About Us
SULTAN MAHAMUD - (Dhaka)
প্রকাশ ১৬/০৬/২০২১ ০২:৩২পি এম

কলেজছাত্রী মুনিয়াকাণ্ডে জড়িতরা নিঃসন্দেহে ‘মাফিয়া’

কলেজছাত্রী মুনিয়াকাণ্ডে জড়িতরা নিঃসন্দেহে ‘মাফিয়া’ Ad Banner

রাজধানী ঢাকার গুলশানের অভিজাত ফ্ল্যাট থেকে
কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার পর দেড় মাসেরও
বেশি সময় পার হলেও অভিযুক্ত বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)
সায়েম সোবহান আনভীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। নতুন করে আলোচনায় এসেছে আরেক
ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ।

এসব চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জাতীয় সংসদে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩
আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য মো. হারুনুর রশীদ বলেছেন, ‘মাননীয় স্পিকার, আইন
উত্থাপন করে ও আইন পাস করে কী লাভ হচ্ছে? আইনের যদি সঠিক উদ্দেশ বাস্তবায়ন
না হয়, তাহলে সেটা পাস করা বৃথা। কারণ কয়েকদিন আগে মুনিয়া যাকে
বনানী-গুলশানে বাড়িতে রেখে ব্যভিচারের কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল। এর সঙ্গে
যারা জড়িত, তাদের ধরতে আইন কি নেই মাননীয় স্পিকার? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
কি করছে? অন্য কেউ হলে, তাদের গ্রেফতার করা হতো এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা
হতো। তারা নিঃসন্দেহে মাফিয়া, মাননীয় স্পিকার।’


গত সোমবার দুপুরে জাতীয় সংসদের এক আলোচনা সভায় বিএনপির
এ সংসদ সদস্য এসব কথা বলেন। নায়িকা পরীমণির প্রসঙ্গ টেনে হারুনুর রশীদ
এমপি বলেন, এসব ব্যক্তির যদি আইনের আত্ততায় না নিয়ে আসেন মাননীয় স্পিকার,
তাহলে কী হবে?’

এদিকে মুনিয়ার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় গুলশান থানায় মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, আলোচিত এ ঘটনার নিবিড় তদন্ত হচ্ছে। গুলশানের ওই
ফ্ল্যাট মালিকের মেয়ে, তার স্বামী, ভবনের কেয়ারটেকার ও দারোয়ানসহ এ পর্যন্ত
সাতজনের জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। এদের অনেকের বক্তব্যে বসুন্ধরা এমডি
আনভীরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। যেকোনো সময় মডেল পিয়াসাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা
হতে পারে।

অপর একটি সূত্র জানায়, মূল আসামি আনভীরের গতিবিধির
ওপরও নজর রাখছে পুলিশ। নানা কারণে তাকে গ্রেফতার কিংবা জিজ্ঞাসাবাদের
বিষয়টি শীর্ষ মহলের গ্রীন সিগন্যালের ওপর নির্ভর করছে। ঘটনাস্থল থেকে
সংগৃহিত আলামত যাচাই-বাছাইয়ে অনেকটাই ফেঁসে গেছেন আনভীর। এটি হতাকাণ্ড কিনা
তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে।


প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় গুলশানের
১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার তৃতীয় তলার একটি অভিজাত ফ্ল্যাট থেকে
মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া
বাদী হয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায়
প্ররোচনার মামলা করেন।


এতে অভিযোগ করা হয়,
আনভীরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুনিয়ার। প্রতিমাসে এক লাখ টাকা ভাড়ার
বিনিময়ে আনভীর মুনিয়াকে ওই ফ্ল্যাটে রেখেছিল। নিয়মিত ওই বাসায় যাতায়াত করতো
বসুন্ধরা এমডি। তারা স্বামী-স্ত্রীর মতো করে থাকত।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ