About Us
Md. Razib Hossain - (Kushtia)
প্রকাশ ১৬/০৬/২০২১ ০৩:২০পি এম

কুষ্টিয়ায়য় এক বিদ্যুতের মিটারে দুইটা বিল!

কুষ্টিয়ায়য় এক বিদ্যুতের মিটারে দুইটা বিল! Ad Banner

কুষ্টিয়ায় একটি বিদ্যুতের মিটারের দুইটা বিদ্যুতের বিল করা হয়েছে সেই দুইটা বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করেছেন দুইজন গ্রাহক।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় বটতৈল ইউনিয়ন কবুরহাট মিয়াপাড়া তে নাজমুল মন্ডল নামের এক গ্রাহকের বিদ্যুতের বিল এসেছে দুইটা। তার মিটার নং ৭৫৯৯৩৬। দুইটা বিল এর কাগজ একটি নাজমুল মন্ডল এর বাড়িতে দিয়ে যায়। আর একটি বিল এর কাগজ যায় মিটার নং ৭৫৯৯৩৬এইটাও নাজমুল মন্ডল এর নামে বিল দিয়ে যায় পলাশ এর বাড়িতে।

পলাশ বলেন আমি ভেবেছিলাম যে আমার মিটারের বিল তাই আমি গত মাসের ২৭মে কুষ্টিয়া অগ্রণী ব্যাংক মজমপুর শাখাতে দিয়ে আসি। আর নাজমুল মন্ডল সে গত মাসের ২৫শে মে কুষ্টিয়া জনতা ব্যাংকে গিয়ে বিল দিয়ে আসে। নাজমুল মন্ডল বলেন একই মিটারে ২টা বিল কিভাবে আসে।আবার আমরা গ্রামের অশিক্ষিত মানুষ। কার নাম সেটা তো দেখি নাই। কিন্তু আমাদের প্রশ্ন যে আমরা ২জন ২ব্যাংকে গিয়ে বিল দিয়ে এসেছি।যখন ২৫তারিখ নাজমুল নামে বিল পরিশোধ হয়েছে।তারপর সেই বিল আবার ২৭তারিখে নেই কিভাবে?তারা বলেন আমরা কুষ্টিয়া বিদ্যুৎ অফিসে নিবাহী প্রোকৌশলীর ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমাদের কিছুই করার নাই। আমরা এই নাম্বারে  ০১৩০৫-৭৭২৬৯৫যোগাযোগ করি। পলাশ বলেন আমার এই জুন মাসে দুই মাসের বিল একসাথে এসেছে।কিন্তু আমি আমার মিটার জোসনা খাতুন নামে গত মাসে কোন বিল এর কাগজ পাইনি।পেয়েছিলাম নাজমুল মন্ডল এর বিল সেটা আমি ব্যাংকে দিয়ে এসেছিলাম।পলাশ বলেন আমি আজ বিদ্যুৎ অফিসে গিয়েছিলাম তারা আমাকে জানান এই মাসে আপনি বিল দেবেন না।আমরা সামনের মাসে কম করে বিল করে দেবো।

বটতৈল ইউনিয়নের কবুরহাটে কদমতলার এক গ্রাহক সাংবাদিক অর্পণ মাহমুদ জানান, তার নতুন বাসার জন্য একটি নতুন বিদ্যুৎ এর মিটার লাগানো হয়। সে মিটারে  হটাৎ করে ৫৪ ইউনিট এর স্থলে বিদ্যুৎ এর বিল আসে ২৬৫ ইউনিটের। পরে তিনি মিটারের ছবি ও ভিডিও ফুটেজ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে কর্তকর্তারা এমন ভুতরে বিল করার জন্য দু:খক প্রকাশ করেন এবং প্রতি মাসে সর্বনিম্ন বিদ্যুৎ বিল করে তা সমন্বয় করা হবে বলে তাকে জানান ।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার দেখে বিল করার কথা থাকলেও তা করা হয় না। বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন অফিসে বসেই খেলাল খুশিমতো ভুতুড়ে বিল করে ছেড়ে দেন এমন অভিযোগ অনেক গ্রাহকের। মিটারে বিল না উঠলেও দ্বিগুণ কখনো বা তিনগুন বেশী বিল গুনতে হয় গ্রাহকদের। এ ছাড়া এর প্রতিকার চেয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলেও নানাভাবে গ্রাহকদের হয়রানী করা হয়।



শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ