About Us
Md Rabby Miah - (Dhaka)
প্রকাশ ২২/০৬/২০২১ ১২:১৭এ এম

সকল বাধা অতিক্রম করে কাজ শুরু পুরোদমে

সকল বাধা অতিক্রম করে কাজ শুরু পুরোদমে Ad Banner
করোনা ( কোভিড ১৯ ) সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া এবং জমি অধিগ্রহণ—কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেলের নির্মাণকাজের শুরুতে এই দুটি ছিল সবথেকে বড় প্রতিবন্ধকতা। ইতিমধ্যে এই দুটি প্রতিবন্ধকতা দূর হয়েছে। এখন কাজ চলছে আগের থেকে বেশি উদ্যমে প। কাজের এই ধারা অব্যাহত রেখে নির্ধারিত সময় অর্থাৎ ২০২২ সালের ডিসেম্বরে শেষ হবে স্বপ্নের টানেলের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে চাইছে দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান এর প্রকৌশলীরা । এরপরই যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে টানেল। এমনই আশাবাদ প্রকল্পসংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের।

দেশে প্রথমবারের মতো নির্মাণাধীন এই টানেলের চট্টগ্রাম নগর প্রান্ত শুরু হয়েছে পতেঙ্গার নেভাল একাডেমির পাশ থেকে। এই প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া প্রথম টিউবের খননকাজ গত বছরের ২ আগস্ট শেষ হয়েছে। নদীর আনোয়ারা প্রান্ত থেকে টিউবের খননকাজ শুরু হয়েছে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর। টানেল নগর প্রান্ত থেকে শুরু হয়ে কাফকো ও সিইউএফএল সীমানার মাঝখান দিয়ে উঠে কর্ণফুলী-আনোয়ারা প্রান্তে সংযোগ ঘটাবে। টানেলের মাধ্যমে চীনের সাংহাইয়ের আদলে চট্টগ্রামে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

দেশে প্রথমবারের মতো কোনো নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন এই টানেলের নামকরণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। এতে ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। টানেল নির্মিত হলে দেশের জিডিপি শূন্য দশমিক ১৬৬ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

টানেলের প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশীদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, নির্মাণকাজ শুরুর আগে-পরে করোনা মহামারি ও জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা ছিল। এখন আর তা নেই। তাই আশা করা যাচ্ছে, টানেল আগামী দেড় বছরের মধ্যে যান চলাচলের উপযোগী হয়ে যাবে।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ