About Us
Borhan Uddin - (Satkhira)
প্রকাশ ১১/০৬/২০২১ ০৬:৫৬পি এম

মুসলিমদের মুছে ফেলতে চাইছে চীন

মুসলিমদের মুছে ফেলতে চাইছে চীন Ad Banner

চীনের উইঘুর মুসলিমদের উপর যে বর্বকরোচিত নির্যাতন চালানো হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে একটি গবেষণা রিপোর্ট পেশ করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। 

১৬০ পাতার সেই রিপোর্টে উইঘুরদের উপর চীনা সরকার কর্তৃক চলমান নির্যাতন ও গণহত্যার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।     

রিপোর্টে বলা হয়েছে যে,  অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল  ২০১৯-এর অক্টোবর থেকে ২০২১-এর মে পর্যন্ত গবেষণা করে তারা যে ১২৮ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে, তার মধ্যে ৫৫ জন চীনের উইঘুর শিবিরে ছিলেন।

আর ৬৮ জন সেই সব পরিবারের সদস্য, যে পরিবার থেকে কেউ হারিয়ে গেছেন বা কাউকে হত্যা করা হয়েছে অথবা আটক করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে উইঘুরদের উপর চলমান নির্যাতনকে গণহত্যা বলে অভিযোগ এনেছে। 

রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, মসজিদ ভেঙে ফেলা হয়েছে। এমনকী  জিনপিং এর ছবি ঝুলানো বাধ্যতামুলক করা হয়েছে মসজিদে ও মুসলিমদের বাড়িতে।

১০ লাখের বেশি মানুষকে শিনঝিয়াং শিবিরে পাঠানো হয়েছে। মুসলিমদের ভয় দেখানোর জন্য চীন তাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সাইটগুলি বন্ধ করে দিয়েছে। প্রচুর সাক্ষী অ্যামনেস্টিক ইন্টারন্যাশনালকে  বলেছেন, চীন মুসলিমদের  চির তরে মুছে ফেলতে চায়।   

বন্দি শিবিরে আটকদের মধ্যে অনেকেই স্বীকার করেছেন যে, শিবিরের অবস্থা চীনের কারাগারের থেকেও খারাপ। তাদের সংশোধনাগারে ক্লাস নেওয়া হয়।

তার আগে সারাদিন তাদের বসিয়ে রাখা হয়। শিবিরের ক্লাসে তাদের ইসলামের 'খারাপ' দিকগুলি শিখতে বাধ্য করা হচ্ছে,  যাতে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম ইসলামকে অনৈতিক ধর্ম হিসেবে মনে করে। 

এ সকল অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সকল দেশকে পাশে চান আন্তর্জাতিক এই মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। 

এই মানবাধিকার সংগঠনের দাবি হলো,সকল বন্দি শিবির বন্ধ করে দিয়ে সেখানে আটকে রাখা সকল বন্দীদের মুক্তি দিতে হবে৷   জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ শিনঝিয়াংয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করতে আন্তর্জাতিক দল পাঠাবে। 

জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল জানিয়ে দেবেন, চীন যে বেআইনি ও নিষ্ঠুর কাজ করেছে তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ