About Us
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
nazmul huda parvez - (Kurigram)
প্রকাশ ২১/০৬/২০২১ ০৫:৫৬পি এম

চিলমারীতে কিশোরীদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

চিলমারীতে কিশোরীদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ Ad Banner

করোনাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার প্রতি অনিহা বা মনোযোগ হারিয়ে ফেলেছে। এছাড়াও অনেক মেয়ে শিশুর প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার আগেই এই করোনাকালীন সময়ে বাল্যবিবাহের সম্মুখীন হতে হয়েছে। অনেকেই আবার লেখাপড়া ছেড়ে জড়িয়ে পড়ছে শিশু শ্রমে। আবার অনেক ছেলে মেয়েকেই টানতে হচ্ছে সংসারের ঘানি। এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি মনোযোগ ফিরিয়ে আনা। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় অনেক শিক্ষার্থীরাই আসক্ত হচ্ছে মাদক সেবন কিংবা মোবাইল ফোনে বিভিন্ন গেম এ।

রীতিমতো কয়েকজন তরুণ-তরুণীরা এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে স্বেচ্ছায় এলাকার শিশু শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ৬০জন শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এই উদ্যোগে অভিভাবকরাও সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। স¤প্রতি সপ্তাহখানেক আগে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা না অবদি চলমান থাকবে।

উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের শেখপাড়া এলাকায় স্বপ্নচূড়া কিশোর কিশোরী ক্লাবের উদ্যোগে ওয়ার্ল্ড কনসার্ন বাংলাদেশের সহযোগিতায় এই ব্যতিক্রমী পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন ক্লাবের রোমানা, মেঘনা, মৌ, রোকসানা, সুলতানা ও রুবেলরা। এরা প্রত্যেকেই আবার স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী। প্রতিদিন বিকেল ৩ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রত্যেক শ্রেণির শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে ভাগ করে নেয়া হচ্ছে ক্লাস। প্রতিদিন এই পাঠদান কার্যক্রম মনিটরিং করছেন কারিগরি সহায়তায় থাকা রুপান্তর গুচ্ছ পর্যায় সংগঠনের সভানেত্রী লাইজু আক্তার।

পাঠদান কার্যক্রমকে অভিনন্দন জানিয়ে অভিভাবক আমেনা, আইরিন, মোনোয়ারা, মাহমুদা, রেপুনা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া থেকে বিমুখ হয়ে যাচ্ছে। তবে তাদের লেখাপড়ার গতি ফিরিয়ে আনতে স্বেচ্ছায় প্রতিদিন এলাকার কয়েকজন তরুণ তরুণী যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এতে ছেলে মেয়েরা একটু হলেও পড়ালেখার প্রতি আগ্রহী হবে আবার। বর্তমান যদিও ভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পাঠদান করায় করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি কম। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সীমিত আকারে যদি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে তবে অনেক ছাত্রছাত্রীরা আবারো পড়ালেখা মুখী হবে।



শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ