About Us
কে এ এম সাকিব - (Rajshahi)
প্রকাশ ২০/০৬/২০২১ ১১:৩৩পি এম

রাবিতে ৬ মাসে ৭ বার তালা দেয়ার ঘটনা

রাবিতে ৬ মাসে ৭ বার তালা দেয়ার ঘটনা Ad Banner

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে  ঘটে চলছে প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাসভবনে তালা ঝুলানোর ঘটনা। কখনো ছাত্রলীগ, কখনো কর্মচারীরা নিজেদের বিভিন্ন ইস্যুতেই তালা লাগিয়ে দিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন একের পর এক তালা লাগানোর ঘটনায় শিক্ষক ছাত্ররা সমালোচনার ঝড় তুলেছেন। শিক্ষক-ছাত্ররা এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে দাবি করে এসব কর্মকান্ডের দ্রুত অবসান চান। চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন মাস পর্যন্ত ৬ মাসে ৭ বার তালা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

গত ১১ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৯টায় তৎকালীন উপাচার্য এম আব্দুস সোবহানের নিজ বাসভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন চাকরি প্রত্যাশী সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

গত ২৯ মার্চ, ৫% হারে ঋণ দেয়াসহ কর্মচারীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে ও কর্মচারীদের চাকরী স্থায়ীকরণের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনে তালা লাগিয়ে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়ক, সাধারণ ও পরিবহন টেকনিক্যাল কর্মচারী সমিতির সদস্যরা।

এরপর ২ মে ভিসি সোবহানের মেয়াদের শেষ সময়ে ফাইন্যান্স কমিটির সভা ঠেকাতে সকাল সাড়ে ৮টায় ছাত্রলীগের ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী উপাচার্যের বাসভবনে তালা লাগিয়ে সেখানে অবস্থান করেন। পরে প্রশাসন ও সিনেট ভবনেও তালা লাগিয়ে দেন তারা। এর ফলে কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকে উপাচার্য। এতে বন্ধ হয়ে যায় ফাইনান্স কমিটির সভা।

এর পরের দিন ৩ মে ও ছাত্রলীগকে তালা মেরে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান করতে দেখা যায়।

পরবর্তী দিন, ৪ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের 'দূর্নীতিবিরোধী শিক্ষকরা' সিন্ডিকেট মিটিং ঠেকাতে উপাচার্যের বাসভবনে প্রবেশ করতে চাইলে চাকরী প্রত্যাশী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গেটে তালা ঝুলিয়ে দেন।

সর্বশেষ, ১৯ জুন চাকরী স্থায়ীকরণ ও দ্রুত যোগদানের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন ভবন ও উপাচার্যের বাসভবনে তালা দেন অ্যাডহকের ভিত্তিতে অবৈধভাবে নিয়োগপ্রাপ্তরা শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এর পরের দিন ২০ জুন, সকাল ৯ টার দিকে তারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে পূর্বদিনে ঝুলানো তালা খুলে দেয়। কিন্তু ভবনে রুটিন উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে না দেখে তিন ঘন্টার ব্যবধানে ফের তালা মেরে দেয় তারা।



শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ