About Us
Masrukur Masuk - (Khulna)
প্রকাশ ১০/০৬/২০২১ ০৩:৫৫পি এম

গাজার কেক নামক নতুন নেশায় ঝুকছে বাংলাদেশী তরুন-তরুনীরা

গাজার কেক নামক নতুন নেশায় ঝুকছে বাংলাদেশী তরুন-তরুনীরা Ad Banner

চোঁখ দিয়ে দেখলে কেউ বলবে না, যে এটা কেকের বিকল্প কিছু হতে পারে৷ দেখতে হুবহু কেকই। রয়েছে কেক বানানোর সকল উপাদানও। শুধু তাই নয়,রয়েছে অতিরিক্ত বাড়তি একটি উপাদান, যেটা মূলত সেদ্ধ গাজার নির্যাস। কেকটি মূলত তৈরি হয়েছে তেল, বাটার এবং সিদ্ধ গাজার নির্যাস দিয়ে। বলা যেতে পারে এই কেকের মূল উপাদানই হল গাজা। তাই নাম ও দেওয়া হয়েছে গাজার কেক বা ব্রাউনি।  আর এই কেকের গ্রাহক মূলত উচ্চবিত্তরা।

গোয়েন্দা সুত্রে জানা যায়, এল এস ডি নামক মাদক নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে এই নতুন মাদকের সন্ধান মিলেছে।  এরই ভিত্তিতে ব্যবসায় জড়িত অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তিন শিক্ষার্থীকে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- কাফিল ওয়ারা রাফিদ, কাজী রিসালাত হোসেন ও সাইফুল ইসলাম সাইফ।কাফিল ওয়ারা রাফিদ আমেরিকান ইন্টরন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এ কম্পিউন্টার সায়েন্স এবং কাজী রিসালাত হোসেন ধানমন্ডির অ্যাডভান্সড প্রফেশনালস-এর (এসিসিএ) এবং সাইফুল ইসলাম সাইফ পড়ছে ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ- (ইউডার চারুকলায়)।



গত বুধবার ৯জুন সন্ধ্যায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও পল্টন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এইচ এম আজিজুল হক বলেন, এলএসডি নামক একটা মাদক আমরা ধরেছি। আসামিদের নিয়ে যখন কাজ করছি তখনই তারা আমাদের জানিয়েছিল বিশেষ ধরনের মাদক দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। গাজাটাকে তেল ও বাটারের সঙ্গে সিদ্ধ করে কেক তৈরি করেন।এই তথ্যের ভিত্তিতে তারা বুধবার বিকালে মোহাম্মদপুরের শাহাজাহান রোডের একটি জায়গা থেকে প্রথমে রাফিদ ও সাইফকে আটক করে। এসময় তাদের কাছে প্রায় ১৮টি গাঁজার কেক পাওয়া যায়। তারা সেগুলো ডেলিভারি দিতে যাচ্ছিল। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পল্টন এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে রিসালাত হোসেনকে ১২পিস গাঁজার কেকসহ আটক করা হয়। তারা তিনজনই মাদকাসক্তের আশক্ত ছিল।

পুলিশ বলছে, মাদকটি ব্যয়বহুল হওয়ায় সাধারণত উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানরাই এর মূল গ্রাহক। নগরকেন্দ্রিক জীবনের পার্টি কালচারে মাতোয়ারা তরুণ-তরুণীদের মধ্যে গাজার কেক/ ব্রাউনির  বেশ জনপ্রিয় ।



শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ