About Us
Md. Emran Hossain - (Manikganj)
প্রকাশ ১৫/০৬/২০২১ ০৮:৫৬পি এম

অবৈধভাবে চলছে মানিকগঞ্জ সিটি স্ক্যান ও কনসাল্টেশন

অবৈধভাবে  চলছে  মানিকগঞ্জ সিটি স্ক্যান ও কনসাল্টেশন Ad Banner

মানিকগঞ্জ শহরের অদূরে জয়রা রোডে অবধৈভাবে চলছে মানিকগঞ্জ সিটি স্ক্যান ও কনসাল্টেশন । সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় যে , শুধুমাত্র ডিজি অফিস কর্তৃক ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুমতি থাকলেও পৃথকভাবে সকল প্রকার চিকিৎসা সেবার সরন্জামের বৈধতা নেই।এক অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায় যে , উল্লেখিত কনসাল্টেশনে ব্যাহৃত এক্স-রে মেশিন স্থাপনের কোনো প্রকার অনুমতি পত্র না থাকা সত্বেও এক্স-রে সেবা দিয়ে আসছে কনসাল্টেশনটি ।  

কিন্তু পরিবেশ  সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৯৭ এর বিধি ৭(৪) মোতাবেক যে কোনো প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পূর্বে সর্বপ্রথম অবস্থানগত ছাড়পত্র গ্রহণ করতে হবে । হাসপাতাল, ক্লিনিক/নাসিং হোম ও ডায়াগনস্টিক/প্যাথলজিক্যাল ল্যাব এর অবস্থানগত/পরিবেশগত ছাড়পত্রের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ,১।ট্রেড লাইসেন্স ,২। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃক প্রদত্ত অনুমতিপত্র/লাইসেন্স ,৩। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স, ৪।এক্স-রে এর জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বাপশনিক) লাইসেন্স, ৫। তরল ও বায়বীয় বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে গৃহীত ব্যবস্থাপনার (ইনসিনারেটর/অটোক্লেভ) ব্যাখ্যা (ছবিসহ) এবং চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০০৮ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানে সৃষ্ট বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে গৃহীত কার্যক্রমের বিবরণ (স্থিরচিত্রসহ) ।  

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এর দু একটি কাগজপত্র ঠিক থাকলেও  ছাড়পত্রের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসমূহের অধিকাংশ নেই । যার ফলে কোনো প্রকার অবস্থানগত/পরিবেশগত ছাড়পত্র দেখাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ ।  

কনসাল্টেশনের নির্বাহি কর্মকর্তা আরশেদ আলীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে বলেন তাদের সকল প্রকার অনুমতি পত্র আছে ,কিন্তু পরে সেগুলো চাওয়া হলে সে  অনুমতি পত্র দেখাতে ব্যার্থ হয়। উল্লেখ্য,এক্স-রে এর জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বাপশনিক) লাইসেন্স ছাড়া কোনো ক্রমেই এক্স-রে সেবা দিতে পারবে না কোনো ডায়াগনস্টিক। তবে এর বিপরীত করছে  মানিকগঞ্জ সিটি স্ক্যান ও কনসাল্টেশন । তাদের কাছে এক্স-রে এর জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বাপশনিক) লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও এক্স-রে সেবা দিচ্ছে তারা।  নির্বাহি কর্মকর্তা আরশেদ আলীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন তারা লাইসেন্স এর জন্য টাকা জমা দিয়েছেন এবং আবেদন করেছেন । কিন্তু তার কাছে টাকা জমার কোনো প্রমাণ নেই , আছে শুধুমাত্র একটি অপূরণকৃত ফর্ম যা তিনি জমাই দেননি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে।তিনি এটাও দাবি করেন যে, মানিকগঞ্জ সিভিল সার্জনের অনুমতিক্রমে তারা এক্স-রে সেবা দিচ্ছে ।  

এ ব্যাপারে মানকিগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা: আনোয়ারুল আমিন আখন্দ বলেন, কোনো ডায়াগনষ্টিকে কোনো ভাবেই আমরা এক্স-রে এর জন্য অনুমতি দিতে পারিনা ,আর এটা দেয়ার এখতিয়ারও নেই আমাদের । তিনি আরো বলেন, এক্স-রে এর জন্য বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বাপশনিক) লাইসেন্স শুধুমাত্র তারাই দিতে পারবে, যদি কেও দাবি করে যে সিভিল সার্জন অনুমতি দিয়েছেন তবে সে ভুল তথ্য দিয়েছেন বা মিথ্যা বলেছেন। যদি কোনো  ডায়াগনষ্টিক বাপশনিক লাইসেন্স ছাড়া এক্স-রে সেবা দেয় এবং আমাদের যদি তা লিখিত ভাবে অভিযোগ করেন তবে আমরা এর আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করবো ।



শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ