ছে। তারপর অন্যদিকে তাকিয়ে বললাম আচ্ছা তুমি যদি শাড়ি পড়িস তো ভালো করে পড়বি।মায়া বললো কেনো কি হয়েছে? আমি তোর জন্যই শাড়িটা পড়েছি।

কারণ তুই তো শাড়ি পড়া মেয়ে দেখতে ভালোবাসিস। আসলে আমার কাকুর বিয়েতে সে একটা ছোট জামা পড়েছিলো আর তখন আমি তাকে বলেছিলাম যে তুই কি জানিস মেয়েদের আসল সেীন্দর্য শাড়িতে প্রকাশ পায়। তাই সে এখন আমাকে তার শাড়ি পরার কথাটা বললো! তারপর আমরা দুজনে শপিং মলে আসলাম,সে আমাকে একটা অনেক বড় কাপড়ের দোকানে নিয়ে গেলো। আমার মনে হচ্ছিল যেনো দোকানটা তার শশুরের। দোকানে গিয়ে মায়া বললো ভাইয়া একটা ভালো জামদানি শাড়ি দেখান তো। দোকানের ছেলেটা একটা ভালো শাড়ি বের করে দিলো,আমি মায়াকে বললাম ্ওই তুই এতো শাড়ি কি করবি? মায়া আমার দিকে তাকিয়ে বললো তুই শাড়ি পছন্দ কর আর বেশি কথা বলিস না।

আমি তাকে একটা হালকা গোলাপি কালারের শাড়ি দেখিয়ে দিয়ে বললাম এটা কেমন লাগতেছে বল? মায়া তো খুব খুশি হলো কারণ আমি তার পছন্দের একটা শাড়ি তাকে দেখিয়ে দিলাম। তারপর মায়া দোকানিকে বললো, ভাইয়া এই শাড়িটার দাম কতো? দোকানদার বললো 5000 টাকা। আমি তো শুনে অবাক চোখে তাকিয়ে আছি, তখন মায়া আমাকে বললো টাকা টা দে। আমি দোকানিকে বললাম ভাই দামটা একটু কম রাখুন। তারপর দেখি মায়া আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে। তখন আমি আর কিছু না বলে টাকা বের করে দিলাম। এবার মায়া দোকানিকে বললো ভাইয়া ভালো শাট আর প্যান্ট দেখান তো। আমি মায়াকে বললাম এই তুই শাট আর প্যান্ট দিয়ে কি করবি? মায়া বললো এই গুলো তোর জন্য রে গাথা। এই আমার কোনো কাপড় লাগবে না,তুই চল।সে আমার উপর এবার খুব রেগে গেলো। আমি আর কিছু বললাম না,কাপড়ের দাম টা দিয়ে চলে আসলাম বাইরে ।তারপর শপিং ব্যাগ নিয়ে মায়া বাইরে আসলো,তারপর বললো চল এখন ফুসকা খাবো। আমি খাবো না তুই খা। তারপর মায়া আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে, আমি বললাম এই তুই আমার হাতটা ছাড় রাস্তায় মানুষ দেখতেছে।

মানুষ দেখলে কি সমস্যা তোর? আমি তোর হাত ধরবো তোকে জরিয়ে ধরবো সেটা আমার ব্যাপার তুই কিছু বলিস না,চুপচাপ করে আমার সাথে আয়। তারপর একটা ফুসকার দোকানে আসলাম সে বললো মামা কড়া করে ঝাল দিয়ে এক প্লেট আর ঝাল না দিয়ে এক প্লেট ফুসকা দেন। তারপর সে অন্য একটা দোকানে পানির বোতল আনতে গেলো কারণ সে বাইরে মিনারেল ্ওয়াটার ছাড়া খায় না। ততক্ষণে মামা আমাকে দুই প্লেট ফুসকা দিয়েছে।মায়া আসলো আমি তাকে এক প্লেট ফুসকা দিলাম আর আমি এক প্লেট ফুসকা নিলাম। তারপর খা্ওয়া শুরু করলাম। আমি একটা ফুসকা মুখের মধ্যে খেতে শুরু করলাম,ঝালে তো আমার মুখ পুরে যাচ্ছে প্রায়, এদিকে মায়া বলতেছে মামা আপনি কি ফুসকায় ঝাল ‍দেননি নাকি? হে মা দিছি তো। তারপর মায়া আমার দিকে তাকালো দেখলো ঝালে আমার চোখ দুটা লাল হয়ে গেছে। তখন বললো তুই আমার ঝাল দে্ওয়া প্লেট কেন নিতে গেলি? আমি বললাম আমার মনে নাই।

তখন মায়া আমাকে পানির বোতলটা হাতে দিলো বললো নে পানি খা,মনে হয় তোর খুব ঝাল লেগেছে।আমি তো পুরো বোতলের পানি শেষ করে দিলাম কিন্তু আমার ঝাল কিছুতেই যাচ্ছে না। তখন মায়া সবার সামনে আমার ঠোটে তার ঠোট বসিয়ে দিলো,এভাবে প্রায় দুই মিনিট ছিল।তারপর ছেড়ে দিয়ে বললো এবার বল তোর কি আর ঝাল লাগতেছে? আমি অনুভব করলাম যে আমার আর কোনো ঝাল লাগতেছে না। তখন বললাম আমার আর ঝাল লাগতেছে না। আমি ঠিক বুঝতে পারতেছি না। কেনো মায়া আমার সাথে এই সব করতেছে। তারপর আমরা বাসায় ফিরে আসলাম,মা বললো তোরা গোসলটা করে নে আমি তোদের জন্য খাবার রেডি করতেছি।আমি আমার ্ওয়াশ রুমে চলে গেলাম,গোসল করতে করতে আমার শুধু মায়ার কিস দে্ওয়াটা বার বার মনে পড়তেছে। আমি তার প্রতি দুর্বল হতে শুরু করলাম।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ